উজ্জয়িনীতে চলছে মহাকাল মহোৎসব। সেই উপলক্ষে মহাকালের মন্দিরে উপচে পড়ছে ভক্তদের ঢল। এই ভক্তদের তালিকাতেই ছিলেন সঙ্গীতশিল্পী শঙ্কর মহাদেবন। মহাকালের শরণে তাঁকে ভজন গাইতে দেখা যায়। সঙ্গে ছিলেন তাঁর পুত্রও। তিনিও গলা মেলান বাবার সঙ্গে। দেখুন সেই ভিডিও...
প্রতিবছরই মকর সংক্রান্তিতে গরুকে খাওয়ান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবারও তার অন্যথা হল না। দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বামন গরুকে খাওয়ালেন মোদী। ৭ লোক কল্যাণ মার্গের বাগানে নিজের হাতে গরুদের মুখে পাতা ঘাস তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রীর গো-সেবায় ব্যস্ত থাকার ছবি ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়। মোদীর গো-ভক্তি নতুন নয়। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীনও গো-প্রকল্প চালু করে কখনও নিজের হাতে গরুকে খড় খাইয়েছেন, তো কখনও গম খাওয়াতে দেখা গিয়েছে নরেন্দ্র মোদীকে। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে মথুরায় দেশজুড়ে বাছুর ভ্যাকসিনেশনের প্রচারে গিয়ে গো-পুজোয় অংশ নিতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে।
গঙ্গাসাগরের মতোই মকর সংক্রান্তিতে প্রয়াগরাজের সঙ্গমে বিশ্বাস ও ভক্তির এক অসাধারণ ছবি দেখা গেছে। সকাল থেকেই লক্ষ লক্ষ ভক্ত গঙ্গা, যমুনা এবং অদৃশ্য সরস্বতীর সঙ্গমস্থলে পবিত্র স্নান করতে এসেছিলেন।
সংক্রান্তি উপলক্ষে গঙ্গাসাগরে বহু মানুষ ভিড় জমালেন। পুণ্যস্নান করলেন। পুজো দিলেন। পুরো প্রতিবেদন দেখুন।
মকর সংক্রান্তিতে কালীঘাটে বগলা মায়ের মন্দিরে পুজো দিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাঁসর বাজালেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী।
Makar Sankranti Kapil Muni: গঙ্গা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মিলিত স্থানকে বলা হয় গঙ্গাসাগর। এটি একাধারে যেমন তীর্থভূমি, আবার অন্যদিকে মেলাভূমি। এই দুইয়ের মেলবন্ধনেই গঙ্গাসাগর মেলা। অনেকের অজানা, কপিলমুনি ও সাগরদ্বীপে তাঁর মন্দিরের আসল কাহিনি কী?
শুরু হল জয়দেবের মেলা। লক্ষ লক্ষ সাধু-সন্ত হাজির হন এখানে। ৩০০-র বেশি অস্থায়ী আখড়া রয়েছে অজয় নদের তীরে। ১৬৮৩ সালে বীরভূমের অজয় নদের তীরে রাধা-বিনোদের মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। সেই হিসেবে ৪০০ বছরের প্রাচীন বাউল ফকিরের এই মেলা।
দিল্লিতে পোঙ্গল উৎসবে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পোঙ্গল উৎসবের জন্য তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুরুগানের বাসভবনে যান। তিনি বলেন, 'পোঙ্গল এখন বিশ্বব্যাপী উৎসবে পরিণত হয়েছে। তামিল সংস্কৃতিকে ভালোবাসে এমন মানুষদের জন্য দিনটি আনন্দের। আমি এই উৎসবে যোগ দিতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।'
প্রতিবারের মতো এবারেও গঙ্গাসাগর মেলায় পুণ্যার্থীদের ভিড় চোখের পড়ার মতো। বুধবার ভোর থেকেই স্নান শুরু হয়েছে সাগরে। সাধারণের পাশাপাশি গঙ্গাসাগরে এসেছেন বহু সন্ন্যাসীও।
জ্যোতিষ ও শাস্ত্র মতে মকর সংক্রান্তিতে সূর্য ধনু রাশি থেকে মকর রাশিতে গমন করে। এই গমনকে অয়নকালের শুরু হিসেবে ধরা হয়। এই দিনে উত্তরায়ণের সূচনার ফলে সূর্যের উপাসনা, পবিত্র নদীতে স্নান এবং সূর্য দেবতাকে দান করা অত্যন্ত শুভ হিসেবে মনে করা হয়।
গঙ্গা যেখানে বঙ্গোপসাগরে মিশছে, সেই মিলনস্থানে ডুব দিলেই মোক্ষ লাভ। কথায় বলে, 'যা নেই মহাভারতে, তা নেই ভারতে'। সেই মহাভারতেও তো গঙ্গাসাগরের উল্লেখ রয়েছে। মহাভারতের বনপর্বে পাণ্ডবদের গঙ্গাসাগর সঙ্গমে আগমনের উল্লেখ আছে। কপিল মুনির অভিশাপ থেকে রাজা সাগরের ৬০,০০০ পুত্রকে মোক্ষ দিতে রাজা ভগীরথ গঙ্গাকে মর্তে নিয়ে আসেন।