'৪ তারিখের পর দিল্লির কোন বাবা বাঁচায় দেখব,' আরামবাগে বদলার হুঁশিয়ারি অভিষেকের

আরামবাগকে আলাদা জেলা করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। পাশাপাশি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, '৪ তারিখে মমতা ব্যানার্জি যতই উদার থাকুন, আরামবাগের স্টিয়ারিং আমার হাতেই থাকবে। আমি এতটা উদার নই। খেলা যখন ওরা শুরু করেছে, শেষটা আমি করব।'

Advertisement
'৪ তারিখের পর দিল্লির কোন বাবা বাঁচায় দেখব,' আরামবাগে বদলার হুঁশিয়ারি অভিষেকেরঅভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।-ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • হুগলির গোঘাটে নির্বাচনী উত্তেজনার মাঝেই আক্রান্ত হলেন আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ।
  • সোমবার দুপুরে তাঁর গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

হুগলির গোঘাটে নির্বাচনী উত্তেজনার মাঝেই আক্রান্ত হলেন আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ। সোমবার দুপুরে তাঁর গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের তরফে এই হামলার জন্য বিজেপির দুষ্কৃতীদের দায়ী করা হয়েছে। ঘটনায় সাংসদ আহত হন এবং তাঁকে দ্রুত আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়।

আহত সাংসদকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি আরামবাগের পল্লীশ্রী মোড়ে একটি জনসভায় বক্তব্য রাখেন এবং সরাসরি কড়া হুঁশিয়ারি দেন।
অভিষেক বলেন, 'গতবার আরামবাগ, গোঘাট, খানাকুল, পুরশুরা, এই জায়গাগুলোতে আমরা হেরেছিলাম। তবু উদারতা দেখিয়েছি। কিন্তু ৪ তারিখের পর কার কত ক্ষমতা, আর দিল্লি থেকে কে বাঁচাতে আসে, সব দেখব।'

তিনি আরও দাবি করেন, 'যারা সিপিএমের সন্ত্রাস ফিরিয়ে আনতে চাইছে, তাদেরই এখন বিজেপিতে দেখা যাচ্ছে। আরামবাগের মানুষ এটা মেনে নেবেন না। তৃণমূল না থাকলে এই অঞ্চলে কোনও উন্নয়ন সম্ভব নয়। যে উন্নয়ন শুরু হয়েছিল, তা থমকে গেছে।'

ভোটের আগে সাধারণ মানুষকে ভয় না পাওয়ার বার্তা দিয়ে অভিষেক বলেন, '২৮-২৯ তারিখ যদি মানুষ ভয়কে জয় করতে পারেন, তাহলে আরামবাগে শান্তি ফিরবে।'

এদিন তিনি আরও কড়া ভাষায় বলেন, 'এই হামলার সঙ্গে যারা যুক্ত, তাদের ভবিষ্যৎ খুব কঠিন হতে চলেছে। ভোট এমনভাবে দিন, যাতে ৪ তারিখে বিজেপির পতাকা ধরার মতো কেউ না থাকে।'

আরামবাগকে আলাদা জেলা করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। পাশাপাশি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, '৪ তারিখে মমতা ব্যানার্জি যতই উদার থাকুন, আরামবাগের স্টিয়ারিং আমার হাতেই থাকবে। আমি এতটা উদার নই। খেলা যখন ওরা শুরু করেছে, শেষটা আমি করব।'

এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, এবং ভোটের আগে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

POST A COMMENT
Advertisement