Kailash Vijayvargiya: বাংলায় BJP সরকার, রেজাল্ট দেখেই কেঁদে ফেললেন একুশের সেই কৈলাস

এই ঐতিহাসিক জয়ের খবর সামনে আসতেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিজেপির শীর্ষনেতা এবং মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী কৈলাস বিজয়বর্গীয়। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, এই মুহূর্তে তাঁর অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, 'আজকের দিনটা শুধু বিজেপির নয়, গোটা দেশের জন্য এক বড় প্রাপ্তি। বাংলার মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন এবং উন্নয়নের নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে।'

Advertisement
বাংলায় BJP সরকার, রেজাল্ট দেখেই কেঁদে ফেললেন একুশের সেই কৈলাসকৈলাস বিজয়বর্গীয়
হাইলাইটস
  • কেঁদে ফেললেন কৈলাস
  • নির্বাচনে তিনি সরাসরি অংশগ্রহণ করেননি
  • অমিত শাহের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত

সোমবার প্রকাশিত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে, বিজেপি রাজ্যে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে। স্বাধীনতার পর প্রথমবার বাংলায় সরকার গঠনের পথে বিজেপি। দীর্ঘদিনের শাসক তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়ে গেরুয়া শিবির এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পালাবদলের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। ২০১১ সালের পর এই প্রথমবার বাংলার রাজনৈতিক মানচিত্রে এত বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা স্বাভাবিকভাবেই জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

কেঁদে ফেললেন কৈলাস

এই ঐতিহাসিক জয়ের খবর সামনে আসতেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিজেপির শীর্ষনেতা এবং মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী কৈলাস বিজয়বর্গীয়। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, এই মুহূর্তে তাঁর অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, 'আজকের দিনটা শুধু বিজেপির নয়, গোটা দেশের জন্য এক বড় প্রাপ্তি। বাংলার মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন এবং উন্নয়নের নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে।'

বিজয়বর্গীয় এই প্রসঙ্গে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও এমকে স্ট্যালিনকে। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বাংলায় উন্নয়নের গতি স্তব্ধ ছিল এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে। সেই অসন্তোষই এবার ভোটবাক্সে প্রতিফলিত হয়েছে বলে তাঁর মত।

 নির্বাচনে তিনি সরাসরি অংশগ্রহণ করেননি

এই জয় বিজয়বর্গীয়ের ব্যক্তিগত জীবনেও বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। তিনি জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে মোট ৩৮টি ‘মিথ্যা’ মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যার মধ্যে গুরুতর অভিযোগও ছিল। এই কারণেই এবারের নির্বাচনে তিনি সরাসরি অংশগ্রহণ করেননি। এমনকি দলীয় নেতৃত্বও তাঁকে রাজ্যে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল, যাতে নতুন করে কোনও আইনি জটিলতা তৈরি না হয়।

অমিত শাহের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত

রাজনৈতিক মহলে অমিত শাহের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত বিজয়বর্গীয় দীর্ঘদিন ধরেই দলের সংগঠন শক্তিশালী করার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ২০১৪ সালে হরিয়ানায় বিজেপির সরকার গঠনে তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে বাংলার দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি ধারাবাহিকভাবে সংগঠন বিস্তারে জোর দেন। তারই ফলস্বরূপ ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বাংলায় ১৮টি আসন জেতে এবং ভোট শতাংশও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement