Mamata Banerjee: ২০০-৩০০ ভোটে হারলে কী করতে হবে? এজেন্টদের বললেন মমতা

Mamata Banerjee Recounting: কোনও তৃণমূল প্রার্থী যদি ২০০-৩০০ ভোটে পিছিয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই পুনর্গণনার দাবি তুলতে হবে। শনিবার TMC-র কাউন্টিং এজেন্টদের এমনই নির্দেশ দিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

Advertisement
২০০-৩০০ ভোটে হারলে কী করতে হবে? এজেন্টদের বললেন মমতা শনিবার TMC-র কাউন্টিং এজেন্টদের এমনই নির্দেশ দিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
হাইলাইটস
  • যদি ২০০-৩০০ ভোটে পিছিয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই পুনর্গণনার দাবি তুলতে হবে।
  • TMC-র কাউন্টিং এজেন্টদের এমনই নির্দেশ দিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • ভোটগণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউন্টিং সেন্টার ছেড়ে না যাওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

Mamata Banerjee Recounting: কোনও তৃণমূল প্রার্থী যদি ২০০-৩০০ ভোটে পিছিয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই পুনর্গণনার দাবি তুলতে হবে। শনিবার TMC-র কাউন্টিং এজেন্টদের এমনই নির্দেশ দিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। শুধু তা-ই নয়, ভোটগণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউন্টিং সেন্টার ছেড়ে না যাওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

আগামী ৪ মে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা। তার দু’দিন আগে দলের কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Abhishek Banerjee)। তৃণমূল সূত্রে খবর, ২৯১টি বিধানসভা কেন্দ্রের কাউন্টিং এজেন্টদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মিটিং সারেন দুই নেতা। (দার্জিলিঙে বাকি তিনটি আসনে অনীত থাপার নেতৃত্বাধীন Bharatiya Gorkha Prajatantrik Morcha বা BGPM)।

বৈঠকে মমতা বলেন, '২০০-র বেশি আসনে জিতবে তৃণমূল।' বিজেপি এবং বিরোধী শিবিরের এক্সিট পোলকে গুরুত্ব না দেওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি। তাঁর কথায়, '২০২১ এবং ২০২৪ সালের এক্সিট পোল বাস্তব ফলের সঙ্গে মেলেনি। এই ধরনের সমীক্ষার অনেকটাই শেয়ার বাজারকে প্রভাবিত করার জন্য করা হয়।'

তবে এদিনের বৈঠকে বারবার ভোটগণনা নিয়েই কর্মীদের সতর্ক করে দেন মমতা। নির্দেশ দেন, কোনও আসনে অল্প ব্যবধানে হার হলে কাউন্টিং এজেন্টদের পুনর্গণনার দাবি জানাতেই হবে। বিশেষ করে পোস্টাল ব্যালটের ক্ষেত্রে বাড়তি নজর রাখতে বলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূল নেতৃত্বের আশঙ্কা, ভোটগণনার সময় কারচুপির চেষ্টা হতে পারে। সেই কারণেই কাউন্টিং সেন্টারের ভিতরে কোনও অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে শীর্ষ নেতৃত্বকে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০২১ সালের নন্দীগ্রামের ভোটগণনার সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রসঙ্গও তোলেন মমতা। বলেন, কাউন্টিং সেন্টারের আশপাশে থাকা বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মারের উপরও নজর রাখতে হবে।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও ভার্চুয়াল বৈঠকে কাউন্টিং এজেন্টদের উদ্দেশে বলেন, 'নন্দীগ্রামে যেমন আচমকা বিদ্যুৎ চলে গিয়েছিল, তেমন কোনও অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটলে তা সঙ্গে সঙ্গে জানাতে হবে।'

শনিবার বিকেল ৪টায় বৈঠক শুরু হয়। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলে। ভোটগণনার বিভিন্ন ধাপ, কত রাউন্ডে গণনা হবে, স্ট্রংরুম থেকে EVM বের করা এবং সিল খোলার নিয়ম; সব বিষয় নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা হয়। দলীয় সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, ভোট শেষের পর থেকেই EVM নিরাপত্তা এবং স্ট্রংরুম ঘিরে সরব হয়েছে তৃণমূল। বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতার দু’টি কাউন্টিং সেন্টারে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। যদিও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের (Manoj Agarwal) আশ্বাস, কাউন্টিং সেন্টারে কোনও ধরনের অনিয়মের সুযোগ নেই।

এ দিন নির্বাচন কমিশনকেও নিশানা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, কমিশন বিজেপির পক্ষে কাজ করেছে। যাঁদের বিরুদ্ধে অসাংবিধানিক আচরণের অভিযোগ উঠেছে, সেই পর্যবেক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানান তিনি।

তৃণমূলের দাবি, বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন নিয়ে আত্মবিশ্বাসী নয়। তাই কোটি কোটি টাকা খরচ করে এক্সিট পোল প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন মমতা-অভিষেক। 

POST A COMMENT
Advertisement