হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঝামেলা মুর্শিদাবাদের নওদায় উত্তেজনা। হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে রীতিমতো হাতাহাতি বেঁধে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থীর অভিযোগ, তাঁর বুথ এজেন্টকে বাধা দেওয়া হয়। জোর করে আটকে রাখার চেষ্টা করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। সামাল দিতে হিমশিম খেয়ে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।
আম জনতা উন্নয়ন পার্টির জমিরুল ইসলামের বক্তব্য, 'আমাদের কর্মীদের মারধর করা হচ্ছে। আমার বাড়ির গেট আটকানোর চেষ্টা হয়েছে। আমাকে বুথে যেতে বাঁধা দেওয়া হচ্ছে। আমার ভাইকেও মারধর করেছে। হামিদ মস্তানের নেতৃত্বে এই আক্রমণ হচ্ছে।' বুথের সামনে এই গন্ডোগোলের জেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ভোটাররাও। তাঁদের আশস্ত করে ফের ভোটের লাইনে ফেরানোর চেষ্টা করে বাহিনী।
দেখা যায়, যে পথ দিয়ে হুমায়ুনের কনভয় যাচ্ছিল, সে পথে বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূল কর্মীরা। তৃণমূলের পোলিং এজেন্টেরও অভিযোগ, তাঁদের জোর করে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
এদিকে, হুমায়ুন সংবাদমাধ্যমে অভিযোগ করেন, 'নওদা, রেজিনগর, মুর্শিদাবাদের ২২ আসনে শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে। কিন্তু নওদার ৯ এবং ১০ নম্বর বুথে রাত থেকে ঝামেলা হচ্ছে। স্থানীয় পুলিশের ব্যাজ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।' তাঁর আরও বক্তব্য, 'এর শেষ দেখে ছাড়ব। ৪ তারিখের পর সব হিসেব হবে।' তিনি ওই এলাকাতেই ধর্নায় বসে পড়েন।
এদিকে, মুর্শিদাবাদে বাড়িতে বোমাবাজির অভিযোগ। আহত এক মহিলার অভিযোগ, 'রাত ৮টার সময়ে নমাজ পড়তে গিয়েছিলাম। দাঁড়িয়েই ছিলাম আমরা। ২ জন ছেলে এসে বোমা মেরে চলে গেল। এটা হুমায়ুন কবীরের দলের লোকজনই করেছে।'
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার আগে CEO দফতরে পৌঁছন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। ভিতরে প্রবেশের সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নওদার বোমাবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'হ্যাঁ খবর পেয়েছি। খানিকটা দূরে ঘটেছে। কড়া পদক্ষেপ হবে।'