WB Post Poll Violence: ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় 'জিরো টলারেন্স'-এর নির্দেশ কমিশনের, মুখ খুললেন শমীকও

ভোট আসে, ভোট যায়, বাংলা বাংলাতেই থাকে। ছাব্বিশের নির্বাচনে ভোটের দিনগুলিতে কড়া সুরক্ষাবলয় মোতায়েন করেছিল নির্বাচন কমিশন। যার জেরে ভোট চলাকালীন বড় কোনও অশান্তির ঘটনা সামনে আসেনি। কিন্তু নির্বাচনের ফলাফল বেরোতেই সামনে আসতে শুরু করেছে একের পর এক অশান্তির ঘটনা।

Advertisement
ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় 'জিরো টলারেন্স'-এর নির্দেশ কমিশনের, মুখ খুললেন শমীকওভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের
হাইলাইটস
  • নির্বাচনে ভোটের দিনগুলিতে কড়া সুরক্ষাবলয় মোতায়েন করেছিল নির্বাচন কমিশন।
  • নির্বাচনের ফলাফল বেরোতেই সামনে আসতে শুরু করেছে একের পর এক অশান্তির ঘটনা।
  • অশান্তির ঘটনা ক্রমেই বাড়তে থাকায় এবার কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন।

ভোট আসে, ভোট যায়, বাংলা বাংলাতেই থাকে। ছাব্বিশের নির্বাচনে ভোটের দিনগুলিতে কড়া সুরক্ষাবলয় মোতায়েন করেছিল নির্বাচন কমিশন। যার জেরে ভোট চলাকালীন বড় কোনও অশান্তির ঘটনা সামনে আসেনি। কিন্তু নির্বাচনের ফলাফল বেরোতেই সামনে আসতে শুরু করেছে একের পর এক অশান্তির ঘটনা। এমনকি উদ্ধার হয়েছে এক তৃণমূল কর্মীর রক্তাক্ত দেহও। অশান্তির ঘটনা ক্রমেই বাড়তে থাকায় এবার কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন।

যে কোনও ধরনের ভোট পরবর্তী হিংসা বা হিংসায় প্ররোচনা দেওয়ার মতো ঘটনায় 'জিরো টলারেন্স' নীতি নিতে পুলিশকে নির্দেশ দিল কমিশন।

নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য সচিব, পুলিশ মহাপরিচালক এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর প্রধানদের নির্দেশ দিয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গে যে কোনও ব্যক্তির দ্বারা নির্বাচন-পরবর্তী যেকোনো ধরনের সহিংসতা এবং উস্কানির প্রতি শূন্য সহনশীলতা প্রদর্শন করতে হবে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর প্রধানদের এই একই মর্মে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

এর অর্থ হিংসা বা হিংসার ঘটনায় উস্কানি দেওয়ার মতো ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করবে পুলিশ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজ্যের মুখ্য সচিব, পুলিশের DGP, কলকাতা পুলিশ কমিশনার, কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেল এবং সমস্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ সুপার (এসপি) ও পুলিশ আধিকারিকদের টানা টহল বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

শমীক ভট্টাচার্য কী বলছেন?

ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ঘটছে। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। কিছু জায়গায় ক্লাবগুলিতে ‘ভগওয়া তিলক’ দেখা গিয়েছে, গেরুয়া পতাকা নিয়ে রাতের অন্ধকারে তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে।”

তবে এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই বলেই দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, “আমরা সাংগঠনিক স্তর থেকেও এইসব বন্ধ করার চেষ্টা করছি। কিন্তু এগুলো আমাদের লোকজন করছে না। আমরা ক্ষমতায় এসেছি বলে আমাদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তোলা হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা অবশ্যই এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সফল হব।”

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement