শুভেন্দু অধিকারীনন্দীগ্রামের ভোটারদেরকেই নন্দীগ্রামের দায়িত্ব নিতে বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মাটিতে দাঁড়িয়েও ভবানীপুর নিয়ে মু্খ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুঁশিয়ারি। বুধবার শুভেন্দু বলেন, "আমি ভবানীপুর সামলাচ্ছি। আপনারা নন্দীগ্রাম দেখে নিন। দায়িত্ব নিন। মাঝে মাঝে দেখা হবে। ভবানীপুরে কেমনভাবে চড়কি কাটাতে হয়... আমার নাম শুভেন্দু অধিকারী। মেদিনীপুরের ছেলে, ৪৭ সালে স্বাধীনতা পাইনি, ৪২-এই সতীশবাবু বলে দিয়েছিলেন আমরা স্বাধীন তাম্রলিপ্ত সরকার, ঝুকনেওয়ালা নেহি হ্যায়। কালীঘাটের মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে নিয়েছি। উনি ওদিন নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন, আমি কালীঘাটে পুজো দিতে।"
পাশাপাশি, এই মঞ্চ থেকে ঘোষণা করেন ক্ষমতায় এলে ১ জুন ৩ হাজার টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন।
এদিন, আরও রামনগর এবং পটাশপুরেও কর্মীসভা করেন শুভেন্দু। মঙ্গলবার ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসারকে সরিয়ে সেই জায়গায় নিয়ে আসা হয় সুরজিৎ রায়কে। তার নিয়োগ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দেয় তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, নতুন আরও (RO) শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ। এই নিয়ে প্রবল চাপানউতোর মমতা-শুভেন্দুর।
এ প্রসঙ্গে মমতাকে নিশানা করে শুভেন্দুর দাবি, "কাল বলেছেন আমার নাম না করে, গদ্দারের একজন বিডিওকে ভবানীপুরের আরও (RO) করা হয়েছে। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গদ্দারের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে রাজনৈতিক পরিচয় দিয়েছেন রাজীব গান্ধী। তার আগে টিকিট দিয়েছিলেন প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়। কংগ্রেস ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়েছিল,এরপর ভারতরত্ন অটল বিহারী বাজপেয়ী আশ্রয় দিয়েছিলেন। নইলে আপনার রাজনীতি করা বেরিয়ে যেত। কংগ্রেস তারপর অটলজির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আর উনি বলেন আমার বলে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছি। নন্দীগ্রামের মানুষের আত্মবলিদানের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। নাহলে দিদি থেকে দিদিমা হয়ে যেতেন।" বিজেপি এবার ১৭৭-টি আসন দখল করবে বলে দাবি করেন বিরোধী দলনেতা।