ফাইল ছবি।ইউটিউবে ভিডিও দেখে বাড়িতেই সন্তানের জন্ম দিল কিশোরী৷ তারপর নবজাতকের গলাটিপে হত্যা করল সে৷ এই অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্রের নাগপুরে৷ প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের দাবি, ওই কিশোরী যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছিল৷ তারপরই সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে৷ অভিযুক্তর সঙ্গে তার সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ৷ অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় যে চেহারার পরিবর্তন হয়, সে বিষয়ে সে মাকে বলেছিল তার অসুখ হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচিত এক ব্যক্তি মেয়েটিকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ। পুলিশ ওই ব্যক্তিকে রমেশ ঠাকুর বলে শনাক্ত করেছে। গর্ভবতী মেয়েটি তার মায়ের কাছ থেকে তার স্ফীত উদর লুকিয়ে রেখেছিল। বলেছিল, তার অসুখ হয়েছে। বাড়ির কাউকে জানতে না দিয়ে, ইউটিউবে বাচ্চা প্রসবের পদ্ধতি দেখে সে। এরপর ২ মার্চ বাড়িতেই সন্তানের জন্ম দেয় সে। তারপরই নবজাতকের গলাটিপে হত্যা করে একটি বাক্সে লুকিয়ে রাখে।
আরও পড়ুন-তাজ্জব কাণ্ড মহিলা 'দাবাং' SI-এর, তটস্থ খোদ পুলিশ আধিকারিকরা
মেয়েটির মা ঘটনাটি জানতে পেরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ভারতীয় দণ্ডবিধি (আইপিসি) এবং যৌন অপরাধ থেকে শিশুদের সুরক্ষা আইনের অধীনে একটি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পাওয়ার পরে মেয়েটির বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হবে, পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য আমবাজারি এলাকার বাসিন্দা ওই কিশোরী বাড়ি থেকে বেরনো বন্ধ করে দেয়৷ সন্তান প্রসব করার জন্য ইউটিউব ভিডিও দেখা শুরু করে৷ তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন গত ২ মার্চ ওই কিশোরী বাড়িতেই কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়৷ প্রসবের পর পরই নবজাতকের শ্বাসরোধ করে সে হত্যা করে৷ বাড়িতেই একটি বাক্সে লুকিয়ে রাখে নবজাতকের নিথর দেহ৷
এর পর আর মায়ের কাছে কিছু গোপন করে রাখতে পারেনি ওই কিশোরী৷ মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে যান মা৷ পুলিশে খবর দেওয়া হলে সদ্যোজাতর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়৷ এই ঘটনায় ভারতীয় দণ্ডবিধি এবং পকসো ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে৷ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে তার পর খুনের মামলা রুজু করা হবে জানানো হয়েছে পুলিশ সূত্রে৷