scorecardresearch
 
 

Bharat Bandh : কৃষকদের ডাকে আজ ভারত বনধ, রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা

তিন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে গত বছর থেকেই রাজধানী দিল্লির বুকে আন্দোলন করছেন কৃষকরা। এই ইস্যুতে এর আগেও বনধের ডাক দিয়েছেন তাঁরা। এই নিয়ে চলতি বছরে তিনবার কৃষকদের পক্ষ থেকে বনধের ডাক দেওয়া হল। সংযুক্ত কিষান মোর্চার তরফে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ট্রেড ইউনিয়ন, কৃষক ইউনিয়ন, শিক্ষক ও ছাত্র সংগঠন সহ প্রায় ১০০ টি সংগঠন এদিনের ভারত বনধে সমর্থন জানিয়েছে।

বনধের ডাক কৃষকদের বনধের ডাক কৃষকদের
হাইলাইটস
  • কৃষকদের আন্দোলন অব্যাহত
  • সোমবার দেশ জুড়ে বনধের ডাক
  • সমর্থন কংগ্রেস ও সিপিআইএম-এর

কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে কৃষকদের আন্দোলন অব্যাহত। নিজেদের দাবি আদায়ে ফের একবার ভারত বনধের ডাক অন্দোলনকারী কৃষকদের। আজ ২৭ সেপ্টেম্বর সোমবার এই বনধের ডাক দেওয়া হয়েছে। এই আন্দোলনে কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে বিজেপি বিরোধী বেশকিছু রাজনৈতিক দল। ইতিমধ্যেই কংগ্রেস-সিপিএম-আম আদমি পার্টি সহ মোট ১২টি বিজেপি বিরোধী দল বনধকে সমর্থন জানিয়েছে। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার ছাতার তলায় এই বনধের ডাক দিয়েছেন কৃষকরা।

তিন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে গত বছর থেকেই রাজধানী দিল্লির বুকে আন্দোলন করছেন কৃষকরা। এই ইস্যুতে এর আগেও বনধের ডাক দিয়েছেন তাঁরা। এই নিয়ে চলতি বছরে তিনবার কৃষকদের পক্ষ থেকে বনধের ডাক দেওয়া হল। সংযুক্ত কিষান মোর্চার তরফে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ট্রেড ইউনিয়ন, কৃষক ইউনিয়ন, শিক্ষক ও ছাত্র সংগঠন সহ প্রায় ১০০ টি সংগঠন এদিনের ভারত বনধে সমর্থন জানিয়েছে। যে ১২টি দল কৃষকদের এই বনধকে সমর্থন জানিয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছে কংগ্রেস, আপ, টিডিপি, ওয়াইএসআর কংগ্রেস, আরডেজি, সিপিআই, সিপিআই(এম), এআইএফবি, আরএসপি, সিপিআই(এমএল) এবং এসডিপিআই। এছাড়া একাধিক রাজ্য সরকারও কৃষকদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে। যাদের মধ্যে রয়েছে পঞ্জাব, কেরল, তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রপ্রদেশ। 

বনধে গণপরিবহন, বেসরকারি ব্যবসাবাণিজ্য, কলকারখানার কাজকর্ম ও অফিস কাছারির দৈনন্দিন কাজকর্মেও বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। তার মূল কারণ হল একাধিক সংগঠন এই বনধকে সমর্থন জানিয়েছে। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় তার জন্য আগেভাগেই তৎপর দিল্লি পুলিশ। আইন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানাচ্ছেন দিল্লি পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা। একইসঙ্গে কৃষকদের ৩ ধরনা মঞ্চ থেকে কোনও আন্দোলনকারীকে দিল্লিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।