Holi Dolyatra 2026 Date: কবে পড়েছে এবছরের দোল পূর্ণিম, হোলি? জানুন রঙের উৎসবের দিনক্ষণ

Holi Date: রঙের উৎসবে কম বেশি সামিল হন সকলেই। আর এই বিশেষ দিন উপলক্ষে বিভিন্ন জায়গায় পুজোও হয়। দোল পূর্ণিমা হিন্দু ধর্মের জন্যে খুব শুভ বলে মনে করা হয়।

Advertisement
কবে পড়েছে এবছরের দোল পূর্ণিম, হোলি? জানুন রঙের উৎসবের দিনক্ষণ দোল পূর্ণিমা ২০২৬

বাঙালির বারো মাসে তের পার্বণ। তবে অনেক উৎসবগুলির মধ্যে সকলের পছন্দের তালিকায় প্রথমের দিকেই থাকে দোল (Dol Yatra) বা হোলি (Holi)।  তবে শুধু বাঙালি নয়, ভারতবর্ষের বেশির ভাগ স্থানেই রঙের উৎসব পালন করা হয় মহা সমারোহে। সাধারণত ফাল্গুন মাসেই হয় দোল উৎসব। জেনে নিন এবছরের দোলযাত্রার দিনক্ষণ। 

রঙের উৎসবে কম বেশি সামিল হন সকলেই। আর এই বিশেষ দিন উপলক্ষে বিভিন্ন জায়গায় পুজোও হয়। দোল পূর্ণিমা হিন্দু ধর্মের জন্যে খুব শুভ বলে মনে করা হয়। এদিন রাধা-কৃষ্ণের পুজো করা হয় বিশেষত। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, দোল পূর্ণিমার দিন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ আবির নিয়ে রাধিকা ও অন্যান্য গোপীনীদের সঙ্গে রং খেলায় মেতেছিলেন। আবার শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বসন্ত উৎসব চালু করেছিলেন। তাই রঙিন এই উৎসবের দিকে মুখিয়ে থাকেন অনেকেই। 

আরও পড়ুন:  সূর্য, মঙ্গলের কৃপায় গঠিত হবে মঙ্গল আদিত্য রাজযোগ! ৪ রাশির সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য উপচে পড়বে

দোল ও হোলির তারিখ

এই বছর দোলযাত্রা পড়েছে ৩ মার্চ (বাংলায় ১৮ ফাল্গুন)। এই দিনটিকে বসন্ত উৎসবও বলা হয়। হোলি সাধারণত দোলের পরের দিন পালিত হয়। এবছর হোলি উৎসব পড়েছে ৪ মার্চ। 

দোল পূর্ণিমার সময়  

২ মার্চ সন্ধ্যা ৫/৪২ মিনিট থেকে ৩ মার্চ বিকেল ৪/৫৭ মিনিট পর্যন্ত এই বছর পূর্ণিমা থাকবে।  
 
ন্যাড়া পোড়া 

এবছর ন্যাড়া পোড়া হবে ২ মার্চ। ন্যাড়া পোড়ার হল অশুভ শক্তির বিনাশ। এদিন শুকনো ডাল, কাঠ এবং শুকনো পাতা জোগাড় করে সেগুলোকে স্তূপাকার করে ফাগুন পূর্ণিমার সন্ধ্যায় পোড়ানো হয়। যুগ যুগ ধরে এই রীতি আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে। তাই ন্যাড়া পোড়ার পর সবাই সেই ছাই শরীর ও কপালে ছোঁয়ায়। বিশ্বাস করা হয় যে, এতে অশুভ শক্তি ছায়া জীবনের ওপর পড়ে না। ন্যাড়া পোড়া হল মন্দের উপর ভালর জয়ের প্রতীক।

Advertisement

আরও পড়ুন:  ২০২৬ সালের সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ কবে, কখন, কোথায়? এই রাশির জাতকদের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে

হোলিকা দহন 

এবার হোলিকা দহন পড়েছে ৩ মার্চ। বাংলার বাইরে ন্যাড়া পোড়ার রীতি হোলিকা দহন নামে পরিচিত। উদ্দেশ্য ও কারণ মূলত এক হলেও, রীতি পালনের ধরণে স্থানভেদে পার্থক্য আছে। হোলির ঠিক আট দিন আগে কোনও শুভ কাজ করা উচিত না। সেই সময়কালকে হোলিকা দহন বলা হয়।  তবে এই রীতি মূলত উত্তর ও দক্ষিণ ভারত, নেপাল কিংবা পশ্চিমবঙ্গের বাইরে প্রচলিত। বাঙালির অনেকটা একই ধরণের উৎসব পালনের রীতি আছে যাকে ন্যাড়া পোড়া বলে।  তবে সেটি হয় দোলযাত্রার আগের দিন। কোনও অশুভ শক্তিকে হারিয়ে, শুভ শক্তি জয়ের উদযাপন হল এই রীতির মূল উদ্দেশ্য। 

 

POST A COMMENT
Advertisement