
বড় পর্দা হোক বা টেলিভিশন, অভিনেত্রীরা তাঁদের সৌন্দর্য ও শারীরিক গঠন বজায় রাখতে কঠোর পরিশ্রম করেন। শরীরচর্চা হোক বা ডায়েট-দীপিকা পাড়ুকোন, ক্যাটরিনা কাইফ, মালাইকা অরোরা থেকে শুরু করে অঙ্কিতা লোখান্ডে, এরা সকলেই দিন শুরু করেন বিশেষ পানীয় দিয়ে।

ফিটনেস ক্যুইন মালাইকা অরোরা ৫০ বছর বয়সেও যেন ২৫ বছরের তরুণী। সকালে খালি পেটে জিরে, জোয়ান এবং মৌরির জল পান করেন তিনি। এই মশলাগুলো হালকা ভেজে নিয়ে সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখেন। এরপর সকালে সেই জল সামান্য গরম করে, তাতে লেবু মিশিয়ে তিনি পান করেন।

চুল ঘন করতে এবং ত্বকে উজ্জ্বলতা আনতে দীপিকা পাড়ুকোন পুদিনা পাতা, হলুদ, নিম পাতা, কারি পাতা এবং বিট একসঙ্গে মিশিয়ে তার রস তৈরি করেন এবং পান করেন।

ফিটনেস বিশেষজ্ঞ শিল্পা শেঠি তাঁর সুঠাম দেহের জন্য সুপরিচিত। তিনি তাঁর দিনের শুরুটা করেন ঘি, হলুদ এবং গোলমরিচ মেশানো জল পান করে।

আলিয়াও জানিয়েছেন যে, তিনি আগে প্রচুর কফি পান করতেন। কিন্তু এখন লেবু মেশানো গরম জল পান করেন। খুব ভোরে এটি পান করা অত্যন্ত উপকারী।

ক্যাটরিনা কাইও ঘুম থেকে ওঠার পরই সকালে উষ্ণ জল পান করেন। মাঝে মধ্যে তিনি এর সঙ্গে লেবুর রস বা আদার রস মিশিয়ে নেন। তিনি কখনও এই অভ্যাসটি বাদ দেন না। এই জল পান করার পরেই কেবল তিনি শরীরচর্চা শুরু করেন।

অঙ্কিতা লোখান্ডে জানিয়েছেন যে, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর তিনি প্রায় দেড় থেকে দুই লিটার বিভিন্ন ধরণের জল পান করেন। এই অভিনেত্রী প্রথমে এক গ্লাস মেথি ভেজানো জল পান করেন। এরপর তিনি জোয়ান, জিরে এবং মৌরি গুঁড়ো মেশানো জল পান করেন। এছাড়া তিনি খাঁটি অ্যালোভেরার টুকরো কেটে খান এবং এক কোয়া রসুন চিবিয়ে খান। সবশেষে তিনি জাফরান মেশানো জল পান করেন।

অঙ্কিতা আরও জানান যে, তিনি আরেকটি জাদুকরী পানীয় তৈরি করেন, যা তাঁর স্বামীও পান করেন। তিনি ডাবের জল, বিটমূল, গাজর, ডালিম, আমলকী, কাঁচা হলুদ এবং তোকমা (বা গাম কাতিরা) একসঙ্গে মিশিয়ে এমন একটি পানীয় তৈরি করেন, যা তাঁকে সারাদিন ধরে কর্মশক্তি জোগায়।

সোহা আলি খান জানিয়েছেন যে, আগে তিনি সকালে খালি পেটে কফি পান করতেন; কিন্তু এখন তিনি তাঁর সেই রুটিন পরিবর্তন করেছেন। বর্তমানে তিনি হালকা গরম জলে হলুদ, আদা, চিয়া সিড এবং গোলাপি লবণ (পিঙ্ক সল্ট)-এর মিশ্রণ পান করেন। এই অভ্যাসটি তার পেটের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে সহায়তা করেছে।

দক্ষিণ ভারতীয় জনপ্রিয় তারকা কীর্তি সুরেশ খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠেই গ্রিন জ্যুস পান করেন। তিনি হালকা ভাপানো পালং শাকের পাতার সঙ্গে জোয়ান, লেবু, শসা, পুদিনা পাতা, আদা এবং রসুন মিশিয়ে এই রস তৈরি করেন। আলিয়া আরও জানান যে, তিনি আগে প্রচুর কফি পান করতেন; কিন্তু এখন তিনি লেবু মেশানো গরম জল পান করছেন। খুব ভোরে এটি পান করা অত্যন্ত উপকারী।

নেহা ধুপিয়া জানান যে, পেটের স্বাস্থ্যের জন্য তিনি কাঁচা হলুদ, আদা, গোলমরিচ এবং জিরে একসঙ্গে ব্লেন্ড করে বরফের টুকরোর আকারে জমিয়ে রাখেন। এরপর প্রতিদিন সকালে খালি পেটে তিনি একটি বরফের টুকরো এক গ্লাস হালকা গরম জলের সঙ্গে এবং এক চা চামচ অলিভ অয়েল বা ঘি মিশিয়ে পান করেন।