Raj Subhashree: এত দিন যে তারকাদের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একই মঞ্চে দেখা যেত বা মিছিলের সামনে সারিতে দেখা যেত, সেসব তৃণমূলপন্থী তারকাদের নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ভরেছে মিমে।
বিবেক অগ্নিহোত্রী পরিচালিত 'দ্য বেঙ্গল ফাইলস' ছবিতে গোপাল পাঠা ওরফে গোপালচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের চরিত্রে অভিনয় করে অজস্র প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন অভিনেতা সৌরভ দাস। তবে প্রশংসার পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় সৌরভকে ট্রোল-কটাক্ষের মুখেও পড়তে হয়েছিল। এই ছবির ট্রেলার প্রকাশ্যে আসার পরই সৌরভকে তুমুল সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছিল।
Prosenjit Chatterjee: টলিপাড়ায় হঠাৎ ছড়িয়ে পড়ে, বিজেপি-র শিবপুরের প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষকে নাকি যোগাযোগ করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এরপর থেকে, অনেকে প্রসেনজিতকে নিয়ে নানা আলোচনা শুরু করেন।
২০২১ সালে ভারতীয় জনতা পার্টির পতাকা হাতে তুলে নিয়েছিলেন টলিপাড়ার একাধিক তারকারা। যাদের মধ্যে ছিলেন দুই নায়িকা তনুশ্রী চক্রবর্তী ও পায়েল সরকার। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এই দুই নায়িকা টিকিটও পেয়েছিলেন। কিন্তু জয়ী হতে পারেননি তাঁরা কেউই। এরপর থেকে দলের আর কোনও কর্মসূচিতে তাঁদের দেখা যায়নি।
হঠাৎ করে চিত্রটা এভাবে বদলে যাবে তা অনেকেই ভাবেননি। পরিবর্তন নয়, প্রত্যাবর্তনের দিকেই সায় দিয়েছেন বঙ্গবাসী। আর তাই বাংলা জুড়ে শুধুই এখন গেরুয়া ঝড়। ছাব্বিশের নির্বাচনে উত্তরপাড়া থেকে টিকিট পাননি বিদায়ী বিধায়ক তথা অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক।
টলিউড তারকাদের মধ্যে যাঁরা যাঁরা তৃণমূলে রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খুব কাছের সায়নী ঘোষ। দলের মিটিং-মিছিল সব জায়গাতেই তাঁর উপস্থিতি সকলেরই নজরে এসেছে। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে সাংসদ হয়েছেন সায়নী।
৪ মে থেকে বঙ্গ রাজনীতির রং গেরুয়া। পদ্মপ্রার্থীদের ঝোড়ো ব্যাটে একের পর এক আউট হতে দেখা গেল তৃণমূল কংগ্রেসের দুঁদে খেলোয়াড়দের। আম জনতা ১৫ বছরের সবুজ রাজনীতি যে আর চান না তা স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিলেন। রাজ্যে গেরুয়া রঙের সুনামি আসতেই টলিপাড়ার অনেক তারকারাই নিজেদের রং দেখাতে শুরু করে দেয়।
এত দিন যে তারকাদের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একই মঞ্চে দেখা যেত বা মিছিলের সামনে সারিতে দেখা যেত, সেসব তৃণমূলপন্থী তারকাদের নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ভরেছে মিমে।
বরাবরই তৃণমূল কংগ্রেসের তুরুপের তাস ছিল টলিপাড়ার তারকারা। যে কোনও মিছিল-মিটিংয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে সর্বদাই দেখা যেত এঁদের। ছাব্বিশের নির্বাচনেও তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন সোহম চক্রবর্তী, অরুন্ধতী মৈত্র, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ চক্রবর্তী, অদিতি মুন্সী, ইন্দ্রনীল সেন।
এরকম প্রত্যাবর্তন অনেকেই আশা করেননি। ৪ মে-এর দিকে তাকিয়ে ছিলেন সাধারণ মানুষ থেকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও। তেমনই সকাল থেকেই বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিও।
কাজের ব্যস্ততার ফাঁকে দেব সব সময়ই 'ফ্যামিলি ম্যান' বলেই পরিচিত। রাজনীতির ময়দান হোক কিংবা বিনোদন জগত, সব জায়গাতেই তাঁর দাপট দেখার মতো। তবে সবকিছুর শেষে দেব তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে ভীষণ ভালোবাসেন।