মা তুমি কেমন আছ? এ প্রশ্নের উত্তরে কখনও না বলে না মায়েরা। কারণ ’মায়েরা মিথ্যে কথা বলে।’ কাউকে ঠকানোর জন্য নয় সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে। আর মায়েদের এই গুণ নিয়েই পূর্বাচল সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির এবারের থিম। সনাতনী মায়ের রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন পদ্মশ্রী প্রাপক শিল্পী সনাতন রুদ্র পাল। থিম ভাবনায় শিল্পী সোমনাথ মুখোপাধ্যায়।
Bhai Phota 2026 Date and Timing: ২০২৬ সালের ভাইফোঁটার দিন কবে, তা জানতে উদগ্রীব হয়ে আছেন অনেকেই। এবার কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয় তিথি ২ দিন ধরে রয়েছে।
পুজোর মণ্ডপে বাংলার সাবেকি আলপনার ঐতিহ্য! সিঁথি অগ্রগামী সংঘের এবারের থিম ‘আলপনা একাল সেকাল’। বাংলার ঘরে ঘরে মা-বোনেদের হাতের শিল্প কী ভাবে বদলেছে সময়ের সঙ্গে? সাদা রেখার আলপনায় ফুটে উঠেছে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বরের পৌরাণিক আখ্যান।
কোলাহল আর ব্যস্ততার মাঝেই একরাশ প্রশান্তি! কলকাতার উল্টোডাঙা বিধান সংঘের ৫৮তম বর্ষের দুর্গাপুজোর থিম ‘অমূর্ত’। শিল্পী কৃষাণু পালের ভাবনায় মণ্ডপে ফুটে উঠেছে মানসিক শান্তি, ভালোবাসা, মায়া, মমতা ও কৃতজ্ঞতার মতো অদৃশ্য সম্পদের কথা। আধুনিক জীবনের ইঁদুর দৌড়ে এই মণ্ডপ দর্শকদের নতুন করে ভাবাবে।
২০২৬ সালের দুর্গাপুজোয় টালা প্রত্যয়ের থিম ‘বিয়োজন’। এমনিতে পুজো দেখতে গেলে ভিড়, লাইনে দাঁড়ানো। সেসব ছাড়ুন।bangla.aajtak.in-এ ভার্চুয়ালি দেখে নিন দুর্গাপুজো।
বলা হয় যে এইদিন নিয়ম মেনে পুজো ও কিছু বিশেষ জিনিসের কেনাকাটা করায় ধনধান্য ও সুখ-সম্পন্নতা বৃদ্ধি পায়। আসুন জেনে নিন ধনতেরস কবে পালন করা হবে এবং পুজোর শুভ মুহূর্ত কখন?
দু দিনের এই উত্সবে আমেরিকার বিভিন্ন স্টেট থেকে প্রবাসী বাঙালি জড়ো হলেন টাইমস স্কোয়্যারে। আবহাওয়া ভাল ছিল না, ঝড়, বৃষ্টি, দমকা হাওয়া। তাতে কী! বাঙালিদের উত্সাহের কাছে প্রকৃতিও হার মানল। শুধু বাঙালিরাই নন, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ টাইমস স্কোয়্যারের দুর্গোত্সবে মেতে উঠলেন। দুদিনের এই উত্সবের আয়োজন করেছে টাইমস স্কোয়্যার দুর্গা উত্সব অ্যাসোসিয়েশন।
২০২৬ সালের দুর্গাপুজোয় দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম পরিচিত পুজো চেতলা অগ্রণী ক্লাবের থিম ‘বিশ্বরূপে বিশ্বরূপিণী’। শিল্পী সাম্যব্রত মল্লিকের ভাবনায় এ বার মণ্ডপসজ্জায় ফুটে উঠেছে শ্রীকৃষ্ণের বিশ্বরূপ এবং আদিশক্তি দেবী দুর্গার মহাজাগতিক রূপের এক অনন্য মেলবন্ধন। ধর্মীয় ভাবনা ও শিল্পের মেলবন্ধনে তৈরি এই থিমে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের অসীম শক্তি এবং সৃষ্টির নানা রূপ তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। চেতলা অগ্রণীর এই পুজোর উদ্বোধন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি ক্লাবের অন্যতম পরিচিত মুখ তথা তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিমকে। তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে জোর চর্চা।
দুর্গাপুজোর মণ্ডপে ঐতিহ্য আর আধুনিকতার অসাধারণ মেলবন্ধন! কলকাতার রাজেন্দ্র লাল স্ট্রিটের ৮৩ বছরের পুজোয় এবার এক ছাদের তলায় আদি ও নব্যের বুনোট। ২৫ ফুটের মাতৃপ্রতিমা, বাঁশের অতীত-বর্তমান এবং ১০০টি পুজোর বৈচিত্র্য; সব মিলিয়ে নজর কাড়তে তৈরি এই অভিনব আয়োজন।
দুর্গাপুজোয় লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, প্রতিদিন নির্দিষ্ট রঙের পোশাক পরার রীতির প্রচলন রয়েছে। প্রতিটি রঙের আলাদা তাৎপর্য। সেগুলি দেবী দুর্গার নয় রূপের সঙ্গে সম্পর্কিত। দেখে নিন তালিকা।
দেবীপক্ষের শুরু। মা দুর্গার আরাধনা। বিশ্বাস, এই সময়ে নিয়ম মেনে দেবীর নাম ও মন্ত্র পাঠ করলে মনে ভরসা জাগে। পুজোর দিনগুলিতে অনেকে সংসারের মঙ্গল, মানসিক শান্তি এবং জীবনের বাধা কাটানোর প্রার্থনা করেন।