
বেঙ্গালুরুতে এক মহিলা তাঁর স্বামীকে ডির্ভোস দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। কারণ, ওই মহিলা জানতে পেরেছেন তাঁর স্বামী এসকর্ট সার্ভিস শুরু করেছেন। লকডাউনে ওই ব্যক্তি চাকরি চলে যায়। তারপরেই এসকর্ট সার্ভিসে নাম লেখান তিনি।

২৪ বছরের ওই মহিলা চাকরির সূত্রে ওই যুবকের সঙ্গে আলাপ হয়েছিল। পরে সেই সম্পর্ক গড়ায় বিয়েতে। গত বছর লকডাউনে কাজ হারিয়ে ফেলেন তার স্বামী। এরপরেই নতুন কাজের সন্ধান শুরু করেন তিনি।

কয়েকদিন আগে ওই যুবতী তাঁর স্বামীর আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করেন। তাঁর স্বামী সবসময় মোবাইল ও ল্যাপটপে বেশি ব্যস্ত থাকতে শুরু করেন। যা ঘিরে সন্দেহ হয় যুবতীর।

ওই মহিলা তাঁর ভাইকে গোটা বিষয়টি খুলে বলেন। ওই মহিলার স্বামীর ল্যাপটপ খুলে দেখেন তাঁর ভাই। সেখানে একটি ফোল্ডারে বিভিন্ন মহিলাদের সঙ্গে নগ্ন অবস্থায় তাঁর স্বামীর সেলফি দেখেন ওই মহিলা ও তার ভাই।

তারপরেই খোঁজখবর শুরু করেন ওই মহিলা। তিনি জানতে পারেন, তার স্বামী এসকর্ট সার্ভিসে কাজ করেন। ঘণ্টায় ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা রোজগার করেন এসকর্ট সার্ভিসে।

ওই মহিলা জানান, তাঁর স্বামী বিষয়টি অস্বীকার করেন ও বিষয়টি এড়িয়ে যান। উপায় না পেয়ে স্থানীয় একটি থানায় দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। খবর পাওয়ার পরেই মহিলার স্বামী বিষয়টি স্বীকার করে নেন। ওই যুবক জানান তিনি একটি এসকর্ট সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত

ভুল স্বীকার করে ওই মহিলার স্বামী জানান তিনি স্বাভাবিক কাজে ফিরে আসবেন। কিন্তু ওই মহিলা নিজের সিদ্ধান্তে অনড়। তিনি ওই যুবকের সঙ্গে থাকতে চান না। ইতিমধ্যে আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা দায়ের হয়েছে।