scorecardresearch
 

ক্যানিংয়ে কোভিড হেল্পলাইন চালু করলেন TMC-র জয়ী প্রার্থী পরেশরাম দাস

আর ভোটে জিতেই এলাকার মানুষের কাজে মন দিতে চান তিনি। আর এই মুহূর্তে এলাকার মানুষের সব থেকে বড় সমস্যা ক্রমাগত বেড়ে চলা করোনা সংক্রমণ।

ক্যানিংয়ে চালু কোভিড হেল্পলাইন। উদ্যোক্তা সেখানকার তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী পরেশরাম দাসের (প্রতিকি ছবি) ক্যানিংয়ে চালু কোভিড হেল্পলাইন। উদ্যোক্তা সেখানকার তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী পরেশরাম দাসের (প্রতিকি ছবি)
হাইলাইটস
  • সদ্য নির্বাচিত বিধায়কের উদ্যোগে কোভিড হেল্পলাইন চালু হল ক্যানিংয়ে
  • প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনের লড়াইয়ে নেমেই বাজিমাত করেছেন ক্যানিং পশ্চিম কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পরেশরাম দাস
  • আর ভোটে জিতেই এলাকার মানুষের কাজে মন দিতে চান তিনি

সদ্য নির্বাচিত বিধায়কের উদ্যোগে কোভিড হেল্পলাইন চালু হল ক্যানিংয়ে। প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনের লড়াইয়ে নেমেই বাজিমাত করেছেন ক্যানিং পশ্চিম কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পরেশ রাম দাস।

আর ভোটে জিতেই এলাকার মানুষের কাজে মন দিতে চান তিনি। আর এই মুহূর্তে এলাকার মানুষের সব থেকে বড় সমস্যা ক্রমাগত বেড়ে চলা করোনা সংক্রমণ।

তাই নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর দেরি না করে ইতিমধ্যেই এলাকার করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য উদ্যোগী হয়েছেন তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী পরেশ রাম দাস। বুধবার থেকে ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভার জন্য কোভিড হেল্পলাইন চালু হল তার উদ্যোগে। 

নির্বাচনে জয়লাভ করলেও করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কোন বিজয় মিছিল করেননি পরেশ। দলীয় কার্যালয়ে বসেই মানুষের শুভেচ্ছা বার্তা গ্রহণ করেছেন।

এই পরিস্থিতিতে বিজয় মিছিলের তুলনায় করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলাকেই শ্রেয় বলে মনে করেছেন তিনি। 

ইতিমধ্যেই বিধানসভার বিভিন্ন প্রান্তে হেল্পলাইনের ফ্লেক্স ইতিমধ্যেই লাগানো হয়েছে। করোনা আক্রান্ত মানুষজন বা সেই পরিবারের সদস্যরা সেখানে দেওয়া ফোন নম্বরে ফোন করলেই যাবতীয় সাহায্য করা হবে তাঁদেরকে।

বাড়িতে ওষুধ, মাস্ক, স্যানিটাইজার পৌঁছে দেওয়া থেকে শুরু করে প্রয়োজনে এ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়ে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। পাশাপাশি দুজন চিকিৎসক বাড়ি বাড়ি গিয়ে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করবেন বলে জানিয়েছেন পরেশ।

যদি কোনও রোগীর অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় সেই অক্সিজেন ও রোগীর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে। এরজন্য ইতিমধ্যেই নিজের দলের বেশ কিছু তরুণ-তরুণীদেরকে নিয়ে টিম তৈরি করা হয়েছে।

পাশাপাশি, ক্যানিং মহকুমা হাসপাতাল, ক্যানিং কোভিড হাসপাতাল ও ক্যানিং বাসস্ট্যান্ড চত্বরে তিনটি কোভিড হেল্পলাইন ক্যাম্প খোলা হবে বলে জানিয়েছেন এই নতুন বিধায়ক। 

করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় চলা লকডাউনে ক্যানিংয়ের বহু মানুষের হাতে খাবার তুলে দিয়েছিলেন পরেশ। নিজে সামনে দাঁড়িয়ে থেকে সেই পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছিলেন।

এবারও তিনি সামনে থেকেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মোকাবিলা করতে চান বলে জানিয়েছেন। পরেশের এই উদ্যোগে খুশি এলাকার সাধারণ মানুষজন।