scorecardresearch
 

Raima Islam Shimu Murder Case: শিমু খুনের নেপথ্যে পরকীয়া তত্ত্ব! স্বামী নোবেলের সঙ্গে কেন অশান্তি?

বাংলাদেশের মডেল ও অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমু নিখোঁজের পর তার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয় সোমবার। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে তার স্বামী নোবেল ও নোবেলের বন্ধু ফরহাদকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। রাইমা ইসলাম শিমু হত্যাকাণ্ড নিয়ে এখন তোলপাড় ঢালিউড। স্বামী সাখাওয়াত আলীম নোবেলের সঙ্গে কলহের জেরেই খুন হন নায়িকা। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নোবেলের দেওয়া তথ্য এবং আত্মীয়দের বক্তব্যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে।

শিমু হত্যাকাণ্ড নিয়ে এখল তোলপাড় ঢালিউড শিমু হত্যাকাণ্ড নিয়ে এখল তোলপাড় ঢালিউড
হাইলাইটস
  • শিমু হত্যাকাণ্ড নিয়ে এখল তোলপাড় ঢালিউড
  • পেছনে অবৈধ সম্পর্কের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে
  • তাঁর স্বামী এমন দাবি করছেন

বাংলাদেশের মডেল ও অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমু  নিখোঁজের  পর তার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয় সোমবার। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে তার স্বামী নোবেল ও নোবেলের বন্ধু ফরহাদকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।   রাইমা ইসলাম শিমু হত্যাকাণ্ড নিয়ে এখন তোলপাড় ঢালিউড।  স্বামী সাখাওয়াত আলীম নোবেলের সঙ্গে কলহের জেরেই খুন হন নায়িকা। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নোবেলের দেওয়া তথ্য এবং আত্মীয়দের বক্তব্যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে। কী নিয়ে এই দম্পতির মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল সেটি নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। শিমুর কী এমন  ভুল ছিল যে, তাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে হল? শিমুর ভাই-বোন ও আত্মীয়রা  এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন। সেই সঙ্গে নোবেলের বিচার দাবি করেছেন। এদিকে শিমুর হত্যাকাণ্ডের পেছনে অবৈধ সম্পর্কের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। শিমুর হত্যাকারী তার স্বামী নোবেল পুলিশের কাছে জিজ্ঞাসাবাদে তার স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক থাকার দাবি করেছেন।

 

 

কী ভাবে হত্যা করা হয়েছে শিমুকে?
শিমুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে নাকি শ্বাসরোধে খুন করা হয়েছে, সেটি নিয়ে দেখা দিয়েছে ধোঁয়াশা।  পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, দাম্পত্য কলহের জেরে নোবেল  শিমুকে হত্যা করেন। সেই সময় পাশের ঘরেই ছিল তাদের দুই সন্তান। হত্যার পর মরদেহকে দ্বিখণ্ডিত করে  দুটি বস্তায় ভরে ফেলে আসা হয় কেরানীগঞ্জে। ঢাকার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে শিমুর দেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে। ময়নাতদন্তে শিমুর গলায় দাগ পাওয়া গেছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে— তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। ডিএনএ নমুনাসহ অন্যসব নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মৃত্যুর আগে তিনি ধর্ষিত হয়েছেন কিনা, তা যাচাই করার জন্যও প্রমাণ  সংগ্রহ করা হয়েছে।

 

শিমুর হত্যাকাণ্ডের পেছনে অবৈধ সম্পর্কের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে

 

শিমু হত্যার নেপথ্যে পরকীয়া!
শিমুর হত্যাকাণ্ডের পেছনে অবৈধ সম্পর্কের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। শিমুর হত্যাকারী তার স্বামী নোবেল পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে  স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক থাকার দাবি করেছেন। স্ত্রীকে পথে ফেরাতে ব্যর্থ হয়ে হত্যাকাণ্ডের পথ বেছে নেন বলে দাবি করেছেন নোবেল। নোবেলের বন্ধু ফরহাদের মালিকানাধীন ৩৪ গ্রিন রোডের বিল্ডিংয়ের একটি ফ্ল্যাটে নোবেল ও শিমু থাকতেন। দীর্ঘদিন ধরে বেকার থাকার পর কিছু দিন আগে শিমু একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের মার্কেটিং বিভাগে চাকরি নেন। নোবেলের সন্দেহ সেখানকার এক কর্মকর্তার সঙ্গে শিমুর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। এ নিয়ে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগেই থাকত। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, নোবেল জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা নেশা করায় তিনি শারীরিকভাবে কিছুটা অক্ষম। শনিবার মধ্যরাতে তাদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। দুজনের মধ্যে হাতাহাতির একপর্যায়ে শিমুর গলা চেপে ধরেন নোবেল। এতে শিমু নিস্তেজ হয়ে পড়েন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নোবেল জানান, এ সময় পাশের রুমে তার ছোট সন্তান ঘুমাচ্ছিল। নোবেল জানান, শিমু যে মারা যাবেন তা তিনি বুঝতে পারেননি। তিনি বলেন, যখন তার গলা ছেড়ে দিই, তখন দেখি শিমু নিস্তেজ হয়ে গেছেন। এর পর সারা রাত দেহের পাশে বসে থাকি। 

আরও পড়ুন: একটা সুতোই খুলে দিল শিমুর খুনের জট, উঠল পর্দা! কীভাবে ?

আরও পড়ুন: বাংলাদেশি নায়িকার বস্তাবন্দি দেহ, ধৃত স্বামী

নোবেলের বন্ধু সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে
জানা যাচ্ছে ফরহাদ নোবেলের ছোটবেলার বন্ধু। শাহবাগ এলাকায় বাড়ি হলেও বেশিরভাগ সময়ই নোবেলের সঙ্গে ফরহাদ সময় কাটাতেন। ফরহাদের স্ত্রী তাকে ডিভোর্স দিয়ে চলে গেছেন। নোবেলকে শিমুর দেহ সরিয়ে ফেলার পরামর্শ ফরহাদই দেন এবং দেহ লোপাট করতে সহায়তা করেন।