এবার হুমায়ুনের কনভয়ে হামলামুর্শিদাবাদের নওদায় নতুন করে উত্তেজনা। এবার সারসরি হুমায়ুন কবীরের কনভয়ের ওপর হামলা। প্রসঙ্গত, মুর্শিদাবাদের নওদায় ১৭৩ নম্বর বুথে এদিন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীরের এজেন্টকে বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনা ঘিরে তুলকালাম বাধে। গোটা ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ হুমায়ুন-শিবিরের। পাল্টা তৃণমূলের দাবি, বুধবার রাতে নওদায় যাঁরা বোমাবাজি করেছেন, তাঁদের নিয়ে বৃহস্পতিবার ভোটের সকালে ঘুরে বেড়াচ্ছেন হুমায়ুন। ঘটনাস্থলে হুমায়ুন এসে পৌঁছলে পরিস্থিতি আরও অশান্ত হয়ে ওঠে। ধাক্কাধাক্কি, ধস্তাধস্তি শুরু হয়। সামাল দিতে হিমশিম খায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরে হুমায়ুন বলেন, ‘৪ মে সব হিসাব হবে।’
নওদা থানা এলাকার শিবনগর গ্রামের ১৭৩ নম্বর বুথে হুমায়ুনকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান তোলেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। ওই এলাকায় তৃণমূলের ব্লক সভাপতি হাবিব শেখের নেতৃত্বে চলে এই বিক্ষোভ। হুমায়ুনকে ‘বিজেপির দালাল’ বলেও স্লোগান তুলছেন অনেকে। হুমায়ুনের গাড়ি ঘিরে রেখে বিক্ষোভ চলে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করতে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের।
নওদায় বিক্ষোভের মুখে পড়ে প্রতিবাদে বসেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর। তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়ে রাস্তার মাঝেই চেয়ার পেতে বসে পড়েন তিনি।
এরপরে হুমায়ুন কবীরের গাড়ি ভাঙচুরেরও অভিযোগ ওঠে। কনভয়ের গাড়িতে বাঁশ, লাঠি নিয়ে হামলা চালান হয়েছে বলে অভিযোগ। যাকে ঘিরে মুর্শিদাবাদের নওদায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নওদার শিবনগর এলাকা থেকে হুমায়ুন বেরোনোর চেষ্টা করার সময়ে তাঁর উপর ‘হামলা’ করা হয় অভিযোগ। আমজনতা উন্নয়ন পার্টির নেতার কনভয়ের একটি গাড়িতে ভাঙচুর এবং পোলিং এজেন্টের গাড়িতে ইটবৃষ্টির অভিযোগ ওঠে। হুমায়ুনের গাড়ির সামনে বাঁশ ফেলে গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। কেন্দ্রীয় বাহিনীর দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় শেষে বিক্ষোভস্থল থেকে বেরোন হুমায়ুন।
পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে এলাকা ছাড়েন হুমায়ুন কবীর। এই হামলায় নওদা থানা ও তৃণমূলের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছেন হুমায়ুন। বলেন, 'কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য সুরক্ষিত আছি।' প্রসঙ্গত, প্রথম দফার ভোটের আগের দিন থেকেই উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের নওদা। ভোটের দিন সকাল থেকে দফায় দফায় অশান্তি চলছে সেখানে।