DK shivakumar And Siddaramaiah। ডিকে শিবকুমার ও সিদ্দারামাইয়া। দক্ষিণের একটি মাত্র রাজ্য থেকেও ক্ষমতা হাতছাড়া হল বিজেপির। কর্নাটকের জনমত কংগ্রেসের পক্ষেই। বিরাট জয়ের পর একটা প্রশ্ন উঁকিঝুঁকি মারছে, তা হল, কে হবে আগামী মুখ্যমন্ত্রী? কন্নড় রাজ্যে কংগ্রেসের ভোট বৈতরণী পার করানোর দায়িত্বে ছিলেন দুই সেনাপতি- প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এবং ডিকে শিবকুমার। এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর মুখ ঘোষণা করেনি কংগ্রেস।
প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার দিক থেকে এগিয়ে সিদ্দারামাইয়া। ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনিই ছিলেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে, গান্ধী পরিবারের বিশ্বস্ত সৈনিক ডিকে শিবকুমার। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতিও তিনি। সূত্রের খবর, রাহুল গান্ধীর পছন্দ সিদ্দারামাইয়া। তিনি নিজেও জানিয়েছিলেন, এবারই শেষ দফায় মুখ্যমন্ত্রী হতে চান। ২০২৪ সালের মোদীর জয়রথ থামাতে সিদ্দারামাইয়ার হাতেই দায়িত্ব সঁপে দিতে পারেন রাহুল।
সিদ্দারামাইয়ার বিরুদ্ধে রয়েছে ভুরি ভুরি অভিযোগ। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন কুরুবা সম্প্রদায়ের সরকারি আমলাদের অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়েছিলেন। যা মেনে নিতে পারেননি ভোক্কালিগা ও লিঙ্গায়েত সম্প্রদায়ের মানুষরা। টিপু সুলতানের যেভাবে প্রশংসা করেছিলেন, তা-ও ভালো চোখে দেখেননি কন্নড়রা। এমনকি ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত পিএফআই ও এসডিপিআই সদস্যদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধিতার মুখে পড়েছিলেন সিদ্দারামাইয়া।
আরও পড়ুন-কর্ণাটকে 'কিং' কংগ্রেস, যে ৬ ভুলে হারল BJP
ডিকে শিবকুমারের প্রতি সমর্থন রয়েছে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর। তাঁর পছন্দের পাত্র প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। কনকপুরের আটবারের বিধায়ক তিনি। রাজ্যের অন্যতম ধনী রাজনীতিবিদ। তাছাড়া গান্ধী পরিবারের অত্যন্ত বিশ্বস্ত, পরিশ্রমী নেতা। ডিকে শিবকুমারের রাজনৈতিক উচ্চতা আরও বেড়ে গিয়েছে, ইডি-আয়কর দফতরের তদন্তের পর। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করেছে দুই কেন্দ্রীয় সংস্থা। অর্থ তছরূপ থেকে কর কারচুপির মতো অভিযোগে তিনি বিদ্ধ। এমনকি ১০৪ দিন তিহারে কাটিয়েছেন শিবকুমার। বর্তমানে জামিনে রয়েছেন
আরও পড়ুন-উত্তরপ্রদেশ পুরভোটে BJP-র মুসলিম প্রার্থীদের কেমন ফলাফল? দেখুন
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া না ডিকে শিবকুমার- কাকে বেছে নেবে কংগ্রেস নেতৃত্ব? কারণ যে-ই মুখ্যমন্ত্রী হোন না কেন ২০২৪ সালে মোদী জয়রথ থামানোর দায়িত্ব আসবে তাঁর কাঁধেই। কংগ্রেস নেতৃত্বও ভালোমতো বোঝেন, বিধানসভা ও লোকসভা ভোট এক নয়। একটা ভুল চালই বিজেপিকে একবছর পর অ্যডভান্টেজ পাইয়ের দেওয়ার জন্য যথেষ্ট!