সোমবার নন্দনে টলিউডের টেকনিশিয়ানদের নিয়ে বৈঠক ডাকা হয়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী, প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী, তথ্য-সংস্কৃতি সচীব ড: সৌমিত্র মোহন মহাশয়, রুদ্রনীল ঘোষ, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, জিৎ সহ টলিপাড়ার একাধিক শিল্পী ও কলাকুশলীরা। এই বৈঠকের অন্যতম লক্ষ্যই ছিল বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে দীর্ঘদিনের কাজের সমস্যাগুলো মিটিয়ে এখানে কাজের পরিবেশকে স্বাভাবিক করা।
রথীজিতের স্ত্রী জানিয়েছেন যে এখন গায়ক হাসপাতাল থেকে বাড়ি এসেছেন। দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন। আপাতত তাঁকে নিয়মমাফিক জীবন কাটাতে হবে। বাইরের খারাপ খাওয়া যাবে না।
টলিপাড়ায় গুঞ্জন ছিল যে মা হতে চলেছেন প্রস্মিতা। কিন্তু গায়িকা এবং তাঁর গায়ক স্বামী নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনকে সব সময়ই আড়ালে রাখতেই পছন্দ করেন। আর তাই প্রস্মিতার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবরটি কোনওভাবেই প্রকাশ্যে আসেনি।
ইন্ডাস্ট্রির কানাঘুঁসো, দেব-জিতের মধ্যে খুব একটা বনিবনা নাকি নেই। কদিন আগে পর্যন্ত শোনা যাচ্ছিল যে দেবের 'দাদাগিরি'তে আসতে চলেছেন জিৎ। সবকিছুই ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু আচমকাই জিৎ এলেন না 'দাদাগিরি'তে। যার ফলে দর্শকেরা দেব-জিৎকে মুখোমুখি দেখার সুযোগ হারিয়ে ফেললেন।
কাঞ্চন ও শ্রীময়ীর পরিচয় বহু বছরের। সেই পরিচিতি ক্রমে বন্ধুত্ব ও পরে প্রেমে পরিণত হয়। সম্পর্কে থাকাকালীন কাঞ্চন ও শ্রীময়ী কম সমালোচিত হননি। তব বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে ২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রথমে আইনি বিয়ে ও তারপর সামাজিকভাবে বিয়ে সারেন কাঞ্চন ও শ্রীময়ী।
বাংলা একাধিক ছবিতে জয়ার অভিনয় সমাদৃত। টলিউডের নায়িকা হিসাবেই তাঁকে দেখা হয়। যিনি সৃজিত থেকে কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ছবির পছন্দের নায়িকা। কিন্তু ১৪ অগাস্টের রাতে বাংলাদেশি নায়িকাকে এই পদযাত্রায় সামিল হতে দেখে অনেকেই ভ্রুঁ কুঁচকেছেন। এবার দেশদ্রোহী তকমা পাওয়া অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র সরব হলেন জয়াকে নিয়ে।
জানা গিয়েছে, বয়সের কারণে তো বটেই, তো ছাড়া বছর খানেক আগে মায়া মৃদঙ্গ ছবির শ্যুটিং সেটে পড়ে গিয়ে চোট পান পরিচালক। তারপর থেকে হাঁটতে অসুবিধে হচ্ছিল। কিন্তু সম্প্রতি হঠাৎ পরপর দুবার হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন পরিচালক।
'কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত' ছবিটি নিঃসন্দেহে এখনও পর্যন্ত জিতের কেরিয়ারের সেরা পারফরম্যান্স। বিপ্লবী অনন্ত সিংয়ের চরিত্রে জিৎ অনবদ্য অভিনয় করেছেন। এই ছবিতে পরিচালক জিৎ-এর আলাদা আলাদা ৯ টি লুকসকে দেখিয়েছেন। এছাড়াও সুপারস্টারের অ্যাকশন অবতারেও মুগ্ধ দর্শক।
অভিনেত্রী নিজেও সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে। তবে এখনই তিনি কাউকে আলাদা করে উত্তর দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই বলেই জানিয়েছেন। টলিউডের পাশাপাশি হিন্দি ইন্ডাস্ট্রিতেও বেশ পরিচিত মুখ তিনি।
চুঁচুড়ার বিজেপি বিধায়ক সুবীর নাগের ‘ভারতমাতার পুজো’য় অংশ নেন হুগলির সাংসদ। আর সেখানেই রচনা নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, তৃণমূল জিতলে দলেই থাকতাম। আর এরপর পুরনো দলের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক দাবি করেন হুগলির সাংসদ।
রাত দখল হোক কিংবা নন্দন চত্ত্বরে রাত জেগে স্লোগান তোলা, ঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছিলেন অভিনেত্রী। আর এর জেরে তাঁকে ট্রোলড, কটুক্তি ও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল।