প্রতীকী ছবি চলছ পবিত্র রমজান মাস। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য এই মাস অত্যন্ত শুভ ও গুরুত্বপূর্ণ। মুসলমানদের জন্য রমজান এমন একটি মাস যেখানে ইসলামের পবিত্র গ্রন্থ কোরানের প্রথম শ্লোক হজরত মুহাম্মদের কাছে আজ থেকে প্রায় ১,৪০০ বছর পূর্বে অবতীর্ণ হয়েছিল। তাই এই মাসে, মুসলমানরা ফজরের নামাজের মাধ্যমে রোজা শুরু করেন এবং সূর্যাস্তের পর উপবাস ভঙ্গ করেন। এই রোজার মাসকে কোরবানি বা ত্যাগের মাস হিসাবে বিবেচনা করেন। টানা এক মাস ধরে পবিত্র রমজান মাস পালনের পর আসে মুসলমানদের প্রধান উৎসব খুশির ইদ (Eid) বা ইদ উল-ফিতর (Eid Ul-Fitr)।
ইদ-উল-ফিতর কথাটির অর্থ উপবাস ভঙ্গের উত্সব। রমজান মাসের উপবাস ভঙ্গ করা হয় ইদের দিনে। ইসলামী বিশ্বাস অনুসারে, যারা সৎ উদ্দেশ্য প্রার্থনা এবং উপবাস করেন, ঈশ্বর তার ভক্তদের অতীতের পাপকে ক্ষমা করেন। দিনটি পবিত্র নবী হজরত মোহাম্মদ যেদিন পবিত্র কোরানের প্রথম প্রকাশনা হিসাবে চিহ্নিত।
এই মুসলমান উৎসব মিঠি ইদ নামেও পরিচিত। ইসলামী ক্যালেন্ডার (হিজরি) অনুযায়ী নবম মাসটি হল রমজান মাস। আর দশম মাস অর্থাৎ শাওয়ালের প্রথম দিনটি বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয় ইদ। ইসলামী বিশ্বাস অনুসারে, যারা সৎ উদ্দেশ্য প্রার্থনা এবং উপবাস করেন, ঈশ্বর তার ভক্তদের অতীতের পাপকে ক্ষমা করেন। দিনটি পবিত্র নবী হজরত মোহাম্মদ যেদিন পবিত্র কোরানের প্রথম প্রকাশনা হিসাবে চিহ্নিত। ইদ-উল-ফিতর কথাটির অর্থ উপবাস ভঙ্গের উত্সব। রমজান মাসের উপবাস ভঙ্গ করা হয় ইদের দিনে। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে, রমজান মাস কখনও ২৯ দিন তো কখনও ৩০ দিন হয়। এরপর চাঁদ দেখে পালন নয় খুশীর ইদ।
চাঁদ রাত ও ইদ -উল -ফিতর ২০২৬-র তারিখ (Eid Al-Fitr 2025 Date)
গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে ইদ-উল-ফিতর-র কোনও নির্দিষ্ট দিন নেই। দশম মাসের আগে আকাশে চাঁদ দেখা যাওয়ার পরেই ইদ পালিত হয়। সুতরাং, রমজানের শেষ দিনে চাঁদ দেখার পরের দিন খুশির ইদ পালন হয়। শাওয়ালের চাঁদটি সৌদি আরবে প্রথম দেখা যায়। আর সে অনুযায়ী অন্যান্য দেশে ইদ পালনের তারিখটি নিশ্চিত হয়। চাঁদ দেখার উপরই রমজানের শুরু এবং শেষ নির্ভরশীল। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে, রমজান মাস কখনও ২৯ দিন তো কখনও ৩০ দিন হয়। এই বছর ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান মাস হয়েছে। এই রমজান মাস শেষ হতে পারে ২০ মার্চ। ভারতে ইদের তারিখ নির্ভর করছে সৌদি আরবে চাঁদ দেখা অবধি। চাঁদ দেখে পালন হয় খুশীর ইদ। ২০ মার্চ আরবে ইদ। সেই হিসেব অনুযায়ী, এই দেশে ইদ হবে ২১ মার্চ।
সালামি বা ইদি
ইদ মানেই বিশেষ নামাজ, কোলাকুলি করে মোবারক জানানো সকলকে, নতুন জামাকাপড়, নাচ-গান, আড্ডা, খাওয়া -দাওয়া এবং সালামি বা ইদি। সালামি বা ইদিকে বা ইদিয়াও বলে। এটি হল উপহার বা বকশিশ। পরিবারের ছোট সদস্যদের তাদের বাবা-মা, নিকটা আত্মীয়রা যে উপহার বা শুভেচ্ছার অর্থ দেয়, তার নাম ইদি। এটি ইদ উদযাপনের একটি ঐতিহ্যবাহী অংশ, যা শিশুদের আনন্দিত করে এবং তাদের প্রতি বড়দের স্নেহ ও ভালোবাসার প্রকাশ ঘটায়। এই সালামি দেওয়া বা নেওয়ার বিষয়ে ইসলামে কোনও বাধা নেই।