টালা প্রত্যয়ে বড় করেই পুজো হবে। তবে মাঠ দখল করে নয়। এবার পুজোর সঙ্গে জুড়ছেন বিজেপি বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারি। এবার আর কী কী চমক থাকছে? জানুন
কৌশিকী অমাবস্যায় কালীঘাটে পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপর ভোগও খেলেন। মুখ্যমন্ত্রীর থালায় পোলাও আর মাছের মাথা। সাম্প্রতিক আমিষ নিয়ে বিতর্কের মাঝেই এই দৃশ্য অর্থবহ।
বাগেশ্বর বাবা এসে পুজোর সময়ে ননভেজ খাওয়া থেকে হিন্দুদের বিরত থাকার নিদান দিয়েছিলেন। সেই নিদান উড়িয়ে দিল তারাপীঠ মন্দির কর্তৃপক্ষ। চিরাচরিত নিয়ম মেনেই কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠ মন্দিরে মা তারার ভোগে মাছ-মাংস-মদিরা।
যেহেতু এই পুজোর সঙ্গে তন্ত্রসাধনার সরাসরি যোগ রয়েছে, তাই এই পুজোর রাতে বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। কৌশিকী অমাবস্যায় বেশ কয়েকটি নিয়ম না মানলে জীবনে ঘোর বিপদ ঘনিয়ে আসতে পারে।
Pithori Amavasya Bhadrapada: রাত পোহালেই ভাদ্র মাসের অমাবস্যা। এই অমাবস্যা সনাতন ধর্মমতে অতি স্পেশাল। এই দিন কী কী করা উচিত নয়, জেনে নিন
ভাদ্র মাসের অমাবস্যা কৌশিকী অমাবস্যা হিসাবে প্রসিদ্ধ। এই অমাবস্যাকে ঘিরে হিন্দু ধর্মে বিভিন্ন মান্যতাও রয়েছে। বলা হয়, কৌশিকী অমাবস্যায় পুজো দিলে মনস্কামনা পূর্ণ হয়। এবার এই অমাবস্যার তিথি কখন শুরু হচ্ছে? চলুন জেনে নেওয়া যাক পঞ্জিকা কী বলছে।
প্রতি বছরই গর্ভগৃহে ঢুকে বিগ্রহ দর্শনের সুযোগ থাকে। কিন্তু এই বছর থেকে সেই নিয়মে বদল আনা হয়েছে। এই বছর থেকে কৌশিকী অমাবস্যায় গর্ভগৃহে কারোর প্রবেশ নয়। তাহলে কোথায়, কীভাবে পুজো দেবেন ভক্তরা?
Ganesh Chaturthi 2026: হিন্দুধর্মে গণেশ চতুর্থীর বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। ভক্তরা মহা ধুমধাম করে এই উৎসব পালন করেন এবং ভগবান গণেশকে ঘরে নিয়ে আসেন। ভগবান গণেশকে ঘরে স্বাগত জানানোর জন্য দেশজুড়ে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। এই ১০ দিনব্যাপী উৎসবটি গণেশ চতুর্থীতে শুরুহয়। এটি প্রতি বছর ভাদ্রপদ মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে পালিত হয়।
কিন্তু অজান্তেই আমরা ঘরের যে কোনও জায়গায়, যেমন বিছানায় বসে বা দরজার সামনে অথবা শৌচালয়ের পাশে ডাইনিং টেবিলে বসেই খেয়ে নেয়। বাস্তু ও জ্য়োতিষে খাবার খাওয়ার স্থান ও দিশার সম্বন্ধ সরাসরি আমাদের স্বাস্থ্য, মানসিক শান্তি ও আর্থিক পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত।
তৃণমূল সরকারের আমলে বাধা পেয়েছিলেন, সেই বাগেশ্বর বাবা শুভেন্দু অধিকারীর সরকারে বাংলায় এসে ধর্মীয় অনুষ্ঠান করলেন। সেখানে এসে বাঙালিদের দুর্গাপুজোর সময়ে খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বিশেষ মন্তব্য করেন, যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী বলেন, 'যাঁরা দুর্গাপুজোর সময়ে আমিষ খান, তাঁরা পাষণ্ড। পুজো প্যান্ডেলের পিছনে নোংরা নোংরা খাবার খাওয়া হয়। সেগুলি হওয়া উচিত নয়। আমি আশা করব, এবার হিন্দু বাঙালি জাগবে এবং পুজোর সময়ে আর ননবেজ খাবে না।' এই মন্তব্য ঘিরে কার্যত তেলেবেগুনে জ্বলে উঠেছে অধিকাংশ বাঙালি। দেখুন ঠিক কী বলেছেন বাগেশ্বর বাবা...
তৃণমূল সরকারের আমলে বাগেশ্বর বাবাকে বাংলায় ধর্মীয় অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া হয়নি। এবার শুভেন্দু অধিকারীর আমলে রাজ্যে এসে সভা করলেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী। সে সময়ে তিনি মন্তব্য করেছিলেন, 'দিদির আমলে সভা করতে দেওয়া হল না, যখন দাদা আসবেন তখন বাংলায় যাব।' তবে কি তাঁর বরদানেই বাংলায় BJP সরকার? এ প্রসঙ্গে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী বলেন, 'আমি একজন সাধু। বরদান বা অভিশাপ দিতে পারি না। আমার মুখ থেকে বেরিয়েছিল ভগবান না পূরণ করেছেন। আমি অভিশাপ দিতে পারলে তো পাকিস্তানকেই ভস্ম করার অভিশাপ দিতাম।'