মদের দোকান খুলছে, তারপর আবার বন্ধ হবে, কত দিনের জন্য? আজ বার, পাবে ভিড়ের আশঙ্কা

কলকাতায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জারি হওয়া মদ বিক্রির নিষেধাজ্ঞা আপাতত বহালই থাকছে। বৃহস্পতিবারও শহর ও সংলগ্ন এলাকায় ‘ড্রাই ডে’ পরিস্থিতি অব্যাহত ছিল। ২৯ এপ্রিল যেসব অঞ্চলে ভোটগ্রহণ হবে, সেখানে মদ বিক্রি ও পরিবেশনের ওপর জারি থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে কোনও নতুন নির্দেশ এখনও পর্যন্ত জারি করা হয়নি।

Advertisement
মদের দোকান খুলছে, তারপর আবার বন্ধ হবে, কত দিনের জন্য? আজ বার, পাবে ভিড়ের আশঙ্কাপ্রতীকী ছবি
হাইলাইটস
  • কলকাতায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জারি হওয়া মদ বিক্রির নিষেধাজ্ঞা আপাতত বহালই থাকছে।
  • বৃহস্পতিবারও শহর ও সংলগ্ন এলাকায় ‘ড্রাই ডে’ পরিস্থিতি অব্যাহত ছিল।

কলকাতায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জারি হওয়া মদ বিক্রির নিষেধাজ্ঞা আপাতত বহালই থাকছে। বৃহস্পতিবারও শহর ও সংলগ্ন এলাকায় ‘ড্রাই ডে’ পরিস্থিতি অব্যাহত ছিল। ২৯ এপ্রিল যেসব অঞ্চলে ভোটগ্রহণ হবে, সেখানে মদ বিক্রি ও পরিবেশনের ওপর জারি থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে কোনও নতুন নির্দেশ এখনও পর্যন্ত জারি করা হয়নি।

মঙ্গলবার সন্ধেয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানান, ওই কড়াকড়ি সম্পর্কে তিনিও আগে অবগত ছিলেন না। তাঁর দফতরের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে অর্থ দফতরের কাছে ব্যাখ্যাও চাওয়া হয়েছে। তবুও পরিস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তি কাটেনি, নিষেধাজ্ঞাও বহাল রয়েছে।

রাজ্যের আবগারি দফতর, যারা এই নির্দেশিকা জারি করেছিল, বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের অধীনেই কাজ করছে। গত ১৯ এপ্রিলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শুক্রবার থেকে শনিবার সন্ধে ৬টা পর্যন্ত সাময়িকভাবে মদ বিক্রির অনুমতি থাকবে। এই সময়ে হোটেল, রেস্তোরাঁ, ক্লাব ও মদের দোকানগুলো খুলতে পারবে। তবে শনিবার সন্ধে ৬টার পর ফের নিষেধাজ্ঞা জারি হবে, যা ২৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ শেষ হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। পাশাপাশি ৪ মে ভোটগণনার দিনও এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং গণনার দিন মদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তবে এবারের এই দীর্ঘায়িত নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

শহরের বিভিন্ন বার ও মদের দোকানের মালিকরা মনে করছেন, শুক্রবার থেকে শনিবার সন্ধে পর্যন্ত এই স্বল্প সময়ের ছাড়ে গ্রাহকদের ভিড় স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি হবে। দক্ষিণ কলকাতার এক মদের দোকান মালিকের কথায়, 'এই ভিড় সামলাতে পুলিশের বিশেষ নজরদারি প্রয়োজন, না হলে আইন-শৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হতে পারে।'

সেক্টর ফাইভের এক লাউঞ্জ বারের মালিক জানান, শুক্রবার সন্ধের জন্য ইতিমধ্যেই প্রচুর বুকিং এসেছে। অন্যদিকে, শহরের একটি শপিং মলের বারের মালিকও একই অভিজ্ঞতার কথা জানান। অনেকেই সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন করতে চাইলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তা সম্ভব নয় বলেই মনে করছেন।

Advertisement

একটি সামাজিক ক্লাবের কর্তার কথায়, 'সদস্যরা শুক্রবার বার খোলার অপেক্ষায় রয়েছেন।' তবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা নিয়ে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি।

এই পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। দক্ষিণ কলকাতার একটি পাব জানিয়েছে, শুক্রবার খোলার আগেই তাদের অধিকাংশ কর্মী কাজে ফিরবেন। হাওড়ার এক কর্মীর কথায়, 'প্রতিবার বন্ধ থাকলে আমাদের রোজগার বন্ধ হয়ে যায়। আশা করছি, সপ্তাহান্তের ভিড়ে কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া যাবে।'
 

 

POST A COMMENT
Advertisement