বাংলায় পালাবদল ঘটেছে সরকারের। আর তার প্রভাব সব জায়গাতেই স্পষ্ট। ব্যতিক্রম নয় বাংলা তথা বাঙালির দুর্গাপুজোও। বাংলার পুজোর থিমে জায়গা পাচ্ছে পুরান থেকে রামায়ণ, মহাভারত। সেরকমই সল্টলেক ইসি ব্লক রেসিডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ৫০ তম বর্ষে এবার তাদের থিম 'অক্ষয়িনী'। অর্থাৎ পুজো থিমে আস্ত মহাভারত। পুরো মন্ডপ জুড়েই ফুটিয়ে তোলা হবে মহাভারতের নানান অধ্যায়। শিল্পী সম্রাট ভট্টাচার্য।
বিশ্বকর্মাকে স্বর্গের ইঞ্জিনিয়ার বলা হয়। মনে করা হয় সমস্ত যন্ত্রাংশেই বিশ্বকর্মার বাস। এদিন অনেকেই নিজেদের গাড়ির পুজো দেন। কখন করবেন গাড়ির পুজো? নিয়মকানুনও জানা জরুরি।
থিমপুজোর হিড়িকে দুর্গা প্রতিমাতেও নানা নতুনত্ব দেখা গিয়েছে তৃণমূল সরকারের আমলে। কিন্তু ২০২৬ সালের দুর্গাপুজোয় প্রতিমা তৈরির বরাতে বেশ বদল ঘটেছে। কুমোরটুলিতে এখন জোরকদমে কাজ চলছে। কুমোরটুলির প্রতিমাশিল্পীরা জানাচ্ছেন, এই বছর সাবেকি দুর্গাঠাকুর তৈরির অর্ডারই বেশি মিলছে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরে দুর্গাপ্রতিমা তৈরির অর্ডারেও বদল এসেছে। মূলত সাবেকি পুজোর প্রতিমার বেশি অর্ডার পাচ্ছেন কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীরা। কতটা বদলেছে কুমোরপাড়ার? খোঁজ নিল bangla.aajtak.in.
১৮ সেপ্টেম্বরই মূলত পালিত হবে বিশ্বকর্মা পুজো। এখন প্রশ্ন হল, বিশ্বকর্মা পুজোর শুভ সময় কখন? কখন গাড়ি বা বাইক পুজো দেওয়া উচিত? আসুন জেনে নেওয়া যাক।
সময়ের দাবি। কুমোরটুলিতে তৈরি হয়ে গেল এআই দুর্গা। শিল্পী ইন্দ্রজিৎ পাল। রোবটের আকারে দেখাতে এই প্রতিমা। চোখ দিয়ে জ্বলবে আলো। কী বলছেন শিল্পী? কোথায় যাবে এই প্রতিমা? সবটা জানুন এই ভিডিওয়।
সাধারণভাবে এই পুজো কল-কারখানায় পালিত হলেও, এখন কিন্তু পাড়াতে পাড়াতে বিশ্বকর্মা পুজো অনুষ্ঠিত হয়। এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে ঘুড়ি উৎসব । কম বেশি প্রত্যেক বছরেই বিশ্বকর্মা পুজোর তারিখ একই থাকে, তা হল ১৭ সেপ্টেম্বর।
ভগবান বিশ্বকর্মাকে যন্ত্রপাতির দেবতা তথা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ধরা হয়। এদিন গাড়ি, বাইকের পুজো করার রেওয়াজ রয়েছে। কীভাবে এই পুজো করবেন?
Ganesh Idol Vastu: গণেশের মূর্তি কিনতে গিয়ে অনেকেই দ্বিধায় পড়েন। কারও প্রশ্ন, গণেশের শুঁড় ডান দিকে থাকবে, না বাঁ দিকে? আবার কেউ জানতে চান, একটি দাঁত ভাঙা থাকলে সেই মূর্তি কি বাড়িতে রাখা যায়?
গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে আজ অর্থাত্ সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে ১০ দিনের উৎসব। তার আগেই হায়দরাবাদে অভিনব সাজে তৈরি ভগবান গণেশের মূর্তি নজর কেড়েছে ভক্তদের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘বিকশিত ভারত’ ভাবনাকে সামনে রেখে তৈরি এই মূর্তি ও পুজোর মণ্ডপ দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন দর্শনার্থীরা। হায়দরাবাদের ললিতা বাগ এলাকায় মল্লিকার্জুন নগর ইয়ুথ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে তৈরি হয়েছে এই বিশেষ মণ্ডপ।
তারাপীঠে কৌশিকী অমাবস্যায় ঢল নেমেছিল ভক্তদের। বহু দূর-দূরান্ত থেকে মা তারাকে দেখতে এসেছিলেন ভক্তরা। এই পর্ব মিটতেই তারাপীঠ মন্দিরে শুরু হচ্ছে সংস্কারের কাজ। ১৫ তারিখ থেকে মন্দিরে শুরু হচ্ছে সংস্কার। তার আগেই গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে দেবী মূর্তি। তাহলে কি সংস্কারের সময় পুজো বন্ধ থাকবে মন্দিরে? এমন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে অনেক ভক্তের মধ্যেই। তবে এই নিয়ে আশ্বস্ত করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। জানান হয়েছে দেবীর বিগ্রহ মন্দির চত্বরেই থাকবে। নিয়ম মেনে পুজোও দেওয়া যাবে।
গণপতি স্থাপনা করার জন্য আড়াই ঘণ্টা শুভ মুহূর্ত পাবেন ভক্তরা। জানুন গণপতি পুজোর শুভ মুহূর্ত ও পুজো বিধি।