অগ্নিমিত্রা, রুদ্রনীল, রূপা, হিরণ তারকাদের নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। তারকাদের পাশাপাশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের জীবন নিয়েও সকলের কৌতূহল থাকে। তার মধ্যে যদি কোনও তারকা রাজনীতির ময়দানে নাম লেখায়, তাহলে তো কথাই নেই। এসব তারকাদের জীবনে কখন কী ঘটছে, তা নিয়ে সকলের মধ্যে থাকে বাড়তি কৌতূহল। বিশেষত তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন অনেকের নজর থাকে। বহু মানুষ জানতে চান তাদের পছন্দের তারকা- রাজনীতিবিদদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কতটা।
অনেকেরই অজানা এই তারকাদের অনেকেই শিক্ষাগত দিক দিয়েও বেশ এগিয়ে। আবার অনেকের শিক্ষাগত যোগ্যতা খুব একটা বেশি না। ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হয়েছে। ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অন্ত হয়ে এরাজ্যে বিপুল জয় হয়েছে বিজেপি-র। নির্বাচনী হলফনামায় পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জানুন, রাজ্যের বিজয়ী বিজেপি বিধায়ক তথা তারকাদের পড়শোনা কতদূর?
হিরণ চট্টোপাধ্যায়
এবছর শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজয়ী হয়েছেন হিরণ। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন অভিনেতা- বিধায়ক ১৯৯৮ সালে।
রুদ্রনীল ঘোষ
এবছর শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজয়ী হয়েছেন রুদ্রনীল। নরসিংহ দত্ত কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি (বি.এসসি)পেয়েছেন ১৯৯৪ সালে।
রূপা গঙ্গোপাধ্যায়
এবছর সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজয়ী হয়েছেন রূপা। যোগমায়া দেবী কলেজ থেকে বি.এসসি ডিগ্রি পেয়েছেন ১৯৮৬ সালে।
পাপিয়া অধিকারী
টালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে এবছর জয়ী হয়েছেন পাপিয়া। ১৯৮৬ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক সাহিত্যে স্নাতকোত্তর পড়াশোনা করেছেন অভিনেত্রী।
অগ্নিমিত্রা পাল
অগ্নিমিত্রা পাল এবার লড়েছিলেন আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে। বিজয়ী হন তিনি। বর্তমানে রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ উন্নয়ন মন্ত্রী তিনি। রাজনীতির ময়দানে নাম লেখানোর আগে ফ্যাশন ডিজাইনার রূপে জনপ্রিয়তা পান তিনি। ১৯৯৪ সালে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ আসানসোলের বনওয়ারিলাল ভালোটিয়া কলেজ থেকে বি.এসসি ডিগ্রি পান অগ্নিমিত্রা। এরপর, ১৯৯৭ সালে বিরলা ইনস্টিটিউট অফ লিবারেল আর্টস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সায়েন্স থেকে ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেছেন।
শর্বরী মুখোপাধ্যায়
শর্বরী মুখোপাধ্যায় প্রার্থী হয়েছিলেন যাদবপুর কেন্দ্র থেকে। ১৯৯১ সালে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি স্নাতক (বি.এ) ডিগ্রি পেয়েছেন।