কনীনিকা- সুরজিৎ (ছবি: ইনস্টাগ্রাম) টলি বা টেলিপাড়ায় যেমন নতুন সম্পর্ক গড়ে, তেমন অহরহ সম্পর্ক ভাঙার গুঞ্জনও শোনা যায়। টেলিপাড়ায় হঠাৎ গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল, আরও এক তারকার বিয়ে ভাঙার কথা। কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্বামী সুরজিৎ হারির সম্পর্কে ফাটল ধরার খবর কিছু মাস আগে একেবারে 'হট কেকের' মতো ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মাঝেই স্বামীর সঙ্গে কাছাকাছি আসেন অভিনেত্রী। তারকাদের সম্পর্কের সমীকরণ বোঝা সত্যিই খুব কঠিন। সেসময় ভ্যাকেশনেও গিয়ে সেই ছবি সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন। কিছুদিন আগে ফের ছড়ায় সেই একই গুঞ্জন। আবার নাকি দূরত্ব তৈরি হয়েছে তাঁদের।
ছোট পর্দা, বড় পর্দা কিংবা ওটিটি প্ল্যাটফর্মের অতি পরিচিত মুখ কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্টুডিয়ো পাড়ায় ফের হঠাৎ খবর রটে যায়, সুরজিতের সঙ্গে নাকি আবারও দূরত্ব তৈরি হয়েছে অভিনেত্রীর। যদিও এই নিয়ে কোনও বিবৃতি দেননি দু'জনের কেউই। এমনকী জল্পনাটি সত্যি বলেও মানেননি তাঁরা, তবু চর্চার ইতি নেই। তবে সমালোচকদের মুখে এক প্রকার ছাই ঘষে দিলেন কনীনিকা। স্বামীর জীবনের হাফ সেঞ্চুরি উদযাপনে ভ্যাকেশনে গিয়ে সেই ছবি নিজের সোশ্যাল পেজে শেয়ার করলেন তিনি।
ফুরফুরে মেজাজে বরের সঙ্গে 'কোয়ালিটি টাইম' কাটাচ্ছেন
বরের সঙ্গে এই মুহূর্তে একেবারে ছুটির মেজাজে রয়েছেন কনীনিকা। ডেস্টিনেশন হিসাবে বেছে নিয়েছেন সমুদ্র- সৈকত। সাগর পাড়ের একটি ছবিতে রয়েছেন তাঁদের মেয়ে কিয়াও। বেড়াতে গিয়ে ফটোসেশনে মেতেছেন অভিনেত্রী। নেটমাধ্যমে নিজেই শেয়ার করেছেন আদরমাখা ছবি। ক্যাপশনে লিখেছেন, "আমার প্রিয় স্বামীকে ৫০তম জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। তুমি আমার কাছে খুব স্পেশাল। কারণ তুমি আমার স্বামী। তোমায় অনেক ভালোবাসি। তুমি আমার লাইফলাইন। আমার জীবনে আসার জন্য অনেক ধন্যবাদ। ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন।"
বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে কী বলেছিলেন কনীনিকা
এর আগে, বিচ্ছেদ নিয়ে সাংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খোলেন কনীনিকা। অভিনেত্রী সে সময় বলেন, অনেক অনুষ্ঠানে বরকে ছাড়াই যাচ্ছেন বলে হয়তো, এই রটনার সূত্রপাত। এখন কোনও ব্যাক্তিকে নিয়ে 'আমার' 'আমার' করার বয়স নেই। বাকি অনেকের মতো বরের সঙ্গে ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন না। সব মিলিয়ে হয়তো সেখান থেকে গুঞ্জন তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করছেন। তবে তিনি জানান, মেয়ে কিয়াকে নিয়ে বরের সঙ্গে বেড়াতে গেলে, ছবি দেন। তাঁর কথায়, " সুরজিতেরও ব্যক্তি স্বাধীনতা রয়েছে। কেন সারাক্ষণ আমি ওঁকে নিয়ে সংবাদমাধ্যমে বলব? সব জায়গায় সব সময় আমরা একসঙ্গে যাব, এমনও কথা নেই। সুরজিৎ যার খুশি হোক। ও আমার মেয়ের বাবা। এটুকু বলতে পারি। এটুকুই আমার কাছে যথেষ্ট।"