Pallonji Mistry Dies: প্রয়াত শিল্পপতি পালোনজি মিস্ত্রি, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

নির্মাণক্ষেত্রের বৃহৎ সংস্থা সাপুরজি পালোনজি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান ছিলেন পালোনজি মিস্ত্রি। ভারতে কোটিপতিদের মধ্যে অন্যতম। তবে আড়ালেই থাকতে পছন্দ করেন।পালোনজি মিস্ত্রির মৃত্যুতে টুইট করে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement
প্রয়াত শিল্পপতি পালোনজি মিস্ত্রি, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীরসাপুরজি পালোনজি।
হাইলাইটস
  • প্রয়াত সাপুরজি পালোনজি।
  • তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর।

প্রয়াত সাপুরজি পালোনজি গ্রুপের  চেয়ারম্যান পালোনজি মিস্ত্রি (Pallonji Mistry)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। দক্ষিণ মুম্বইয়ের নিজের বাসভবনে সোমবার মাঝরাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্য়াগ করেন দেশের প্রবীণ শিল্পপতি। টাটা গোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় অংশীদারিত্বের মালিক মিস্ত্রি। মিস্ত্রিদের কাছে ১৮.৪ শতাংশ অংশীদারিত্ব রয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

নির্মাণক্ষেত্রের বৃহৎ সংস্থা সাপুরজি পালোনজি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান ছিলেন পালোনজি মিস্ত্রি। ভারতে কোটিপতিদের মধ্যে অন্যতম। তবে আড়ালেই থাকতে পছন্দ করেন।পালোনজি মিস্ত্রির মৃত্যুতে টুইট করে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি লেখেন,'পালোনজি মিস্ত্রির মৃত্যুতে শোকাহত। শিল্প ও বাণিজ্য জগতে অবিস্মরণীয় তাঁর অবদান। তাঁর পরিবার, বন্ধু ও অগুনতি শুভাকাঙ্খীদের প্রতি রইল সমবেদনা। ওঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।'

 

আইরিশ মহিলাদের বিয়ের পর পালোনজি আয়ারল্যান্ডের নাগরিক হয়ে গিয়েছিলেন। যদিও বেশিরভাগ সময় কাটাতেন তাঁর মুম্বইয়ের বাংলোয়। ১৫০ বছরের বেশি পারিবারিক ব্যবসা সাপুরজি পালোনজি গোষ্ঠীর দায়িত্ব সামলেছেন পালোনজি। ফোবর্সের সাম্প্রতিক ধনীদের তালিকায় দুনিয়ায় ১২৫ নম্বরে ছিলেন পালোনজি। তাঁর সম্পত্তি ১৩ কোটি মার্কিন ডলার।

১৮৬৫ সালে সাপুরজি পালোনজি গোষ্ঠীর পথ চলা শুরু হয়েছিল। ১৯২৯ সালে গুজরাতে পার্সি পরিবারে জন্ম পালোনজির। প্রাথমিক শিক্ষা মুম্বইয়ে। উচ্চশিক্ষার জন্য লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজে ভর্তি হন। ১৮ বছর বয়সে বাবার সঙ্গে পারিবারিক ব্যবসায় যোগ দিয়েছিলেন। সাপুরজি পালোনজি নির্মাণ সংস্থা শুরু করেছিলেন পালোনজির বাবা। ১৮৬৫ সালে শাপুরজি পালোনজি গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। বর্তমানে ইঞ্জিনিয়ারিং, নির্মাণ, পরিকাঠামো, রিয়াল এস্টেট ব্যবসা রয়েছে এই গোষ্ঠীর। সংস্থার ব্যবসা ছড়িয়ে বিশ্বের ৫০টি দেশে। টাটা গোষ্ঠীতে পালোনজিদের ১৮.৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। ১৯৩০ সালে তা কিনেছিলেন পালোনজির বাবা।

আরও পড়ুন- গুজরাতে কারখানা খুলছেন, আদানিকে ৬,০৭১ কোটির ঋণ সরকারি ব্যাঙ্কগুলির

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement