গোটা পুজো জুড়ে ফেসবুক বা ইনস্টা খুললেই শোনা গিয়েছে 'হই হই হই করব বলে...'। জানেন পুজোর থিমে পরিণত হওয়া এই গানটি কে গেয়েছে? কেনই বা এটি স্পটিফাই থেকে ব্যান হয়ে গিয়েছিল?
সাধারণত অভিনেতা-পরিচালককে দর্শকেরা একটু রাশভারী ভাবেই দেখে এসেছেন। গোঁফ অথবা হালকা দাড়ি লুকসেই বরাবর দেখা গিয়েছে সকলের প্রিয় পরমব্রতকে। কিন্তু সম্প্রতি অভিনেতার সেই লুকসে এসেছে বদল। আর মুখের এই বদল ঘটায় বয়স কমেছে বছর কুড়ি, অন্তত নেটিজেনের একাংশতো তাই বলছে।
পুজোর মরশুমে বাংলা ছবির রমরমা বাজার ছিল। একদিকে দেব-শুভশ্রীর 'দেশু৭', শিবপ্রসাদ-নন্দিতা রায়ের 'বহুরূপী: দ্য গোল্ডেন ডাকু', সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ছবি 'এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র' এবং 'দ্য একেন'। পুজোর মধ্যে এই চার ছবি দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।
গোল্ডেন লাল পাড় শাড়ি ও লাল ব্লাউজ, সঙ্গে সোনার গয়না আর কপালে বড় টিপ। মা হওয়ার পর ওজনও বেড়েছে খানিকাটা, সেটা সোহিনীকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে। পাড়ার পুজোতে সকলের সঙ্গে অভিনেত্রীও দেবী বরণ করলেন।
কলকাতার অ্যালেন পার্কের দুর্গাপুজোয় সিঁদুরখেলায় হাজির হলেন টলি সেলেবরা। ঢাকের তালে নাচতে দেখা গেল ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, অপরাজিতা আঢ্য আর দর্শনাকে। দেখুন সেই ভিডিও।
দেখতে দেখতে উমা বিদায়ের দিন চলেই এল। তবে বাঙালিরা এদিন চোখের জলে নয়, বরং হাসিমুখেই বিদায় করে তাঁদের ঘরের মেয়েকে। আবারও এক বছরের অপেক্ষা আপামর বাঙালির। এই বছরের মতো দুর্গোৎসব শেষ।
বিধায়ক হিরণ এবং তাঁর স্ত্রীর বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া জারি। এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে বিচ্ছেদের কথা দু’জনের কেউই জানাননি। তবে অনিন্দিতা জানিয়েছেন, তাঁরা একছাদের তলায় থাকেন না। তাহলে দশমীর দিন কার নামে সিঁদুর পরে দেবী বরণ করতে এলেন অনিন্দিতা?
সোহিনী ও শোভনের জীবনে নতুন অধ্যায়ের শুরু হয়েছে গত ২০ সেপ্টেম্বর। ওই দিনই তাঁদের সংসারে এসেছে পুত্রসন্তান। ছেলের জন্মের ১০দিনের মাথায় বীরপুরুষকে কোলে নিয়ে জন্মদিনের কেক কেটেছেন মা সোহিনী। তবে এখনও পর্যন্ত ছেলের মুখ প্রকাশ্যে আনেননি সোহিনী ও শোভন।
কোয়েল এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, কী করে একসঙ্গে মিলে যৌথ পরিবারে থাকতে হয়, সেই জিনিসটা হয়তো আমাদের মধ্যে আছে। সেই কারণে আমরা এই বাড়িতে এত বছর ধরে পুজো করে আসতে পেরেছি, ১০২ বছর হয়ে গিয়েছে। রঞ্জিত-কন্যা আরও জানান যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এসেছেন, তাঁর খুবই ভাল লাগছে।
নবমীতে চোরবাগানকাণ্ডে নিহতদের বাড়ি যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাতে নিউটাউন ও পানিহাটিতে পুজো মণ্ডপেও দেখা যায় তাঁকে। এর মাঝেই সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কে 'দশেরা'র রাবন দহন অনুষ্ঠানে হাজির হন তিনি। এদিন সল্টলেকে স্বাস্থ্য ভবনের কন্ট্রোল রুমও পরিদর্শন করেন তিনি। এরমধ্যে সময় করে ভবানীপুরের মল্লিক বাড়ির পুজোতেও গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। । নবমীর সন্ধ্যায় অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের আমন্ত্রণে সেখানে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুজো দেওয়ার পাশাপাশি মল্লিক বাড়িতে নাড়ুও খান মুখ্যমন্ত্রী।
দুর্গাপুজোর অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করতে নিউ জার্সির উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পথে ডালাস বিমানবন্দরে আমেরিকান এয়ারলাইন্সের কর্মীদের হাতে এই অনভিপ্রেত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন তাঁরা।