বরফ স্নান, যা ঠান্ডা জলে নিমজ্জন নামেও পরিচিত, একটি থেরাপিউটিক অনুশীলন যার মধ্যে বরফ-ঠান্ডা জলে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য শরীর ডুবিয়ে রাখা জড়িত।জীবন থেকে রাহু বা খারাপ গ্রহের ফল মারাত্মক হতে পারে। জীবন থেকে অশুভ শক্তি কাটানোর জন্য শাস্ত্রে নানা টোটকার কথা বলা রয়েছে। এরই মধ্যে অন্যতম হল স্নানের জলে নানা জিনিস মেশানোর টোটকা। ব্যস্ত জীবনে সকলের পক্ষে নিয়মিত নানা উপায় পালন করে ওঠা সম্ভব হয় না।
সে ক্ষেত্রে স্নানের জলে কিছু মিশিয়ে স্নান করে ভাল ফল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলে সুবিধাই হয়। এ ক্ষেত্রে নুন, হলুদ প্রভৃতি নানা জিনিস মেশানোর চল রয়েছে। তবে অনেকেই জানেন না যে স্নানের জলে কর্পূর মিশিয়ে স্নান করলেও নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। সেগুলি কী কী জেনে নিন।
কীভাবে এর থেকে মুক্তি পাবেন?
এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে এই চারটি কাজ করতে পারেন। তাতেই আপনার সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। বছর সবে শুরু হয়েছে। ফলে বাকি ১১ মাস আপনার ভাগ্যের সাহায্য পেতে হলে মেনে চলুন এই চারটি ধাপ। এতেই কু নজর থেকে মুক্তি পাবেন আপনি। অনেকটাই সমস্যা কমে যেতে পারে। জেনে নিন এই চারটি কাজ কী কী?
১) কুনজর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। বাড়িতে নিয়মিত কর্পূর জ্বালালে যেমন ভাল ফল পাওয়া যায়, তেমনই স্নানের জলে কর্পূর মেশানোর ফলেও উপকৃত হওয়া যায়। নজরদোষ থেকে মুক্তি মেলে।
২) জীবনে শুভ শক্তির সঞ্চার ঘটে। বিশেষ করে, মনের ভিতর জমে থাকা নেগেটিভ অনুভূতিগুলি থেকে আমরা নিজেদের মুক্ত করতে পারি। মন শান্ত হয়।
৩) পূর্বপুরুষের ক্ষোভ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। আপনার কোনও কাজে যদি পূর্বপুরুষেরা ক্রুদ্ধ হয়ে থাকেন বা কোষ্ঠীতে যদি পিতৃদোষ থেকে থাকে, তা হলে জলে এক চিমটে কর্পূর দিয়ে স্নান করতে পারেন।
৪) রাহু-কেতুর কোপ থেকে বাঁচায় কর্পূর। কোষ্ঠীতে রাহু-কেতু উভয়েই বা কোনও একটি যদি দুর্বল বা অশুভ স্থানে থেকে থাকে, তা হলে স্নানের জলে কর্পূর মেশাতে পারেন।