তৃণঙ্কুর ভট্টাচার্যকে মারধর?ব্যারাকপুরের রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজের গণনাকেন্দ্রে বচসা এবং ধস্তাধস্তির ঘটনায় জড়িয়ে পড়লেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য। এই সংক্রান্ত একটা ভিডিও সামনে এনেছে সংবাদ সংস্থা এএনআই (এই ভিডিওর সত্যতা আমরা যাচাই করিনি)। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটা ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তৃণাঙ্কুর। তারপরই তাঁকে ঘিরে ফেলে ভিড়। হাতাহাতি চলতে থাকে। সেখান থেকে তাঁকে বাঁচিয়ে বের করে আনে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।
যদিও সেখানে কী ঘটনা ঘটেছে, এটা এখনও জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে নিরাপত্তারক্ষীরা উপস্থিত রয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে বলে জানালেন তিনি।
মাথায় রাখতে হবে, এবার নোয়াপাড়া কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন তৃণাঙ্কুর। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং। আর শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, সেখানে অল্প ভোটে এগিয়ে রয়েছেন অর্জুন। পিছিয়ে রয়েছেন তৃণাঙ্কুর। এমন পরিস্থিতিতে তাঁকে ঘিরে ধস্তাধস্তির ঘটনা সামনে এল।
ভোটে কী ট্রেন্ড?
দুপর ২টো বেজে ১৪ মিনিটে ১৯৪ আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। ও দিকে ৯৩ আসনে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস। অর্থাৎ ট্রেন্ড স্পষ্ট, বাংলার বাতাসে এখন পরিবর্তনের হাওয়া।
আজ সকালেই শুভেন্দু বলেন, 'আমি যেটা প্রাথমিকভাবে অ্যানালিসিস করেছি, তাতে হিন্দু ইভিএম বিজেপির। আর মুসলিম ইভিএম টিএমসি-এর। তবে আগের মতো নয়।' অর্থাৎ তাঁর মতে, এবার ভোট হয়েছে হিন্দু-মুসলিম ন্যারেটিভে। তার উপর ভর করেই হয়েছে ভোট। পাশাপাশি তিনি আজ সকালেই জানিয়ে দেন যে ১৬৫-এর বেশি আসনে জিততে চলেছে বিজেপি।
এখানেই শেষ না করে তিনি সকলকে শান্তি রাখার পরামর্শ দিলেন। এটা প্রাথমিক ট্রেন্ড। বেলা ১২টার পর কোনও কমেন্ট করা উচিত। সেই সঙ্গে দলীয় কর্মীদের কোথাও কোনও ঝামেলায় না জড়ানোর পরামর্শ দিলেন তিনি।
এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'কুকুর মানুষের পায়ে কামড়ায়। মানুষ কুকুরের পায়ে কামড়ায় না। কোনও হিংসায় যাবেন না। এগুলোর মধ্যে যাবেন না। বাংলা শান্তি চায়।'