
অবশেষে শূন্যের গেরো কাটতে চলেছে বামেদের। নেপথ্যে মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে রানা। ডোমকলের এই CPIM প্রার্থী ভোটগণনার শুরু থেকেই লিড নিয়েছেন। দুপুর ১টার পরও তিনি এগিয়ে রয়েছেন মুর্শিদাবাদের এই কেন্দ্রে। চতুর্থ রাউন্ড গননার শেষে CPIM প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ৮ হাজার ৩৫৭ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।
মুর্শিদাবাদ জেলার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্র ডোমকল। এই কেন্দ্রের ফল নিয়ে এবার প্রথম থেকেই আশাবাদী ছিল বামেরা। ভোটের ঠিক আগেই তৃণমূল ছেড়ে অনেকে CPIM-এ যোগ দেন। এই কেন্দ্র কি বামেদের রক্তক্ষরণ আটকাবে? প্রশ্ন ছিল এমনটাই। গণনার প্রথম থেকেই তা ইতিবাচক মনে হচ্ছে। দুপুর গড়াতেই জয় নিয়ে আরও আশাবাদী বাম কর্মী-সমর্থকরা। লাল আবির মেখে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন সকলে।
জয়ের বিষয়ে প্রথম থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন CPIM প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান। ভোটগ্রহণের পর তিনি বলেছিলন, ‘ভোটের মুখে তৃণমূলের ভাঙন আমাদের শক্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। কার্যালয় হাতছাড়া হওয়া শাসকদলের কাছে এক বিরাট বড় ধাক্কা।’ CPIM নেতাদেরও দাবি, মানুষ তৃণমূলের উপর আস্থা হারিয়ে এখন স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে লাল পতাকা ধরে সমবেত হচ্ছেন।
রাজ্যে রাজ্যে প্রথম দফার ভোটের ঠিক আগের রাতে রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ডোমকল। কুপিলা সর্দারপাড়া এলাকায় CPIM ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। এই ঘটনায় দুই পক্ষের অন্তত তিন জন গুরুতর জখম হয়েছেন বলে খবর। দফায় দফায় উত্তেজনার জেরে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। ভোটের দিন নিরাপত্তা দিয়ে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এমনকী, তৃণমূল প্রার্থী IPS হুমায়ুন কবীরের সামনে দাঁড়িয়ে ভোটাররা চোখে চোখ রেখে বলেছিলেন, তৃণমূলের অত্যাচারের জেরেই তাঁরা ভোট দিতে আসতে পারতেন না।