আগামী শনিবার,(২২ অগাস্ট) রীতিমতো রিহার্সাল চলবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কি ভারতে আসছেন? সে বিষয়ে বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। গত কয়েকদিন ধরেই গোটা বিষয়টি নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। তবে তারই মাঝে এল এক বড় আপডেট। রাষ্ট্রপতি ভবন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। তার জন্য আগামী শনিবার,(২২ অগাস্ট) রীতিমতো রিহার্সাল চলবে। তার জন্য রাষ্ট্রপতি ভবনের 'ফোরকোর্টে' যে নিয়মিত 'চেঞ্জ অফ গার্ড' অনুষ্ঠান হয়, সেটিও বাতিল করা হয়েছে। তার বদলে কীভাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা করা হবে, তার প্রস্তুতি চলবে।
আরও পড়ুন: ৩৫ বছর পর বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ২৫৫ ভোট পেয়ে জিতলেন মির্জা ফখরুল
খোদ রাষ্ট্রপতি ভবনের সেক্রেটেরিয়াট সূত্রেই এই খবর পাওয়া গিয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ থেকে তারেক রহমানের এদেশে আসা নিয়ে জল্পনার আগুনে ঘি পড়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশের তরফে সরাসরি কিছু জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সেদেশের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৈঠক করেন। মিটিংয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা, দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পসহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা করেন।
ভারতীয় হাই কমিশনার বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গেও বৈঠক করেন। একের পর এক এমন মিটিং বর্তমান প্রেক্ষাপটে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এর আগে, গত বুধবার বাংলাদেশের 'পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা' হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘পারস্পরিক বিশ্বাসের’ ওপর ভিত্তি করে একটি উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি না হলে আগামী মাসে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা ‘ক্ষীণই থেকে যাবে’। মূলত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান নিয়েই উষ্মা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তাঁর প্রথম পাবলিক অ্যাপিয়ারেন্সেও আপত্তি প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন: তিস্তা, হাসিনার পর এ বার ফরাক্কা, দিল্লির কাছে গ্যারান্টি চায় ঢাকা, চাপ তৈরির নয়া কৌশল?
অগাস্টের শুরুতে শেখ হাসিনা নয়াদিল্লি থেকে একটি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করেন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানায়। এরপর ভারতের বিদেশ মন্ত্রক পাল্টা অবস্থান স্পষ্ট করে। জানায়, হাসিনাকে নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভারত সরকারের বিন্দুমাত্র ভূমিকা ছিল না। বাংলাদেশ সরকার সম্পর্কে সেখানে যদি কোনও কথা বলাও হয়ে থাকে, সেটি ভারত সমর্থন করে না।