Fake Voting Punishment: ছাপ্পা দিলে কত বছরের জেল? জানিয়ে দিল কমিশন

২৯ এপ্রিল বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোট। এই পর্বে ১৪২টি আসনে নির্বাচন হবে। তার আগেই ভুয়ো ভোট রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। তাদের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এবার ছাপ্পা দিলে রেহাই নেই। হবে ১ বছরের জেল।

Advertisement
ছাপ্পা দিলে কত বছরের জেল? জানিয়ে দিল কমিশনভুয়ো ভোট দিলে কী হবে?
হাইলাইটস
  • ২৯ এপ্রিল বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোট
  • এই পর্বে ১৪২টি আসনে নির্বাচন হবে
  • ই ভুয়ো ভোট রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন

২৯ এপ্রিল বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোট। এই পর্বে ১৪২টি আসনে নির্বাচন হবে। তার আগেই ভুয়ো ভোট রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। তাদের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এবার ছাপ্পা দিলে রেহাই নেই। হবে ১ বছরের জেল।

মাথায় রাখতে হবে, প্রতিবার ভোটের সময়ই শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে জোর করে ভুয়ো ভোট দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। আর চোখের সামনে সেটা দেখেও কেউ কিছু করে না বলেও দাবি করা হয় বিরোধীদের পক্ষ থেকে। যদিও এবার এই বিষয়টা নিয়ে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে কমিশন। ছাপ্পা দিলেই জেলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, এবার ছাপ্পা ভোট রুখতে একাধিক বন্দোবস্ত করা হয়েছে। প্রথমত, এই ভোটে সরাসরি ভোটারকে ভোটের লাইনে দাঁড় করানো হচ্ছে না। তার আগে বিএলও এবং তার এক সহকারী মিলে ভোটারের সিরিয়াল নম্বর এবং পার্ট নম্বর মিলিয়ে নেবেন। পাশাপাশি দেখবেন ভোটারের পরিচয় পত্র। এছাড়াও ভোটারের আঙুলে কালি রয়েছে কি না, সেটাও দেখা হবে। এই সব দেখার পরই ভোটারকে লাইনে দাঁড়ানোর ছাড়পত্র দেওয়া হবে। তাতে ভুয়ো ভোটারের ভোট দেওয়ার প্রবণতা কমবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

তবে শুধু বুথকেন্দ্রের বাইরে নয়, ভিতরেও কড়া নজরদারি চলবে। সব কেন্দ্রেই থাকবে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা। কাউকে সন্দেহ হলেই নিরাপত্তা বাহিনী তাঁকে চিহ্নিত করবে। যদি প্রমাণ হয় সেই ব্যক্তি ছাপ্পা দিয়েছে, তাহলে ১ বছরের জেল হতে পারে।

আর কী কী ব্যবস্থা? 
২০২৬-এর নির্বাচনে ভোটারদের সুবিধা করে দিতে নানা ব্যবস্থা করেছে কমিশন। প্রথমত, সব বুথে টয়েলেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, বয়স্ক মানুষদের সুবিধার্থে এক তলাতেই সব ভোটার কেন্দ্র তৈরি করা হচ্ছে বলে খবর। এছাড়া সব বুথেই ওয়েবকাস্টিং বা সিসিটিভি ক্যামেরা নিশ্চিত করা হয়েছে।  

মাখায় রাখতে হবে, প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোট হয়েছে। সেখানে মোটের উপর শান্তিপূর্ণই হয়েছে ভোট। আর কমিশন চাইছে সেই ট্রেন্ড বজায় রেখে দ্বিতীয় দফায় ভোট করতে। শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে চাইছে তারা। আর সেই কাজটা করতে চেয়ে তারা একাধিক নির্দেশ দিচ্ছে। ভুয়ো ভোটার ধরা পড়লে ১ বছরের জেলের নির্দেশও দিয়েছে তারা। এখন দেখার তাদের এই নির্দেশ কতটা বাস্তবে পরিণত হয়।

Advertisement

  

 

POST A COMMENT
Advertisement