বাংলায় কতগুলি সিট পাবে বিজেপি?বাংলায় প্রথম পর্যায়ের নির্বাচনের ১৫২টি সিটের মধ্যে ১১০-এর বেশি পেতে চলেছে বিজেপি। আর দ্বিতীয় দফার পর আরও সিট পেয়ে এককভাবে ক্ষমতায় আসবে ভারতীয় জনতা পার্টি। আজ কলকাতায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই দাবি করলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
তিনি বলেন, 'আমরা গতকাল অনেক রাত পর্যন্ত আমাদের সকল বিধানসভার কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির বাংলার ভোটের একটা পর্যালোচনা করেছি। এই যা পোলিং হয়েছে, আমি স্পষ্ট করে বলতে চাইছি, ১১০-এর বেশি সিট পেয়ে বিজেপি জিততে চলেছে। এর অর্থ হল, দ্বিতীয় পর্যায়ের ভোট মিলিয়ে বিরাট সংখ্যা নিয়ে বাংলায় এককভাবে ভারতীয় জনতা পার্টি আসতে চলেছে।'
নিজের বক্তব্যের শুরুতেই তিনি জানিয়ে দেন, মানুষ এবার ভয় নয়, ভরসার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। তাঁর কথায়, 'আমাদের কাছে যা ফিডব্যাক আছে, তাতে বাংলার জনতা নিজেদের ভবিষ্যৎ প্রথম পর্যায়েই ঠিক করে নিয়েছে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ, মহান নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং ক্ষুদিরাম বোসের মাটি বিকাশকে টেনে নিয়েছে। নরেন্দ্র মোদীজির নেতৃত্বে ভারতের বিকাশের যে যাত্রা চলছে, তাতে বাংলার প্রথম পর্যায়ের ভোটাররা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে তারাও এর সঙ্গে জুড়তে চায়। ১৬ জেলার ১৫২ সিটে ৯২.৮৮ শতাংশ ভোট নিশ্চিতরূপে বলে দিয়েছে দিদি যাচ্ছে। আর বিজেপি আসছে। ভয় যাচ্ছে, ভরসা আসতে চলেছে।'
ভোট এবার শান্তিপূর্ণ
এ দিনের সাংবাদিক সম্মেলনের প্রথম থেকেই প্রথম দফার ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেন শাহ। পাশাপাশি তিনি কিছু পরিসংখ্যানও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, '১৬-এর বিধানসভায় ১২৭৮ লোক আহত হয়েছিলেন। ২১-এ ১৬৮১ জন। ২৩-এর পঞ্চায়েতে ৬৬৪। আর ২৪-এর ভোটে ৭৬১ জন। সেই তুলনায় ৩০-এরও কম মানুষ কাল আহত হয়েছেন। এটা বলে দেয় যে ভোট একবারে শান্তিপূর্ণ হয়েছে। এমনকী মৃত্যুও একজনের হয়নি। এই যে ভোট বেড়েছে এটা ভারতীয় পার্টির সরকার বানানোর জন্য পরিবর্তনের পক্ষে হয়েছে। কারণ, যেভাবে আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য নেতাদের সভায় লোক হয়েছে, তাতে এটা বোঝাই যাচ্ছে।'
পাশাপাশি তাঁর দাবি, অনেকেই মনে করতেন, বিজেপির জনসমর্থন রয়েছে। কিন্তু পোলিং স্টেশনে আনা যাচ্ছে না। যদিও সেই আশঙ্কা এবার শেষ হয়ে গিয়েছে। দ্বিতীয় ভাগেও ভাল ভোট হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ের ভোটাররাও যাতে পরিবর্তনের পক্ষ দেয় তার আবেদন করলেন শাহ।
তিনি আরও বলেন, '৫ তারিখের পর অঙ্গ, বঙ্গ এবং কলিঙ্গতে ভারতীয় জনতা পার্টির শাসন হবে। কমলের প্রশাসন হবে। আমি মনে করি এটা পূর্ব ভারতের জন্য খুবই ইতিবাচক খবর।'