Ganesh Chaturthi 2026: হিন্দুধর্মে গণেশ চতুর্থীর বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। ভক্তরা মহা ধুমধাম করে এই উৎসব পালন করেন এবং ভগবান গণেশকে ঘরে নিয়ে আসেন। ভগবান গণেশকে ঘরে স্বাগত জানানোর জন্য দেশজুড়ে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। এই ১০ দিনব্যাপী উৎসবটি গণেশ চতুর্থীতে শুরুহয়। এটি প্রতি বছর ভাদ্রপদ মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে পালিত হয়।
কিন্তু অজান্তেই আমরা ঘরের যে কোনও জায়গায়, যেমন বিছানায় বসে বা দরজার সামনে অথবা শৌচালয়ের পাশে ডাইনিং টেবিলে বসেই খেয়ে নেয়। বাস্তু ও জ্য়োতিষে খাবার খাওয়ার স্থান ও দিশার সম্বন্ধ সরাসরি আমাদের স্বাস্থ্য, মানসিক শান্তি ও আর্থিক পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত।
তৃণমূল সরকারের আমলে বাধা পেয়েছিলেন, সেই বাগেশ্বর বাবা শুভেন্দু অধিকারীর সরকারে বাংলায় এসে ধর্মীয় অনুষ্ঠান করলেন। সেখানে এসে বাঙালিদের দুর্গাপুজোর সময়ে খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বিশেষ মন্তব্য করেন, যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী বলেন, 'যাঁরা দুর্গাপুজোর সময়ে আমিষ খান, তাঁরা পাষণ্ড। পুজো প্যান্ডেলের পিছনে নোংরা নোংরা খাবার খাওয়া হয়। সেগুলি হওয়া উচিত নয়। আমি আশা করব, এবার হিন্দু বাঙালি জাগবে এবং পুজোর সময়ে আর ননবেজ খাবে না।' এই মন্তব্য ঘিরে কার্যত তেলেবেগুনে জ্বলে উঠেছে অধিকাংশ বাঙালি। দেখুন ঠিক কী বলেছেন বাগেশ্বর বাবা...
তৃণমূল সরকারের আমলে বাগেশ্বর বাবাকে বাংলায় ধর্মীয় অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া হয়নি। এবার শুভেন্দু অধিকারীর আমলে রাজ্যে এসে সভা করলেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী। সে সময়ে তিনি মন্তব্য করেছিলেন, 'দিদির আমলে সভা করতে দেওয়া হল না, যখন দাদা আসবেন তখন বাংলায় যাব।' তবে কি তাঁর বরদানেই বাংলায় BJP সরকার? এ প্রসঙ্গে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী বলেন, 'আমি একজন সাধু। বরদান বা অভিশাপ দিতে পারি না। আমার মুখ থেকে বেরিয়েছিল ভগবান না পূরণ করেছেন। আমি অভিশাপ দিতে পারলে তো পাকিস্তানকেই ভস্ম করার অভিশাপ দিতাম।'
Vastu Tips for Money: মাসের শুরুতে হাতে টাকা আসে। কিন্তু মাস শেষ হওয়ার আগেই যেন সব শেষ। কোথায় কীভাবে খরচ হয়ে যাচ্ছে, তার হিসাবও অনেক সময় মেলে না।
যা দিয়ে আমরা সহজেই জীবনের সমস্যা সমাধান করতে পারি। অনেক বাস্তু প্রতিকার লুকিয়ে আছে আমাদের রান্নাঘরেই। লবণের মতো খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি অনেক সমস্যা থেকেও রেহাই পাওয়া যায়।
Vastu Shastra: বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী বেশ কয়েকটি গাঠ ঘর থেকে সরিয়ে ফেলা উচিত। তবে একেবারে সরিয়ে না ফেলে, বিকল্প ব্যবস্থাও করা যেতে পারে।
'সংবিধান থেকে জাতি হঠান। ব্রাহ্মণরা জাতিভেদ করলে শংসাপত্র দিত। বদনাম করছেন ব্রাহ্মণদের'। সমাজে জাতিভেদ নিয়ে মুখ খুললেন অনিরুদ্ধচার্য।
আজকের আধুনিক জীবনযাত্রায় ডাইনিং টেবিলে খাওয়া একটি সাধারণ অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। বাড়ির অন্দরসজ্জার জন্যই হোক বা সুবিধার জন্যই হোক, মানুষ ডাইনিং টেবিলকে অগ্রাধিকার দেয়। তবে, বাস্তুশাস্ত্রে খাওয়ার ধরণ এবং নিয়মাবলী বিশেষভাবে উল্লেখ করা আছে।
বাস্তু মতে, এমন কয়েকটি গাছ রয়েছে যা নির্দিষ্ট দিক ও সঠিক জায়গায় গাছ রাখলে ঘরে ইতিবাচক শক্তি আসে ঘরে। বাড়ে সুখ আর সমৃদ্ধি।
neem karoli baba vachan: নিম করোলি বাবা জীবনে সুখ-শান্তি ধরে রাখার জন্য সাধারণ মানুষকে বেশ কিছু উপদেশ দিয়েছেন। সেই উপদেশগুলি কী কী? জানুন