সনাতন ঐতিহ্যে এমন অনেক গাছপালা এবং ফুলের বর্ণনা রয়েছে যা কেবল সৌন্দর্যের সঙ্গেই নয়, ভাগ্য, সমৃদ্ধি এবং ইতিবাচক শক্তির সঙ্গেও জড়িত। এরকম একটি ফুল হল অপরাজিতা ফুল, যা বিশেষভাবে তার নীল রঙের জন্য স্বীকৃত। ধর্মীয় ও জ্যোতিষশাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুসারে, সঠিক দিক এবং পদ্ধতিতে রোপণ করা অপরাজিতা গাছ জীবনে সুখ, শান্তি এবং আর্থিক শক্তি আনতে পারে।
হিন্দু পঞ্জিকা অনুসারে মকর সংক্রান্তিতে সূর্যের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়। এই দিনে সূর্য মকর রাশিতে প্রবেশ করে, যা উত্তরায়ণের সূচনা করে।
Poush Parbon 2026 Wishes: অঞ্চলভেদে এই বিশেষ দিনটি পালন করার ভিন্ন রীতিনীতি আছে। পশ্চিমবাংলায় এই বিশেষ দিনটি পৌষ সংক্রান্তি বা পৌষ পার্বণ নামে পরিচিত।
গোটা দেশজুড়েই মকর সংক্রান্তির উৎসব পালিত হয়। বাংলায় এটি পৌষ সংক্রান্তি। অসমে ভোগালি বিহু, পঞ্জাবে লোহরি, তামিলনাড়ুতে পোঙ্গাল ও অন্যান্য রাজ্যগুলিতে মকর সংক্রান্তি পালিত হয়।
Rashifal Angarak Yog: জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, অগ্নিতত্ত্বের মঙ্গল যখন বায়ুতত্ত্বের কুম্ভে প্রবেশ করে, তখন উত্তেজনা, বৈরিতা আর আর্থিক অস্থিরতা বাড়ে। কয়েকটি রাশির উপর এই সময় বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।
সংখ্যাতত্ত্ব, যা জ্যোতিষশাস্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ, সেখানে মূলাঙ্ক ১-কে সূর্যের সংখ্যা হিসেবে ধরা হয়। তাই এই তারিখে জন্মানো মানুষের জীবনে সূর্যের জ্যোতি নেমে আসে বলে মনে করা হয়। স্বভাবতই এঁরা নেতৃত্ব দিতে ভালোবাসেন এবং জীবনে দারুণ সাফল্য অর্জন করেন।
সারা বছর ধরে মোট বারোটি সংক্রান্তি রয়েছে। মকর সংক্রান্তি এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংক্রান্তি হিসেবে ধরা হয়। এই সংক্রান্তি সূর্যের উত্তরায়ণের সূচনা করে।
মকর সংক্রান্তিতে স্নান, ধ্যান ও দান করাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। এই দিনে তিলের বীজ বিশেষভাবে ব্যবহার করা হয়। যারা এদিন সংক্রান্তির স্নানের জন্য নদীর তীরে যেতে পারেন না, তাঁদের পবিত্র স্নানের সুফল পেতে তিল মেশানো জলে স্নান করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
Rashifal Success:বছরের শুরুতেই এই গ্রহপরিবর্তনের প্রভাব পড়বে পাঁচটি রাশির জীবনে। বিশেষত আর্থিক সিদ্ধান্ত, আয়, সঞ্চয় ও বিনিয়োগে মিলবে বড় ধরণের সুরাহা। ফলে গ্রহগত পালাবদলকে ঘিরে জোর কৌতূহল জ্যোতিষমহলে।
কুর্সি বদল হয়। যুগে যুগে হয়ে এসেছে। কেউ একাসনে চিরকাল স্থায়ী হয় না। কিন্তু ওই যে মিশন, লক্ষ্যপূরণ। স্বামীজির স্বপ্নের রামকৃষ্ণ মিশন অদম্য। আজও একই ভাবে জীবসেবা করে চলেছে। রাজনীতি, যুদ্ধ, অর্থনীতির ভেঙে পড়া-- সবই হচ্ছে। হবেও। কিন্তু স্বামীজির মিশন স্থির। অবিচল।
Ketu Gochar Rashifal: জ্যোতিষীদের মতে, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬-এ কেতু পূর্ব ফাল্গুনী নক্ষত্রের প্রথম পর্যায়ে প্রবেশ করবে। এই নক্ষত্র আবার আনন্দ, সৃজনশীলতা, সমৃদ্ধি এবং ইতিবাচক শক্তির প্রতীক। দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও ফল না পাওয়া মানুষের জীবনে এই পরিবর্তন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।