ফলতায় পুনর্নিবাচনজল্পনা ছিলই। শনিবার রাতে এল খবর। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভায় পুনর্নির্বাচনের ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। ২১ মে গোটা ফলতায় পুনর্ভোট। ফলপ্রকাশ ২৪ মে। ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে পুরো ভোটগ্রহণই বাতিল করা হয়েছে। ফলে ৪ মে বাকি ২৯৩ বিধানসভারই ফলপ্রকাশ হবে।
দ্বিতীয় দফায় আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছিল ফলতা। উত্তরপ্রদেশের এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট অজয়পাল শর্মার সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের 'লড়াই' জায়গা করে নিয়েছিল খবরের শিরোনামে। ভোটের দিনও ওই কেন্দ্রে ওঠে কারচুপির অভিযোগ। ইভিএমে বিজেপির বোতামে টেপ লাগানোর একটি ভিডিও ভাইরাল হয় নেটমাধ্যমে। পুনর্নির্বাচন চেয়েছিল বিজেপি।
অভিযোগ পাওয়ার পর স্ক্রুটিনি করে নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নির্দেশে ফলতা, মগরাহাট, ডায়মন্ড হারবারের মতো এলাকায় স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত।
পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দিল্লিতে পাঠান তিনি। ওই রিপোর্টে ফলতাও ছিল। সূত্রের খবর, স্ক্রুটিনিতে দেখা গিয়েছে।ফলতার একাধিক বুথেই ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বেশ কয়েকটি বুথে ইভিএমে ছিল টেপ লাগানো।
প্রিসাইডিং অফিসার দুপুর ১টায় জানান টেপ খুলে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৫৮ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পড়ে গিয়েছিল ওই কেন্দ্রে। স্ক্রুটিনি রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পর গোটা ফলতার ২৮৫টি ভোটকেন্দ্রেই পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।