Tollywood: রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছু বদলেছে।ইন্ডাস্ট্রির হাল ফেরাতে নতুন উদ্যোগ নিল রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রক। তৈরি হল উপদেষ্টামণ্ডলী। যেখানে রয়েছেন ১৯ জন সদস্য।
মেয়ে দিশানীকে কলকাতার আর্বজনার স্তুপ থেকে কুড়িয়ে পেয়েছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। এরপর সেই মেয়েকে সব নিয়ম মেনে দত্তক নেন। এখন সেই মিঠুন-কন্যার বিয়ের বয়স হয়ে গিয়েছে, সম্প্রতি বিদেশি যুবকের সঙ্গে বাগদানও সারেন তিনি।
গত ডিসেম্বর থেকেই মেসি কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় ছিল রাজ্য-রাজনীতি। মুখ পুড়েছিল ক্রীড়া জগতের। যদিও গা বাঁচিয়ে পুরো ঘটনাটি এড়িয়ে গিয়েছিল তৎকালীন রাদ্য সরকার। গোটা ঘটনার দায়ভার আয়োজকের ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু রাজ্যে প্রত্যাবর্তন হতেই পুরোটাই উল্টে পাল্টে যায়। মেসি কাণ্ডে আইনি জটে জর্জরিত প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।
আপনি শ্যুটিংয়ের ৭ দিন আগেও যদি মেইল করে আবেদন করেন, তবুও অনেক সময় সেই অনুমতি শ্যুটিংয়ের দিন রাত ৮টা নাগাজ পৌঁছায়। প্রোডাকশন ম্যানেজার একটু ভীত গলায় বললেন, তুমি একবার দাদাকে ফোন করে রিকোয়েস্ট করো।
শোনা যায়, অনন্যার নাকি ইচ্ছে ছিল না তাড়াতাড়ি বিয়ে করার। একরকম পরিবারের চাপেই পাত্র দেখার ৪ দিনের মধ্যেই জয়ের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। এটি ২০০০ সালের ঘটনা। জয় নাকি ভীষণ মদ খেতেন। কিন্তু জয়ের মদে আসক্তির জন্যই অনন্যার বিয়ে টেকেনি, এটা স্পষ্ট করা বলা যায় না। অন্য কী কারণ, তা নিয়ে অবশ্য অনন্যা প্রকাশ্যে কখনওই মুখ খোলেননি। জয় বিজেপি করতেন। ২০১০ সালে অনন্যা যোগ দেন তৃণমূল কংগ্রেসে।
বিদ্যার এই ভিডিওতে অনেক টলিউড তারকাকেই মন্তব্য করতে দেখা যায়। প্রসঙ্গত, পর্দার চরিত্র থেকে বাস্তব জীবন, সবখানেই যেন বাঙালি নারীর ছাপ রেখে গেছেন বলিউড ডিভা বিদ্যা বালান। জন্মসূত্রে বিদ্যা দক্ষিণী হলেও তাঁর মধ্যে যে বেশ একটা বাঙালিয়ানা রয়েছে, তা বোধহয় বিদ্যা অনুরাগীদের সবারই জানা।
রাহুলের মৃত্যুর পর একেবারে থম মেরে গিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। সবটাই একা হাতে সামলেছেন তিনি, পাশে পেয়েছিলেন গোটা টলিপাড়াকে। ধারাবাহিকের প্রযোজনা সংস্থা ম্যাজিক মোমেন্টস ও লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে রিজেন্ট পার্ক থানায় ও তালসারিতে এফআইআর করেছেন প্রিয়াঙ্কা। কিছুদিন হল স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছেন অভিনেত্রী।
সম্প্রতি সোহিনীকে দেখা গেল শহরের এক অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে। যেখানে অভিনেত্রী পরেছিলেন হালকা গোলাপি রঙের শাড়ি ও নীল রঙের প্রিন্টেড ফুল স্লিভ ব্লাউজ। হালকা বেবিবাম্প দেখা যাচ্ছে, চোখে-মুখে মাতৃত্বের গ্লো একেবারে স্পষ্ট। সূত্রের খবর, চলতি বছরের শেষের দিকে দুই থেকে তিন হবেন সোহিনী-শোভন।
রাজনৈতিক হাওয়া বদলের আবহে জমজমাট ছিল 'আবার হাওয়া বদল' ছবির প্রিমিয়ার শো। ছবিতে অভিনয় করেছেন বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ। সেই ছবির প্রিমিয়ারে এসে মুনমুন বললেন, 'আমি ওকে আগেই বলেছিলাম, একজন দুর্দান্ত অভিনেতা।' এরপরই রুদ্রর গালে চুমু খান তিনি।
Saayoni Ghosh Video: শিরোনামে সায়নী ঘোষ। রবিবার, ফের দিল্লিতে 'বিদ্রোহী' ব্লকের বৈঠক ছিল। সেখানে অন্যদের সঙ্গে হাজির ছিলেন সায়নীও। সংবাদমাধ্যমের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি।
টেলিভিশনে অভিনয় দিয়ে কাজ শুরু সায়নীর। ২০১০ সালে টেলিফিল্ম 'ইচ্ছে ডানা' দিয়ে তাঁর অভিনয় জীবন শুরু। এরপর ওই বছরেই বড়পর্দায় আত্মপ্রকাশ ঘটে কমেডি ছবি 'নটবর নটআউট'-এর মাধ্যমে। এরপর তাঁকে আর পিছনে ঘুরে তাকাতে হয়নি। চিরকালই বাছাই করা কাজ করতে পছন্দ করেন তিনি৷ কখনও নিজের কাজের সঙ্গে আপোস করেননি।