Yogi Adityanath Netaji Quote: 'তোমরা আমাকে রক্ত দাও...', জোড়াসাঁকোতে নেতাজি-বিবেকানন্দ 'বিভ্রান্তি' শুধরে নিলেন যোগী

'তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।' বাঙালি মাত্রই জানেন এই অমর উক্তিটি করেছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। কিন্তু পুরুলিয়ার জয়পুরে এই উক্তিটাকে নিয়েই 'ব্লান্ডার' করে বসেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সেই সভায় তিনি বলেন, 'এই বাংলার মাটি স্বামী বিবেকানন্দকে জন্ম দিয়েছিল। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।' তারপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বঙ্গ রাজনীতি। অনেকেই আক্রমণ করে বসেন যোগীকে। যদিও আজ জোড়াসাঁকোর সভায় সেই ভুল শুধরে নিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। 

Advertisement
'তোমরা আমাকে রক্ত দাও...', জোড়াসাঁকোতে নেতাজি-বিবেকানন্দ 'বিভ্রান্তি' শুধরে নিলেন যোগীযোগী আদিত্যনাথ
হাইলাইটস
  • তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব
  • অনেকেই আক্রমণ করে বসেন যোগীকে
  • আজ জোড়াসাঁকোর সভায় সেই ভুল শুধরে নিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী

'তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।' বাঙালি মাত্রই জানেন এই অমর উক্তিটি করেছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। কিন্তু পুরুলিয়ার জয়পুরে এই উক্তিটাকে নিয়েই 'ব্লান্ডার' করে বসেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সেই সভায় তিনি বলেন, 'এই বাংলার মাটি স্বামী বিবেকানন্দকে জন্ম দিয়েছিল। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।' তারপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বঙ্গ রাজনীতি। অনেকেই আক্রমণ করে বসেন যোগীকে। যদিও আজ জোড়াসাঁকোর সভায় সেই ভুল শুধরে নিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। 

আজ তিনি বলেন, 'এটা হল সেই বাংলা যা দেশকে নেতাজি শুভাষচন্দ্র বসুকে দিয়েছে। গোটা ভারতবাসী গর্ববোধ করেন তাঁর জন্য। নেতাজি এই কথা সব ভারতবাসীকে প্রেরণা দেয়, তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।' 

মাথায় রাখতে হবে, সে দিনের সভায় বিবেকানন্দ এবং নেতাজি গুলিয়ে ফেলার পরই ভুলটা নিজেই ধরে ফেরেছিলেন যোগী। তাই তিনি সেই সময়ই নিজেকে শুধরে নিয়ে বলেন, 'নেতাজির এই মন্তব্য ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল হাতিয়ার হয়ে গিয়েছিল। বিশ্ব মঞ্চে স্বামী বিবেকানন্দ সব ভারতীয়কে গর্বিত করেছিলেন। কারণ তিনি বলেছিলেন, গর্বের সঙ্গে বলো হিন্দু।' কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার তা হয়ে গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ার ক্লিপিং। হু হু করে হতে থাকে শেয়ার। 

তৃণমূলও যোগীর এহেন 'ভুলকে' ফুলটস হিসেবে ধরে চালিয়ে ব্যাট করেছে। তারা এই ভুলকে সামনে এনে আক্রমণে লেগে পড়ে। ঘাসফুলের একাধিক নেতানেত্রীরা এই বিষয়টা নিয়ে যোগীকে তোপ দাগেন। তৃণমূলের ভাষায়, যোগী আদিত্যনাথের মতো নেতারা বাংলার বিষয়ে কিছু জানেন না। তাঁরা বাংলার মনীষীদের নিয়ে কিছু জানেন না। শুধু ভোটের মুখে এসে বাংলার মনীষীদের কথা বলতে গিয়ে ভুল করে বসেন। 
   
যদিও এই ভুলটা আর বেশিদিন বয়ে বেড়াননি যোগী। তিনি আজই জোড়াসাঁকোর সভাতে এই ভুল সংশোধন করে নেন। 

এ দিনের সভা থেকেই বিজেপির আমলে উত্তরপ্রদেশে ঠিক কী কী উন্নতি হয়েছে, সেটা সকলের সামনে তুলে ধরেন। তাঁর কথায়, 'নো কার্ফিউ নো দাঙ্গা, ইউপিতে সব চাঙ্গা। মাফিয়া শেষ। গুন্ডা শেষ। ওখানে মাফিয়া, গুন্ডা মাথা তুললেই বুলডোজার হাড় ভেঙে দেয়।' 

Advertisement


এই সভাতেই বাংলায় সংখ্যালঘুদের বাড়াবাড়ি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন যোগী। তিনি মনে করেন, এই সময় সংখ্যালঘুদের একাংশের বাড়বাড়ন্ত হচ্ছে। সেটা আটকাতে হবে। গণতন্ত্রের মাধ্যমেই জবাব দিতে হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান দেন।

পাশাপাশি এ দিনের সভা থেকে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন যোগী। তাঁর মতে, মমতার সময়ই বাংলাতে দুর্নীতি হয়েছে। মহিলাদের সম্মান প্রশ্নের মুখে। তাই এবার মানুষ পরিবর্তন বলে দাবি করলেন তিনি।  

 

POST A COMMENT
Advertisement