ধনতেরাস মানেই সোনা কিনতে হবে এমনটা নয়। মূলত উত্তর এবং পশ্চিম ভারতে এই রীতি প্রচলিত থাকলেও আজকাল বাঙালিদের মধ্যেও ধনতেরাস পালনের হিড়িক লেগে থাকে। আসলে এ দিন স্মরণ করা হয় অন্য একজনকে। কে তিনি? ধনতেরাসের সঙ্গে কী কানেকশন?
রূপা বা পল্লবী কিংবা রেখা এঁরা স্পষ্টই জানিয়েছেন যে তাঁদের ভাল লাগে তাই তাঁরা সিঁদুর পরেন। অথচ সিঁদুরকে হিন্দু ধর্মে বিবাহিত মহিলাদের প্রতীক হিসাবেই ধরা হয়। তাহলে কীভাবে ডিভোর্সি কিংবা বিধবা মহিলা সিঁথিতে সিঁদুর পরতে পারেন?
পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী কার্তিক মাসের ত্রয়োদশী তিথিতেই অমৃত কলশ নিয়ে প্রকট হয়েছিলেন ধন্বন্তরী। তাই এই তিথিতে ধনতেরস পালিত হয়। এই তিথিতে সোনা-রুপোর পাশাপাশি নতুন বস্তু কেনা শুভ।
Dhanteras 2026: এই বছর বেশ কয়েকটি কারণে ধনতেরাসকে বিশেষ বলে মনে করা হচ্ছে। এই বছর ধনতেরাস শুক্রবার পড়েছে। শুক্রবার দেবী লক্ষ্মীর উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত। এছাড়াও, শুক্র তার নিজের রাশি তুলাতে অবস্থান করে মালব্য রাজযোগ সৃষ্টি করছে। ফলস্বরূপ, কেনাকাটার জন্য তিনটি শুভ সময় থাকবে।
বিশ্বাস করা হয় যে এই দিনে নতুন জিনিস কিনলে ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পায়। তাই, লোকেরা প্রচুর পরিমাণে সোনা ও রুপা কেনেন। তবে, সোনা ও রুপার উচ্চ মূল্যের কারণে তা অনেকের নাগালের বাইরে থাকে। তাই, আপনি ঘরে এমন কিছু জিনিস আনতে পারেন যা শুভ এবং সাশ্রয়ী উভয়ই।
Diwali 2026 Calendar: আলোর উৎসব দীপাবলির অপেক্ষায় দিন গুনছেন অনেকে। তবে ২০২৬ সালে দীপোৎসবের ক্যালেন্ডারে রয়েছে বিশেষ পরিবর্তন। সাধারণত পাঁচ দিন ধরে পালিত হলেও এবার উৎসবের পর্ব ছয় দিন জুড়ে।
জোরকদমে চলছে শ্যামাপুজোর প্রস্তুতি। পাড়ায় পাড়ায় প্যান্ডেল তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। কোথাও বাঁশ বাঁধার কাজ চলছে, কোথাও আবার শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জায় ব্যস্ত উদ্যোক্তারা। কুমোরটুলিতেও ব্যস্ততা তুঙ্গে। আলোর উৎসবে মেতে ওঠার আগে পুজোর তিথি ও নির্ঘণ্ট জেনে নিতে আগ্রহী মা কালীর ভক্তরা।
কালীপুজোর আগে ভূত চতুর্দশীর দিন ঘরে ঘরে ১৪ শাক খাওয়ার নিয়ম মা-ঠাকুমার আমল থেকে চলে আসছে। বাজার থেকে কিনে তো আনবেন, কিন্তু জানেন কি এই ১৪ শাক কীভাবে রেঁধে খেতে হয়?
১৪ প্রদীপের আলো সংসারে অশুভ কর্মশক্তির অবসান ঘটিয়ে শুভ কর্মশক্তি প্রদান করে। এই তিথিতে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ১৪ ধরনের শাক খাওয়ার রীতি রয়েছে। আসুন জেনে নিন কবে পড়েছে এই ভূত চতুর্দশী।
প্রতি বছর কালীপুজোয় বড়মার মন্দিরে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয়। সেই ভিড় সামলে সুষ্ঠু ভাবে পুজো দেওয়াই এখন মন্দির কর্তৃপক্ষের প্রধান লক্ষ্য। বিশেষ করে দণ্ডী কাটার সময়ে কোনও ভক্ত অসুস্থ হয়ে পড়লে যাতে দ্রুত চিকিৎসা মেলে, তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
জোরকদমে চলছে শ্যামাপুজোর প্রস্তুতি। পাড়ায় পাড়ায় প্যান্ডেলে বাঁশ বাঁধার কাজ চলছে। কুমোরটুলিতেও ব্যস্ততা তুঙ্গে। আলোর উৎসবে মেতে ওঠার আগে পুজোর তিথি ও নির্ঘণ্ট জেনে নিন।