'পশ্চিমবঙ্গের নিরাপত্তাই ভারতের নিরাপত্তা', সীমান্ত ইস্যুতে সতর্কবার্তা শুভেন্দুর।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে ভবানীপুর। একুশে নন্দীগ্রামের পর এবার এই হাইপ্রোফাইল কেন্দ্র মুখোমুখি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী। যুযুধান দুই পক্ষই নিজেদের জয় নিয়ে ১০০ শতাংশ আত্মবিশ্বাসী। জয়ের জয়ের মার্জিন নিয়ে কিছুটা যেন গোঁত্তা খেলেন শুভেন্দু। আগের অবস্থান থেকে সরে এসে জানালেন এখনই ভোটে জয়ের ব্যবধান কত হবে, তা বলছেন না।
টিভি৯-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে শুভেন্দু অধিকারীকে বলতে শোনা গেল, 'আমি প্রথমদিন বলেছিলাম ২৫ হাজারের জয়ের মার্জিন নিয়ে আমি আশাবাদী। কিন্তু এখনই এগুলো বলছি না। জনগণের উপর ছেড়ে দিচ্ছি। প্রথমদিন উৎসাহিত হয়ে, আশা করে বলেছিলাম। তবে আমার আশা নিশ্চয়ই পূরণ হবে।'
এদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় নেতা কর্মীদের বলেছেন, '২৯৩টা কেন্দ্রের দায়িত্ব আমি নিচ্ছি, ভবানীপুরের দায়িত্ব তোমাদের।' ফলে প্রথম দিন থেকেই ফিরহাদ হাকিম, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, দেবাশিস কুমারদের মতো নেতাদের দেখা যাচ্ছে নিজেদের কেন্দ্র ছেড়ে ভবানীপুরে প্রচার করতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ-ও হলফ করে বলেছেন, 'একটা ভোটে হলেও ভবানীপুরে আমিই জিতব।' আবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় কর্মীসভায় ভবানীপুর থেকে ৬০ হাজার মার্জিনের টার্গেট ফিক্স করে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে তৃণমূল এবং BJP এখন ভবানীপুরে ভোটের ব্যবধান নিয়ে হিসেব কষতে ব্যস্ত।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ফলে প্রশ্ন উঠছে, তিনি কি ভবানীপুরেও সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারবেন না এবার আর 'মুখ্যমন্ত্রীকে হারিয়েছি' এ কথা বুক ঠুকে বলতে পারবেন না। তবে BJP-র জন্য কিছু ইতিবাচক দিকও রয়েছে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভবানীপুরে তৃণমূলের লিড কমে দাঁড়ায় মাত্র ৮ হাজার ২৯৭ ভোটে। যেখানে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই ব্যবধান ছিল ২৮ হাজারের বেশি। এমনকী, ২৬৯টি বুথের মধ্যে ১৪৯টিতে BJP এগিয়ে ছিল এবং কলকাতা পুরসভার ৮টির মধ্যে ৫টি ওয়ার্ডেও তারা লিড পায়।