BJP Bengal Strategy: পয়লা থেকে রোজ দুপুর ১২টায় প্রশ্নবাণ, ৭ দিনে ৫০০ সভা, বঙ্গে বিজেপির রণনীতি বুঝুন

বিজেপি সূত্রের খবর, প্রথম দফার ভোটের আগে প্রচারে রাজ্যে ঝড় তুলবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে প্রচারকৌশলে রয়েছে সুনির্দিষ্ট রণনীতি। অন্তত ৩০টি জনসভা করার কথা অমিত শাহের। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। দু’জনেই অন্তত ১১টি করে জনসভায় ভাষণ দেবেন।

Advertisement
পয়লা থেকে রোজ দুপুর ১২টায় প্রশ্নবাণ, ৭ দিনে ৫০০ সভা, বঙ্গে বিজেপির রণনীতি বুঝুনবাংলায় বিজেপির কী কৌশল, জানুন
হাইলাইটস
  • ১৫২ বিধানসভায় ছোট-বড় মিলিয়ে হবে প্রায় ৫০০টি সভা হবে।
  • পয়লা বৈশাখ থেকেই শুরু হচ্ছে ‘১২টার চ্যালেঞ্জ’।

বাংলায় এবার অলআউট আক্রমণে নামছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের নয়া রণকৌশল, আগামী ৭ দিনে প্রথম দফার ১৫২ বিধানসভায় ছোট-বড় মিলিয়ে হবে প্রায় ৫০০টি সভা হবে। যাকে বলে 'কার্পেট বম্বিং'। সেই সঙ্গে ঘাসফুল শিবিরকে চাপে রাখতে পয়লা বৈশাখ থেকেই শুরু হচ্ছে ‘১২টার চ্যালেঞ্জ’। প্রতিদিন ঠিক দুপুর ১২টায় সাংবাদিক বৈঠকে করে তৃণমূলের উদ্দেশে একটি করে প্রশ্ন করবেন বিজেপি নেতৃত্ব।

বিজেপি সূত্রের খবর, প্রথম দফার ভোটের আগে প্রচারে রাজ্যে ঝড় তুলবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে প্রচারকৌশলে রয়েছে সুনির্দিষ্ট রণনীতি। অন্তত ৩০টি জনসভা করার কথা অমিত শাহের। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। দু’জনেই অন্তত ১১টি করে জনসভায় ভাষণ দেবেন।

এদিকে, পয়লা বৈশাখ থেকেইরাজ্য বিজেপির কলকাতা ও জোনাল অফিসগুলিতে ঘড়ি ধরে দুপুর ১২টায় সাংবাদিক বৈঠক করার প্রস্তুতি সারা। বস্তুত, তৃণমূলের দুর্নীতির অভিযোগকে হাতিয়ার করে এই 'দৈনিক প্রশ্ন-চ্যালেঞ্জ' হাতিয়ার করতে চায় মোদী-শাহের দল।

তবে এবারের ভোটপ্রচারে যোগী আদিত্যনাথের রণকৌশলে বড়সড় বদল এনেছে বিজেপি। গতবার মালদা বা মুর্শিদাবাদের মতো সংখ্যালঘু প্রধান এলাকায় যোগীকে দিয়ে প্রচার চালানো হলেও এবার ফোকাস করা হচ্ছে গ্রামীণ ভোটারদের ওপর। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ব্যাখ্যা, অতিরিক্ত মেরুকরণ হিতে বিপরীত হতে পারে। মেরুকরণের হাওয়ায় সংখ্যালঘু ভোট ঢালাওভাবে তৃণমূলের বাক্সে পড়ার ঝুঁকি নিতে চাইছে না বিজেপি। তাই গতবারের মালদা-মুর্শিদাবাদের বদলে এবার যোগীকে ব্যবহার করা হচ্ছে গ্রামবাংলার মন জয়ে।

রাজ্যের নেতাদের মধ্যে বিজেপির প্রধান তুরুপের তাস মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। গ্রামবাংলার মানুষের কাছে মিঠুনের যে ‘ক্রেজ’ আজও অটুট, তা ব্যবহার করতেই তাঁকে দিয়ে যতটা সম্ভব সভা করানোর পরিকল্পনা। 

সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় জনসভা করবেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। শুধু তাই নয়, কৌশলের দিক থেকে এবার কোনও ফাঁক রাখতে নারাজ গেরুয়া শিবির। রাজ্যের ওড়িয়াভাষী অঞ্চলে প্রচারের ভার দেওয়া হয়েছে ওড়িশার নেতাদের ওপর। আদিবাসী প্রধান এলাকায় ভোট টানতে নামানো হচ্ছে প্রভাবশালী আদিবাসী নেতৃত্বকে। সব মিলিয়ে পয়লা বৈশাখ থেকেই বাংলার ভোটযুদ্ধে রণংদেহি পদ্মশিবির।
 

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement