কেশপুরে মহিলার মৃত্যুভোট দেওয়ার পরই বুথের সামনে মহিলার মৃত্যু। মৃতের নাম ইশরাতন বিবি। বয়স ৫৫। তিনি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত দীঘা এলাকার বাসিন্দা।
স্ত্রীর মৃত্যুর পর মুখ খোলেন তাঁর স্বামী নওয়াবজান আলি। তিনি বলেন, 'পরিবারের চারজন সদস্যের নাম ভোটার তালিকায় নেই। আমার নামও নেই। শুধু আমার স্ত্রীরই ভোটে নাম ছিল। আমিই তাঁকে সঙ্গে করে ভোট দিতে নিয়ে গিয়েছিলাম। আমার ভোট ছিল না। তাই বুথের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। ভোট দিয়ে বেরিয়ে এসে স্ত্রীর মৃত্যু হয়। টোটেতে ওঠার পরই মৃত্যু হয়।'
তবে কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, এই সম্পর্কে এখনও কিছুই জানা যায়নি। এই মৃত্যু নিয়ে মুখ খোলেনি কমিশন বা পুলিশও। এখন দেখার পরিস্থিতি ঠিক কোন দিকে যায়।
এই মৃত্যুর পরই এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। অনেকেই জানতে চাইছেন কীভাবে মৃত্যু হল ইশারতনের। যদিও সেই বিষয়ে এখনও নির্ভরযোগ্য কোনও তথ্য নেই। এবার দেখার ভবিষ্যতে কিছু জানা যায় কি না।
কেমন চলছে ভোট?
ভোটের হাওয়া মোটের উপর শান্তিপূর্ণ। অবশ্য বিক্ষিপ্ত ঝামেলা হয়েছে। তবে এখনও কোনও বড় ঝামেলার খবর মেলেনি।
যদিও আজ সকালেই মুর্শিদাবাদের নওদায় উত্তপ্ত হয়ে যায় পরিস্থিতি। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে শুরু হয়ে উত্তেজনা। তাঁকে ঘিরে স্লোগান দিতে থাকে তৃণমূল কর্মীরা। তাঁর কনভয়ের গাড়ির উপর হামলা হয়। তারপর ধর্নায় বসেন হুমায়ুন কবীর।
তবে হুমায়ুনের নওদা ছাড়া তেমন কোনও জটিলতা তৈরি হয়নি। শিলিগুড়ি ও আসানসোলে কিছু অভিযোগ উঠেছে ঠিকই। কিন্তু সেগুলি গুরুতর কিছু নয়।