Vastu Tips: এই ৪ বদ অভ্যাস ছাড়লেই ভাগ্যে বড় বদল, জেনে নিন

ভাগ্য, গ্রহের অবস্থান বা পরিস্থিতির উপর আমাদের সমস্যাগুলির জন্য দায়ী করি। তবে, শাস্ত্র অনুসারে, আমাদের দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসও বাস্তু দোষ এবং গ্রহের দুর্বলতার কারণ হতে পারে। 

Advertisement
এই ৪ বদ অভ্যাস ছাড়লেই ভাগ্যে বড় বদল, জেনে নিনবাস্তু টিপস

ভাগ্য, গ্রহের অবস্থান বা পরিস্থিতির উপর আমাদের সমস্যাগুলির জন্য দায়ী করি। তবে, শাস্ত্র অনুসারে, আমাদের দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসও বাস্তু দোষ এবং গ্রহের দুর্বলতার কারণ হতে পারে। 

এই ছোট, অনিচ্ছাকৃত ভুলগুলি কেবল আমাদের শক্তির উপর প্রভাব ফেলতে পারে না বরং জীবনে বাধা, মানসিক চাপ এবং ব্যর্থতার কারণও হতে পারে, যা আমাদের চারপাশ থেকে ঘিরে থাকা বাস্তু দোষ তৈরি করে। আসুন জেনে নিই এমন কিছু অভ্যাস এবং এর পিছনে থাকা বাস্তু এবং জ্যোতিষশাস্ত্রীয় কারণ সম্পর্কে।

দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা
সূর্যকে আত্মবিশ্বাস, স্বাস্থ্য, সম্মান এবং ইতিবাচক শক্তির কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দেরিতে ঘুমালে সূর্যের রশ্মি শরীরে পৌঁছাতে বাধা দেয়, যা সূর্যকে দুর্বল করে দেয়। এর ফলে আত্মবিশ্বাসের অভাব, অলসতা এবং কর্মজীবনে বাধার সৃষ্টি হয়। শাস্ত্র মতে, সূর্যোদয়ের আগে, অথবা অন্তত সূর্যোদয়ের সময় ঘুম থেকে ওঠা শুভ, যাতে শরীর ও মন উভয়ই উজ্জীবিত থাকে।

অন্যের পোশাক পরা
প্রত্যেক ব্যক্তির নিজস্ব শক্তি থাকে, যা তাদের পোশাকের মধ্যেও শোষিত হয়। আমরা যখন অন্যদের পোশাক পরি, তখন তাদের নেতিবাচক বা ভারসাম্যহীন শক্তি আমাদের পোশাকে প্রবেশ করতে পারে। এর ফলে মানসিক অস্থিরতা, বিরক্তি এবং ভাগ্যের পথে বাধা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে বাস্তু অনুসারে, প্রতিদিনের পোশাক ভাগাভাগি করা অশুভ বলে বিবেচিত হয়।

নখ কামড়ানো
নখ কামড়ানো কেবল একটি খারাপ অভ্যাসই নয়, বরং মানসিক অস্থিরতা এবং নেতিবাচক চিন্তাভাবনারও লক্ষণ। বাস্তু এবং জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, এই অভ্যাসটি একজন ব্যক্তির একাগ্রতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়। এর ফলে জীবনে বারবার ভুল সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে, যা সরাসরি একজনের ভাগ্যের উপর প্রভাব ফেলে।

বিছানায় খাওয়া
বিছানা বিশ্রামের জন্য, খাওয়ার জন্য নয়। বিছানায় বসে খাবার খেলে রাহু গ্রহের প্রভাব পড়ে, যার ফলে বিভ্রান্তি, মানসিক চাপ এবং হঠাৎ সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাছাড়া, শাস্ত্র অনুসারে দক্ষিণ দিকে মুখ করে খাবার খাওয়া নিষিদ্ধ, কারণ এই দিকটিহম এবং নেতিবাচক শক্তির সাথে সম্পর্কিত। খাবার সর্বদা শান্ত মন, সঠিক স্থানে এবং দিকে খাওয়া উচিত।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement