scorecardresearch
 

Dharmajuddha: প্রায় ২ বছরের অপেক্ষা শেষে জানুয়ারিতে মুক্তি পাচ্ছে ধর্মযুদ্ধ

নেতাজি জন্মজয়ন্তী, প্রজাতন্ত্র দিবস মিলিয়ে বেশ কয়েকটি ছুটির দিন মিলবে ছবি মুক্তির পর। ফলে মনে করা হচ্ছে ধর্মীয় চেতনা এবং দেশাত্মবোধক ছবির জন্য সময়টি আদর্শ হতে চলেছে। ছবির ঘটনা একটি রাতকে কেন্দ্র করে। ছোট শহর ইসমাইলপুরে হঠাৎই ধর্মীয় দাঙ্গার কারণে সব কিছু তছনছ হয়ে যায়। দুই ধর্মের চার জন এক প্রবীণার বাড়িতে আশ্রয় নেন। যিনি তাঁর ছেলের অপেক্ষায় রয়েছেন।

ছবির একটি দৃশ্যে স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত এবং ঋত্বিক চক্রবর্তী ছবির একটি দৃশ্যে স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত এবং ঋত্বিক চক্রবর্তী
হাইলাইটস
  • ছবির পুরো কাস্ট উপস্থিত থাকলেও থাকতে পারবেন না স্বাতীলেখা।
  • তাঁর জীবদ্দশাতে ছবিটি আর মুক্তি পেল না।
  • আপাতত সে দিক থেকে তিনি এ সবের ঊর্ধ্বে চলে গিয়েছেন।

'তোদের লড়াই চলতে থাকলে এই দুনিয়ায় মানুষ থাকবে না, থাকবে শুধু মন্দির আর মসজিদ...'

ট্রেলারে স্বাতীলেখা সেনগুপ্তর (Swatilekha Sengupta) কথাগুলি বহুদিন আগেই বাহবা কুড়িয়েছিল। গত বছর এপ্রিল মাসেই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল রাজ চক্রবর্তী (Raj Chakraborty) পরিচালিত ছবি ধর্মযুদ্ধ (Dharmajuddha)। কিন্তু করোনা মহামারীর জেরে বার বার মুক্তির তারিখ পিছোতে হয়েছে। অবশেষে ২০২২ সালের ২১ জানুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি।

ছবির পুরো কাস্ট উপস্থিত থাকলেও থাকতে পারবেন না স্বাতীলেখা। তাঁর জীবদ্দশাতে ছবিটি আর মুক্তি পেল না। তিনি কাজের মাধ্যমে অবশ্যই জীবিত থাকবেন। কিন্তু তাঁর কাজের প্রশংসা নিজে দেখার মতো আনন্দ খুব কমই রয়েছে। আপাতত সে দিক থেকে তিনি এ সবের ঊর্ধ্বে চলে গিয়েছেন।

নেতাজি জন্মজয়ন্তী, প্রজাতন্ত্র দিবস মিলিয়ে বেশ কয়েকটি ছুটির দিন মিলবে ছবি মুক্তির পর। ফলে মনে করা হচ্ছে ধর্মীয় চেতনা এবং দেশাত্মবোধক ছবির জন্য সময়টি আদর্শ হতে চলেছে। ছবির ঘটনা একটি রাতকে কেন্দ্র করে। ছোট শহর ইসমাইলপুরে হঠাৎই ধর্মীয় দাঙ্গার কারণে সব কিছু তছনছ হয়ে যায়।  দুই ধর্মের চার জন এক প্রবীণার বাড়িতে আশ্রয় নেন। যিনি তাঁর ছেলের অপেক্ষায় রয়েছেন। ভোরের আলো ফোটার পর ধীরে ধীরে সেই প্রবীণার ঘটনা জানতে পারেন সকলে। যা সকলকে নাড়িয়ে দেয়।

ছবির স্টারকাস্টও অসম্ভব ভালো। স্বাতীলেখা তো আছেনই। সঙ্গে রয়েছেন ঋত্বিক চক্রবর্তী, শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, পার্নো মিত্র, সোহম, সপ্তর্ষি মৌলিক, কৌশিক রায় প্রমুখ। ছবিতে সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত। ছবির গল্প লিখেছেন রাজ চক্রবর্তী এবং পদ্মনাভ দাশগুপ্ত।