পশ্চিমবঙ্গে IPS-আমলাদের বদলি ইস্যুতে আবেদন খারিজ, কমিশনের সিদ্ধান্তে সিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ এই মামলার শুনানি করে। শুনানির সময় আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এই ধরনের বদলি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া।

Advertisement
পশ্চিমবঙ্গে IPS-আমলাদের বদলি ইস্যুতে আবেদন খারিজ, কমিশনের সিদ্ধান্তে সিলমোহর সুপ্রিম কোর্টেরসুপ্রিম কোর্ট
হাইলাইটস
  • পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের প্রাক্কালে অনেক পুলিশ অফিসার ও সরকারি আমলাকে বদলি করেছেন নির্বাচন কমিশন
  • তার বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে করা আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের প্রাক্কালে অনেক পুলিশ অফিসার ও সরকারি আমলাকে বদলি করেছেন নির্বাচন কমিশন। তার বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে করা আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। 

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ এই মামলার শুনানি করে। শুনানির সময় আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এই ধরনের বদলি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। আর এটি নতুন কোনও প্রক্রিয়াও নয়। বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, 'এটা সব জায়গায় হয়। প্রথমবার হচ্ছে এমনটা নয়।'

তবে এদিনের শুনানিতে আবেদনকারীর পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন তোলা হয়। আবেদনকারীর আইনজীবী জানান, এই বদলির নির্দেশ জারি করার আগে রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও ধরনের পরামর্শ করেনি নির্বাচন কমিশন। তখন আদালত জানায়, বিষয়টি আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। এই বিষয়টি নিয়ে ভবিষ্যতে বিস্তারিতভাবে বিবেচনা করা যেতে পারে।

বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, 'আবেদনকারী গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। তবে এই মুহূর্তে আমরা এতে হস্তক্ষেপ করছি না। আইনের প্রশ্নটির আলোনার পথ খোলা রাখা হচ্ছে।' অর্থাৎ, বর্তমান মামলায় হস্তক্ষেপ না করলেও ভবিষ্যতে একই ধরনের বিষয়ে আদালত বিস্তারিত শুনানি করতে পারে।

এই রায়ের ফলে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক বদলি সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল থাকল। নির্বাচন চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচন কমিশন প্রায়শই এই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে। আদালতের এই মন্তব্য সেই প্রক্রিয়াকেই সমর্থন করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আদালত একদিকে যেমন নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ও প্রথাগত পদক্ষেপকে স্বীকৃতি দিয়েছে, অন্যদিকে আবেদনকারীর উত্থাপিত আইনি প্রশ্নটিকেও গুরুত্ব দিয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে এই বিষয়টি আরও বড় সাংবিধানিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে। 

POST A COMMENT
Advertisement