রাজ্যসভায় বিতর্কে জয়া বচ্চন। লোকসভার অধিবেশনে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের একটি মন্তব্য নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক। এবার বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে অভিনেত্রী তথা রাজ্যসভার সাংসদ জয়া বচ্চন। নেট মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও। যেখানে তাঁর আচরণ নিয়ে ছি ছি করছেন নেটিজেনরা। আসলে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের দিকে আঙুল তুলতে দেখা গিয়েছে জয়া বচ্চনকে।
নেটমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের দিকে আঙুল উঁচিয়ে কিছু একটা বলছেন জয়া বচ্চন। তাঁর ভঙ্গিতেই স্পষ্ট তিনি ক্ষুব্ধ। জয়া অসংসদীয় আচরণ করেছেন বলে অভিযোগ নেটিজেনদের। সমালোচনাও করেছেন তাঁরা।
ভাইরাল ভিডিওটি এই বাজেট অধিবেশনের কার্যক্রম চলাকালীন বলে মনে করা হচ্ছে। হট্টগোলের জন্য কংগ্রেস সাংসদ রজনী পটেলকে চলতি অধিবেশনের বাকি দিনগুলির জন্য বরখাস্ত করা হয়েছে। তা নিয়ে প্রতিবাদ করেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ জয়া বচ্চন। কংগ্রেস সাংসদকে সমর্থন করেন। জয়া বলেন,রজনীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি।' হট্টগোলের মধ্যে ওয়েলে নেমে চেয়ারম্যানের দিকে আঙুল উঁচিয়ে থাকতে দেখা যায় জয়াকে।
जैसी पार्टी वैसे ही संस्कार... जया बच्चन जी कम से कम आप पद की तो गरिमा रख लेती.... pic.twitter.com/0kMlVtof2n
— Anuja Kapur (@anujakapurindia) February 12, 2023
জয়া বচ্চনের এহেন আচরণের সমালোচনা করেছে বিজেপি। ছত্তিশগড়ের বিলাসপুর লোকসভা আসনের বিজেপি সাংসদ এবং দলের রাজ্য সভাপতি অরুণ সাউ লিখেছেন,'থিয়েটার এবং গণতন্ত্রের সর্বোচ্চ সভার মধ্যে ফারাক রাখুন জয়া বচ্চন। তরুণ প্রজন্ম আপনাকে অনুসরণ করে।' বিজেপি দিল্লির মুখপাত্র আয়াজ সেহরাওয়াত লিখেছেন,রাজ্যসভা সাংসদ জয়া বচ্চনের আচরণ লজ্জাজনক।' রাজস্থানের বিজেপি নেতা লক্ষ্মীকান্ত ভরদ্বাজের কথায়,'অহংকারী জয়া বচ্চন রাজ্যসভায় উপ-রাষ্ট্রপতির দিকে আঙুল দেখাচ্ছেন...এরকম মানুষরা কীভাবে গণতন্ত্রের মন্দিরে প্রবেশ করে!'
এই প্রথম নয় যে জয়া বচ্চন রেগে গিয়েছেন। কয়েক দিন আগে অনুমতি ছাড়া ছবি তোলার জন্য ক্ষুব্ধ হন। একটি ভাইরাল ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, স্বামী অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর বিমানবন্দরে পৌঁছন জয়া বচ্চন। সেই সময় অজ্ঞাত এক ব্যক্তি মোবাইল থেকে ভিডিও রেকর্ড করতে থাকেন। এটা দেখে অভিনেত্রী ও সাংসদ জয়া বলেন,'দয়া করে আমার ছবি তুলবেন না। আমার ছবি তুলবেন না।' তা সত্ত্বেও সেই ব্যক্তি রেকর্ডিং বন্ধ না করায় জয়া ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন,'আপনি ইংরেজি বোঝেন না? এই ধরনের লোকদের চাকরি থেকে তাড়ানো উচিত।'
আরও পড়ুন- 'কখনও বলিনি প্রধানমন্ত্রী জড়িত, ওঁকে বোকা বানিয়েছে', আদানি-কাণ্ডে মহুয়া