২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে দোকানপাট।২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে দোকানপাট। উৎসবের মরসুমে এমন উপহারই পেলেন দিল্লিবাসী। আগামী সপ্তাহ থেকে দিল্লিতে ৩১৪টি প্রতিষ্ঠানকে ২৪ ঘন্টা খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তার মানে যে কোনও সময় কেনাকাটা করতে পারবেন। ২০১৬ সাল থেকে তারা আবেদন করেছিল। তবে তা ঝুলে ছিল। শেষপর্যন্ত নির্দেশিকা জারি করে অনুমতি দিলেন দিল্লির উপরাজ্যপাল বিকে সেক্সেনা।
২৪ ঘণ্টা ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবে হোটেল-রেস্তোরাঁ, খাবার ও পানীয়ের অনলাইন ডেলিভারি সংস্থা এবং ওষুধের দোকান। এর আওতায় ৩১৪টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এই সিদ্ধান্তে 'নাইট লাইফ' সংস্কৃতি উৎসাহ পাবে। এর মধ্যে পরিবহণ ও কেপিও-বিপিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রস্তাব অনুমোদন করে উপরাজ্যপাল বিষয়টি ঝুলে থাকার জন্য শ্রম দফতরের গড়িমসির মতো বিষয়ও তুলেছেন। সবমিলিয়ে ৩৪৬টি আবেদন ঝুলে ছিল। এর মধ্যে ২০১৬ সালে ১৮টি, ২০১৭ সালে ২৬টি, ২০১৮ সালে ৮৩টি, ২০১৯ সালে ২৫টি, ২০২০ সালে ৪টি এবং ২০২১ সালে ৭৪টি আবেদন জমা পড়েছিল। অথচ শ্রম দফতরের তরফে কোনও উচ্চবাচ্য করা হয়নি।
প্রস্তাবে অনুমোদন করে উপরাজ্যপাল দাবি করেছেন,অ-পেশাদার মনোভাব দেখিয়েছে শ্রম দফতর। 'পিক অ্যান্ড চয়েস' নীতি অনুসরণ করেছে তারা। এই নীতিতে দুর্নীতি করার সুযোগ রয়েছে। এই সাধারণ কাজকর্মে বিলম্ব হলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে অবিশ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে মনে করেন উপরাজ্যপাল।
উপরাজ্যপালের পরামর্শ,এই ধরনের আবেদনগুলি একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নিষ্পত্তি করা দরকার। যাতে অনুকূল ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি হয়। এতে দিল্লির ব্যবসায়ীদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বিলম্ব যাতে না ঘটে তা নিশ্চিত করার জন্য শ্রম দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন উপরাজ্যপাল। তাঁর মতে,বিলম্বের কারণ খুঁজে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা উচিৎ।
আরও পড়ুন- ১১০ টাকায় চলবে ১০০ কিমি, সস্তার ইলেকট্রিক গাড়ি আনল টাটা