ধনদেবী লক্ষ্মীকে তুষ্ট করতে কোজাগরি পূর্ণিমায় ভোগপ্রসাদের আয়োজন করবেন সকলেরই। কিন্তু ভোগের থালায় কী কী রাখতে হয় জানেন? কোন প্রসাদ নিবেদন করলে মিলবে মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ?
পঞ্জিকা অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবর, রবিবার সন্ধ্যাতেই লক্ষ্মীপুজো করা হবে। কারণ, পূর্ণিমা তিথি ২৫ অক্টোবর সকালেই শুরু হচ্ছে এবং রাতেও থাকছে। ২৬ অক্টোবর সকালে তিথি শেষ হয়ে যাবে।
নিজের পাড়া বড়িষা প্লেয়ার্স কর্নারের প্রতিমা বিসর্জনে নাচলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে জানালেন তাঁর বায়োপিক কবে মুক্তি পাবে? মহারাজ বললেন,'শ্যুটিং শেষ। পোস্ট প্রোডাকশন চলছে। আগামী বছরে মুক্তি'।
রবিবার, ২৫ অক্টোবর কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। কিন্তু কোন সময় লাগছে পূর্ণিমা? কোন সময়টা পুজো করা সবথেকে শুভ? কোন কোন নিয়ম মেনে পুজো করলে মায়ের কৃপা পাবেন? জেনে নিন।
এই উৎসবের মাধ্যমে ভাই-বোনদের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। এই বিশেষ দিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন দিদি-বোনেরা। কিন্তু ২০২৬ সালে ভাইফোঁটা কবে পালিত হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি।
কলকাতার অ্যালেন পার্কের দুর্গাপুজোয় সিঁদুরখেলায় হাজির হলেন টলি সেলেবরা। ঢাকের তালে নাচতে দেখা গেল ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, অপরাজিতা আঢ্য আর দর্শনাকে। দেখুন সেই ভিডিও।
এই বছর কবে পড়েছে ধনতেরস? এইদিন নিয়ম মেনে পুজো ও কিছু বিশেষ জিনিসের কেনাকাটা করায় ধনধান্য ও সুখ-সম্পন্নতা বৃদ্ধি পায়। আসুন জেনে নিন ধনতেরস কবে পালন করা হবে এবং পুজোর শুভ মুহূর্ত কখন?
কোজাগরী পূর্ণিমা তিথিতে দেবী লক্ষ্মী মর্ত্যে আসেন বলে বিশ্বাস করা হয়। মর্ত্যে এসে দেবী তাঁর ভক্তদের আশীর্বাদ দান করেন। দেবী লক্ষ্মী পার্থিব-অপার্থিব সম্পদ, সৌভাগ্য এবং সৌন্দর্যের দেবী। কোজাগরী শব্দের উৎপত্তি ‘কো-জাগতি’ থেকে, যার অর্থ হল ‘কে জেগে আছো’। এই তিথিতে যাঁরা রাত জেগে দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করেন, দেবীর আগমনের অপেক্ষায় থাকেন তাঁরা দেবীর বিশেষ আশীর্বাদ প্রাপ্ত হন। আগামী ২৫ অক্টোবর, রবিবার শ্রীশ্রী কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো।
যদিও এই বছর বাড়তি পাওনা হিসাবে দুদিন সপ্তমী পড়েছিল, তাই হিসাব মতো ৬দিনের পুজো ছিল। একটা পুজো যেতে না যেতেই শুরু হয়ে যায় আরও একটা পুজোর কাউন্ট ডাউন।
উমার বিদায়বেলায় এই রীতির মধ্যে যেমন রয়েছে বিষাদের ছায়া, তেমনই রয়েছে আনন্দ, সম্প্রীতি ও মিলনের বার্তা। কিন্তু জানেন কি, বাংলার দুর্গাপুজোর সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে থাকা এই সিঁদুরখেলার কোনও নির্দিষ্ট শাস্ত্রীয় বিধান নেই?
সুদূর নিউজিল্যান্ডে এবার সবচেয়ে বড় দুর্গাপ্রতিমা। ৭৫০-রও বেশি অতিথির সমাগমে ক্রাইস্টচার্চে দুর্গোৎসব। নিউজিল্যান্ডের গার্ডেন সিটি ক্রাইস্টচার্চে বাঙ্গালিয়ানা মাল্টিকালচারাল ক্রাইস্টচার্চের উদ্যোগে ষষ্ঠ বর্ষের দুর্গোৎসব পালিত হল মহাসমারোহে। এবারের প্রধান আকর্ষণ ছিল নিউজিল্যান্ডের সর্ববৃহৎ বলে বিবেচিত দুর্গাপ্রতিমা, যা কলকাতায় ছয় মাস ধরে নির্মাণের পর প্রায় তিন মাসের সমুদ্রযাত্রায় সিঙ্গাপুর, চিন ও অস্ট্রেলিয়া হয়ে ক্রাইস্টচার্চে পৌঁছয়। ভারতের মায়াপুর থেকে আগত পুরোহিতের পৌরোহিত্যে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৭৫০-রও বেশি অতিথি অংশগ্রহণ করেন। বিশেষ চমক ছিল আফ্রিকান বাদকদের কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ঢাকের বাদ্যি এবং দক্ষিণ আফ্রিকার এক মহিলার নেতৃত্বে ধুনুচি নাচ।