Gosaba Shoot Out: ভোটের আগেই গোসাবায় গুলিবিদ্ধ TMC কর্মী, বিজেপির বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ

রাজ্যে নির্বাচন শুরু হতে বাকি আর মাত্র তিন দিন। তার আগেই শুরু হল অশান্তি। দলীয় কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হলেন এক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী। রবিবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার শম্ভুনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভূপেন্দ্রপুর এলাকায়। 

Advertisement
ভোটের আগেই গোসাবায় গুলিবিদ্ধ TMC কর্মী, বিজেপির বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগভোটের আগেই গোসাবায় গুলিবিদ্ধ TMC কর্মী
হাইলাইটস
  • দলীয় কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ TMC কর্মী।
  • দুষ্কৃতীরা আচমকা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
  • ঘটনায় তৃণমূল নেতৃত্ব বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে।

রাজ্যে নির্বাচন শুরু হতে বাকি আর মাত্র তিন দিন। তার আগেই শুরু হল অশান্তি। দলীয় কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হলেন এক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী। রবিবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার শম্ভুনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভূপেন্দ্রপুর এলাকায়। 

জানা গিয়েছে, গুলিবিদ্ধ TMC কর্মীর নাম দিব্যেন্দু গায়েন। স্থানীয় সূত্রে খবর, গতকাল দলীয় একটি মিটিং সেরে দিব্যেন্দু মোটরবাইকে করে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় দুষ্কৃতীরা আচমকা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। একটি গুলি তাঁর ডান উরুতে লাগে। সঙ্গে সঙ্গে রাস্তাতেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। 

গুলির শব্দে স্থানীয়রা ছুটে এসে দিব্যেন্দুকে উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে কলকাতার চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসাপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

এই ঘটনায় তৃণমূল নেতৃত্ব বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। তবে ঘটনার পর এলাকা জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে দাবি, দিব্যেন্দু গায়েন একজন সক্রিয় তৃণমূল কর্মী। আগামী ২২ এপ্রিল গোসাবায় তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত মণ্ডলের সমর্থনে একটি রাজনৈতিক সভা হওয়ার কথা রয়েছে। সেই সভা নিয়ে পরিকল্পনার জন্যই রবিবার সন্ধ্যায় দলীয় বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন দিব্যেন্দু। সেখান থেকে ফেরার পথেই এই হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং কী কারণে এই হামলা, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

তবে এই ঘটনার জেরে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জুড়ে ভোটের আগে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠল বলে মনে করছেন ভোট বিশেষজ্ঞরা। নির্বাচন কমিশন শান্তির বার্তা ও অশান্তির ইস্যুতে জিরো টলারেন্স-এর বার্তা দিলেও, তা কতটা কার্যকর করতে পারে, এখন সেটাই দেখার।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement