scorecardresearch
 

সংক্রমণের রেকর্ড, আক্রান্ত ১ লাখ ৩১ হাজার; কর্ণাটকে নাইট কারফিউ

এবার কর্ণাটকেও (Karnataka) নাইট কারফিউ। বৃহস্পতিবারই এই কথা ঘোষণা করেছে কর্ণাটক সরকার। রাজ্যের কয়েকটি শহরে রাত ১০টা থেকে পরেরদিন ভোর ৫টা পর্যন্ত জারি থাকবে কারফিউ। আপাতত চলতি মাসের ১০ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত এই নাইট কারফিউ জারি রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নাইট কারফিউ জারি হবে বেঙ্গালুরু, মাইসুরু, ম্যাঙ্গালুরু, কালাবুরাগি, বিদর, উডুপি, তামাকুরু ও মণিপাল শহরে। 

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
হাইলাইটস
  • নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙছে করোনা
  • করোনাকালে একদিনে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত
  • এবার কর্ণাটকেও নাইট কারফিউ

দেশে প্রতিদিনই লাফিয়ে বাড়ছে করোনা (Corona) সংক্রমণ। ইতিমধ্যেই বেশকিছু রাজ্য নিয়েছে নাইট কারফিউয়ের (Night Curfew) সিদ্ধান্ত। এবার সেই পথে হাঁটলো কর্ণাটকও (Karnataka)। বৃহস্পতিবারই এই কথা ঘোষণা করেছে কর্ণাটক সরকার। রাজ্যের কয়েকটি শহরে রাত ১০টা থেকে পরেরদিন ভোর ৫টা পর্যন্ত জারি থাকবে কারফিউ। আপাতত চলতি মাসের ১০ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত এই নাইট কারফিউ জারি রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নাইট কারফিউ জারি হবে বেঙ্গালুরু, মাইসুরু, ম্যাঙ্গালুরু, কালাবুরাগি, বিদর, উডুপি, তামাকুরু ও মণিপাল শহরে। 

এই প্রসঙ্গে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা জানিয়েছেন, "বেঙ্গালুরু, মাইসুরু, ম্যাঙ্গালুরু, কালাবুরাগি, বিদর, তামাকুরু, উদুপি ও মণিপালে ১০ থেকে ২০ তারিখ রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নাইট করোনা কারফিউ জারি থাকবে।" জেলা কেন্দ্রগুলিতে এটি লাগু হবে। তবে জরুরি পরিষেবা জারি থাকবে বলেই জানিয়েছেন তিনি। 

বৃহস্পতিবারের তথ্য অনুযায়ী কর্ণাটকে নতুন করে মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৫৭০ জন। তারমধ্যে শুধুমাত্র বেঙ্গালুরুতেই আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৪২২ জন। বর্তমানে কর্ণাটকে পজিটিভিটি রেট দাঁড়িয়েছে ৬.০৪ শতাংশে। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে নাইট কারফিউয়ের সময় সমস্ত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে। তবে যানবাহন চলাচলে কোনও বিধিনিষেধ জারি করা হয়নি। পাশাপাশি খোলা থাকবে জরুরি পরিষেবা সংক্রান্ত দোকান। 

অন্যদিকে রোজই নিজের রেকর্ড ভাঙছে করোনা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৩১ হাজার মানুষ, যা এখনও পর্যন্ত দৈনিক আক্রান্তের নিরিখে সবচেয়ে বেশি। এই একই সময়ের মধ্যে দেশে মৃত্যু হয়েছে ৮০০-র বেশি মানুষের। পাশাপাশি সুস্থ হয়েছেন ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ। বর্তমানে দেশে অ্যাক্টিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ৯ লক্ষ ৭৪ হাজার।