Assam D Voter Meaning: SIR-এ নাম বাদ গেলে কি 'ডি-ভোটার'? অসমে এই ভোটাররা যেই সব সমস্যায় পড়েছে...

বাংলায় SIR প্রক্রিয়া শেষ। বিচারাধীন ভোটারদের নামের নিষ্পত্তিও হয়ে গিয়েছে। এই ব্যবস্থায় প্রচুর মানুষের নাম বাদ পড়েছে। তাদের নাম ভোটার লিস্ট থেকে করা হয়েছে ডিলিট। এখন তাদের হাতে একটাই রাস্তা, ট্রাইব্যুনালে আবেদন। সেখানে নাম বাদ গেলে হাজার অনিশ্চয়তা। ট্রাইব্যুনাল থেকেও নাম বাদ গেলে কি তাদেরও পরিণতি হবে অসমের মতো? তাদের ডি ভোটার করা হবে?

Advertisement
SIR-এ নাম বাদ গেলে কি 'ডি-ভোটার'? অসমে এই ভোটাররা যেই সব সমস্যায় পড়েছে...অসমে ডি ভোটার
হাইলাইটস
  • বাংলায় SIR প্রক্রিয়া শেষ
  • বিচারাধীন ভোটারদের নামের নিষ্পত্তিও হয়ে গিয়েছে
  • তাদের ডি ভোটার করা হবে?

বাংলায় SIR প্রক্রিয়া শেষ। বিচারাধীন ভোটারদের নামের নিষ্পত্তিও হয়ে গিয়েছে। এই ব্যবস্থায় প্রচুর মানুষের নাম বাদ পড়েছে। তাদের নাম ভোটার লিস্ট থেকে করা হয়েছে ডিলিট। এখন তাদের হাতে একটাই রাস্তা, ট্রাইব্যুনালে আবেদন। সেখানে নাম বাদ গেলে হাজার অনিশ্চয়তা। 

এখন প্রশ্ন হল, এই যে এত লাখ ভোটারদের নাম বাদ গিয়েছে, তাদের কী হবে? ট্রাইব্যুনাল থেকেও নাম বাদ গেলে কি তাদেরও পরিণতি হবে অসমের মতো? তাদের ডি ভোটার করা হবে? যদিও এই প্রশ্নের উত্তর এখনও দেয়নি নির্বাচন কমিশন। 

কিন্তু ডি ভোটার হলে যে কী কী বিপদ হতে পারে, সেটা নিয়েই আজকের এই নিবন্ধ। 

অসমের প্রেক্ষাপটে ডি ভোটার বা ডাউটফুল ভোটার বলতে সেই সব ব্যক্তিদের বোঝান হয়, যাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়ে সংশয় রয়েছে। তাই তাদের ভোটাধিকার আপাতত কেড়ে নিয়েছে কমিশন।

১৯৯৭ সালে ভারতের নির্বাচন কমিশন এই নিয়ম চালু করে। সেবার ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় প্রথমবারের মতো এই ডি ভোটার ক্যাটাগরি চালু করা হয়। তখন যেই সকল ব্যক্তি নিজেদের নাগরিকত্বের সপক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ দিতে পারেননি, তাদের নামের পাশে 'ডি' লিখে চিহ্নিত করা হয়।

মাথায় রাখতে হবে, একবার কেউ 'ডি' ভোটার হিসেবে চিহ্নিত হলেই বিপদ। এরপর তাকে বেশ কিছু আইনি সমস্যার মুখে পড়তে হয়। যেমন ধরুন- 

নির্বাচনে ভোট দিতে সমস্যা

তিনি কোনও নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন না। এমনকী তিনি প্রার্থী হিসেবে ভোটে দাঁড়াতে পারেন না।

এনআরসি থেকে বাদ
ডি-ভোটারদের নাম জাতীয় নাগরিক পঞ্জি বা এনআরসি-তে অন্তর্ভুক্ত করা হয় না। ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হওয়ার পরই তাদের এনআরসিতে নাম ঢোকানো হয়। অনেক ক্ষেত্রে ডি-ভোটারদের বিদেশি সন্দেহে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়। 

নাগরিকত্ব প্রমাণ কীভাবে?
কারও নামের পাশে 'ডি' চিহ্নিত হওয়ার পর তার মামলাটি বিদেশি ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। সেখানে ওই ব্যক্তিকে প্রমাণ করতে হয় যে তিনি বা তার পূর্বপুরুষরা ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের আগে থেকে ভারতে বসবাস করছেন। ট্রাইব্যুনাল যদি তাকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে জানিয়ে দেয়, তাহলে সমস্যা নেই। তবেই তার নামের পাশ থেকে 'ডি' চিহ্নটি সরিয়ে নেওয়া হয়।

Advertisement

যদিও পশ্চিমবঙ্গে এখনও এই বিষয়টা নিয়ে তেমন কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে যে কোনও সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে। তাই আগেভাগে সব দিক জেনে প্রস্তুত থাকুন।

 

POST A COMMENT
Advertisement