২০২৬ সালের দুর্গাপুজোয় দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম পরিচিত পুজো চেতলা অগ্রণী ক্লাবের থিম ‘বিশ্বরূপে বিশ্বরূপিণী’। শিল্পী সাম্যব্রত মল্লিকের ভাবনায় এ বার মণ্ডপসজ্জায় ফুটে উঠেছে শ্রীকৃষ্ণের বিশ্বরূপ এবং আদিশক্তি দেবী দুর্গার মহাজাগতিক রূপের এক অনন্য মেলবন্ধন। ধর্মীয় ভাবনা ও শিল্পের মেলবন্ধনে তৈরি এই থিমে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের অসীম শক্তি এবং সৃষ্টির নানা রূপ তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। চেতলা অগ্রণীর এই পুজোর উদ্বোধন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি ক্লাবের অন্যতম পরিচিত মুখ তথা তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিমকে। তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে জোর চর্চা।
দুর্গাপুজোর মণ্ডপে ঐতিহ্য আর আধুনিকতার অসাধারণ মেলবন্ধন! কলকাতার রাজেন্দ্র লাল স্ট্রিটের ৮৩ বছরের পুজোয় এবার এক ছাদের তলায় আদি ও নব্যের বুনোট। ২৫ ফুটের মাতৃপ্রতিমা, বাঁশের অতীত-বর্তমান এবং ১০০টি পুজোর বৈচিত্র্য; সব মিলিয়ে নজর কাড়তে তৈরি এই অভিনব আয়োজন।
দুর্গাপুজোয় লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, প্রতিদিন নির্দিষ্ট রঙের পোশাক পরার রীতির প্রচলন রয়েছে। প্রতিটি রঙের আলাদা তাৎপর্য। সেগুলি দেবী দুর্গার নয় রূপের সঙ্গে সম্পর্কিত। দেখে নিন তালিকা।
দেবীপক্ষের শুরু। মা দুর্গার আরাধনা। বিশ্বাস, এই সময়ে নিয়ম মেনে দেবীর নাম ও মন্ত্র পাঠ করলে মনে ভরসা জাগে। পুজোর দিনগুলিতে অনেকে সংসারের মঙ্গল, মানসিক শান্তি এবং জীবনের বাধা কাটানোর প্রার্থনা করেন।
বাড়ি তৈরি করছেন? অথবা নতুন ফ্ল্যাট কেনার পরিকল্পনা রয়েছে? তা হলে বাথরুমের অবস্থানের দিকেও নজর দিন। বাস্তুশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, বাড়ির কয়েকটি নির্দিষ্ট দিকে শৌচাগার থাকাকে শুভ বলে মনে করা হয় না।
১০ অক্টোবর, শনিবার হল মহালয়া। এই দিনই করা হবে তর্পণ। কিন্তু এবার ভোরবেলায় তর্পণ করলে তেমন একটা লাভ হবে না। বরং কখন তর্পণ করলে সবথেকে বেশি লাভ পাবেন, সেটা জেনে নিন।
ইলিউশন বা ভ্রম। চারু অ্যাভিনিউ নবপল্লি সঙ্ঘের এবারের থিম 'ভ্রম'। মানুষের চোখে সমাজের চোখে সবথেকে বড় ভ্রম বাড়ি, গাড়ি, ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স। যার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দৌড়। সত্যিই কি এগুলো জীবনের অ্যাচিভমেন্ট? নাকি সুখ শান্তি হারিয়ে ফেলছে মানুষ? হারাচ্ছে ভালবাসা? এমন জটিল ভাবনাকেই মণ্ডপে তুলে ধরেছেন সন্দীপ এবং তাপসী মুখোপাধ্যায়।
বাঙালির ঘরে উমা এসে এবার আরও একদিন বেশি থাকবেন তার পিতৃগৃহে আর ইতিমধ্যেই সেই দুর্গাপুজোর তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে কারণ দুর্গাপুজোর প্রতিটি তিথির সঙ্গেই জড়িয়ে থাকে বাঙালির আবেগ, রীতি আর প্রজন্মের পর প্রজন্মের ঐতিহ্য।
দাহ করার আগে দেহের সঙ্গে এমনটা কেন করা হয়, তা নিয়ে অনেকেই অবাক হন। এটা কি শুধুই একটি প্রথা, নাকি এর পেছনে কোনও ধর্মীয় বা বৈজ্ঞানিক কারণ আছে? হিন্দুধর্মের পবিত্র গ্রন্থ গরুড় পুরাণ এবং আয়ুর্বেদে এই প্রথার পেছনের রহস্য বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, মৃত্যুর পর কেন নাকে ও কানে তুলো গোঁজা হয়।
Sarvapitri Amavasya 2026: ২০২৬ সালের ১০ অক্টোবর সর্বপিতৃ অমাবস্যা। সর্বপিতৃ অমাবস্যা হলো পিতৃপক্ষের শেষ দিন। এই দিনে, পৃথিবীতে অবতীর্ণ পূর্বপুরুষদের স্মরণ করা হয় এবং বিদায় জানানো হয়। যদি আপনি পিতৃপক্ষে আপনার পূর্বপুরুষদের জন্য তর্পণ বা শ্রাদ্ধ না করে থাকেন, তবে সর্বপিতৃ অমাবস্যায় তিলাঞ্জলি অর্পণ করে শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁদের বিদায় জানান। এই দিনে দান করলে অব্যর্থ ফল লাভ হয় এবং সমস্ত বড় সমস্যার অবসান ঘটে। পূর্বপুরুষদের প্রসন্ন করার এটিই শেষ সুযোগ।
রাতে বিছানায় যাওয়ার পরও অনেকের ঘুম আসতে চায় না। আবার কেউ ঘুমিয়েও সকালে উঠে ক্লান্ত বোধ করেন। ঘুমের সঙ্গে অবশ্যই নানা বিষয় জড়িত।