
সারা বিশ্বে মন্দার (Recession) ঝুঁকি বাড়ছে। মন্দার আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা (Global Recession Fears) ডলারে বেশি বিনিয়োগ করছেন। এর প্রভাব শুধু শেয়ারবাজারেই নয়, নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত সোনার ওপরও পড়ছে।

এই কারণে, সোনার বৈশ্বিক দাম (Gold Global Prices) দুর্বল হয়েছে এবং এক দিন আগে ডিসেম্বর ২০২১-এর দরের তুলনায় সর্বনিম্ন স্তরে নেমে গেছে। এ দিকে আজ রুপোর দরও কমেছে। চলুন জেনে নিন এই দুই মূল্যবান ধাতু সর্বশেষ দাম...

তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার লেনদেনের সময় বিশ্বব্যাপী সোনার দাম ২.৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ১,৭৬৭.৫৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত সাত মাসের মধ্যে এটাই সোনার সর্বনিম্ন দর।

যাইহোক, পরে এই পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয় এবং সারা দিনের লেনদেন শেষে সোনার দর ০.৪ শতাংশের চেয়ে সামান্য বেড়ে প্রতি আউন্সে ১৭৭০.৭১ ডলার ছিল।

সোনার দাম কমার প্রধান কারণ হল ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি। চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় মঙ্গলবার ডলার তার দুই বছরেরও বেশি উচ্চতায় পৌঁছেছে।

মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (MCX), বুধবার সকালে ২৪ ক্যারেট সোনার ফিউচার দাম প্রতি ১০ গ্রামে ১১৫ টাকা বেড়ে ৫১,৪১৭ টাকা হয়েছে। সকালে সোনার লেনদেন ৫১,৩৮২ টাকার স্তরে শুরু হলেও চাহিদা বৃদ্ধি এবং সরবরাহের প্রভাবের কারণে শীঘ্রই এর দাম ৫১,৪০০ টাকার উপরে চলে যায়।

সোনা বর্তমানে তার আগের দিন বাজার বন্ধের সময়কার মূল্যের চেয়ে ০.২২ শতাংশ বৃদ্ধির সঙ্গে লেনদেন করছে। একদিন আগে মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (MCX) সোনার ফিউচার দামে ১.৫ শতাংশের বিশাল পতন হয়েছিল এবং এর দাম ৫২ হাজার টাকার নীচে নেমে গিয়েছিল।

একদিন আগে রুপোর দামে বড় ধরনের পতন হয়েছিল, যার ধাক্কা আজও পুনরুদ্ধার করা যায়নি এবং রুপোর ফিউচার দর বর্তমানে ৫৭ হাজারের নিচে রয়েছে। আজ সকালে মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (MCX) রুপোর দর ১১৮ টাকা কমে ৫৬,৭৪৭ টাকায় লেনদেন করেছে।

উল্লেখযোগ্যভাবেই, গত সেশনে সোনা, রুপোর দর কমেছিল। বুধবার দিল্লি, মুম্বই আর কলকাতায় ২২ ক্যারেটের ১০ গ্রাম সোনার দাম যাচ্ছে ৪৭,৬০০ টাকা। দেশের এই তিন শহরে আজ রুপোর দর প্রতি কেজিতে ৫৬,৯০০ টাকা হয়েছে।