Holi 2026 Exact Timing: দোল, হোলি একই দিনে পড়েছে? পূর্ণিমা কতক্ষণ থাকবে, জেনে নিন

Holi 2026 Date Time: রঙের উৎসবে কম বেশি সামিল হন সকলেই। আর এই বিশেষ দিন উপলক্ষে বিভিন্ন জায়গায় পুজোও হয়। দোল পূর্ণিমা হিন্দু ধর্মের জন্যে খুব শুভ বলে মনে করা হয়।

Advertisement
দোল, হোলি একই দিনে পড়েছে? পূর্ণিমা কতক্ষণ থাকবে, জেনে নিন   দোলযাত্রা ২০২৬

হোলি ভারত উপমহাদেশে বসন্তের আগমন, শীতের অবসান এবং প্রেমের প্রস্ফুটনকে চিহ্নিত করে। সাধারণত ফাল্গুন মাসেই হয় দোল উৎসব। এই উৎসবের মাধ্যমে রাধা-কৃষ্ণের শাশ্বত ও ঐশ্বরিক প্রেম উদযাপন করা হয়। অনেক উৎসবের মধ্যে সকলের পছন্দের তালিকায় প্রথমের দিকেই থাকে দোলযাত্রা (Dolyatra) বা হোলি (Holi)।  ভারতবর্ষের বেশির ভাগ স্থানেই রঙের উৎসব পালন করা হয় মহা সমারোহে। জেনে নিন এবছর দোলযাত্রার সময়সূচী। 

২০২৬-র দোল ও হোলির দিনক্ষণ

এবছর দোলযাত্রা পড়েছে ৩ মার্চ (বাংলায় ১৮ ফাল্গুন)। এই দিনটিকে বসন্ত উৎসবও বলা হয়। হোলি সাধারণত দোলের পরের দিন পালিত হয়। এবছর হোলি উৎসব পড়েছে ৪ মার্চ। 

দোল পূর্ণিমার কতক্ষণ থাকছে?

২ মার্চ সন্ধ্যা ৫/৪২ মিনিট থেকে ৩ মার্চ বিকেল ৪/৫৭ মিনিট পর্যন্ত এই বছর পূর্ণিমা থাকবে।  

আরও পড়ুন: মীনে তৈরি হবে ধনশক্তি রাজযোগ, ২ মার্চ পর্যন্ত ৩ রাশির আয়ের নতুন পথ খুলবে

দোলযাত্রা ও হোলি 

রঙের উৎসবে কম বেশি সামিল হন সকলেই। আর এই বিশেষ দিন উপলক্ষে বিভিন্ন জায়গায় পুজোও হয়। দোল পূর্ণিমা হিন্দু ধর্মের জন্যে খুব শুভ বলে মনে করা হয়। এদিন রাধা-কৃষ্ণের পুজো করা হয় বিশেষত। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, দোল পূর্ণিমার দিন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ আবির নিয়ে রাধিকা ও অন্যান্য গোপীনীদের সঙ্গে রং খেলায় মেতেছিলেন। আবার শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বসন্ত উৎসব চালু করেছিলেন। তাই রঙিন এই উৎসবের দিকে মুখিয়ে থাকেন অনেকেই। 

ভারতের ব্রজ অঞ্চলে, যেখানে কৃষ্ণ ছোট থেকে বড় হয়, সেখানে রাধা ও কৃষ্ণের স্বর্গীয় ভালোবাসার স্মৃতি হিসেবে দিনটি রাঙা পঞ্চমী হিসেবে উদযাপিত হয়। বসন্তের সূচনার সঙ্গে হোলি প্রেমের উৎসব হিসেবে দিনটি পালিত হয়। ঋষি গর্গের রচিত গর্গ সংহিতায় ছিল সাহিত্যের প্রথম কাজ যেখানে রাধা ও কৃষ্ণের হোলি খেলার বর্ণনা উল্লেখ করা হয়েছে।

Advertisement

আরও পড়ুন: মার্চের চন্দ্রগ্রহণের সঙ্গে শনির ঢাইয়া! এই রাশির বড় বিপদ, ক্ষতির সম্ভাবনা

হোলি উৎসব হল একটি প্রাচীন হিন্দু উৎসব যার নিজস্ব সাংস্কৃতিক আচার-অনুষ্ঠান রয়েছে, যা গুপ্ত যুগের আগে উদ্ভূত হয়েছিল। নারদ পুরাণ এবং ভবিষ্য পুরাণের মতো প্রাচীন গ্রন্থগুলিতে আরও বিশদ বিবরণ সহ জৈমিনীর পূর্ব মীমাংসা সূত্র এবং কথক- গৃহ্য - সূত্রের মতো রচনাগুলিতে রঙের উৎসবের উল্লেখ পাওয়া যায়। রাজা হর্ষের সপ্তম শতাব্দীর রচনা রত্নাবলীতেও 'হলিকোৎসব' উৎসবের উল্লেখ করা হয়েছে। এটি দণ্ডীর দশকুমার চরিত পুরাণে এবং কবি কালিদাস চতুর্থ শতাব্দীর দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

POST A COMMENT
Advertisement