Mamata Banerjee: 'মহিলা বিল সমর্থন করি, কিন্তু...' রাহুলের সুরেই ডিলিমিটেশন নিয়ে কড়া অবস্থান মমতার

নারী সংরক্ষণ বিল নিয়ে তৃণমূলের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দমদম সেন্ট্রাল জেল ময়দানের জনসভা থেকে তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, 'মহিলা বিল আমরা সমর্থন করব, কিন্তু ডিলিমিটেশনের সঙ্গে নয়।'

Advertisement
'মহিলা বিল সমর্থন করি, কিন্তু...' রাহুলের সুরেই ডিলিমিটেশন নিয়ে কড়া অবস্থান মমতারমমতার অভিযোগ, মহিলা সংরক্ষণ বিলের সঙ্গে ডিলিমিটেশন যুক্ত করে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা হচ্ছে।
হাইলাইটস
  • নারী সংরক্ষণ বিল নিয়ে তৃণমূলের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • সাফ জানিয়ে দিলেন, 'মহিলা বিল আমরা সমর্থন করব, কিন্তু ডিলিমিটেশনের সঙ্গে নয়।'
  • মমতার অভিযোগ, মহিলা সংরক্ষণ বিলের সঙ্গে ডিলিমিটেশন যুক্ত করে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা হচ্ছে।

Mamata Banerjee women reservation bill: নারী সংরক্ষণ বিল নিয়ে তৃণমূলের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দমদম সেন্ট্রাল জেল ময়দানের জনসভা থেকে তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, 'মহিলা বিল আমরা সমর্থন করব, কিন্তু ডিলিমিটেশনের সঙ্গে নয়।' দমদমের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা (Mamata Banerjee) বলেন, 'আজ পার্লামেন্টে শুনছিলাম, আমার দল থেকে জিজ্ঞাসা করছিল কী হবে। ডিলিমিটেশন বিল আর মহিলাদের রিজার্ভেশন বিল একসঙ্গে আনছে। মহিলাদের এত অসম্মান কোরো না।' তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গেই ইতিমধ্যে পঞ্চায়েত ও পুরসভায় ৫০ শতাংশ সংরক্ষণ রয়েছে। লোকসভাতেও তাঁর দলের ৩৭ শতাংশ মহিলা প্রতিনিধি রয়েছে।

‘ডিলিমিটেশন মানি না’, আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর
মমতার অভিযোগ, মহিলা সংরক্ষণ বিলের সঙ্গে ডিলিমিটেশন যুক্ত করে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, 'নিজেরা হারবে আগামিদিন, তাই দেশটাকে টুকরো টুকরো করার চেষ্টা করছো। এই দেশকে টুকরো টুকরো করার মধ্যে বঙ্গভঙ্গ করারও প্ল্যান আছে।'
তিনি আরও বলেন, 'আমরা এই ডিলিমিটেশন মানি না। যেভাবে ভোটার নাম ডিভিশন করেছে, কেটেছে; এই সরকার হচ্ছে ডিমোলেশন অফ ডেমোক্রেসি।'

মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র নষ্ট করার অভিযোগও তোলেন। তাঁর কথায়, 'এরা গণতন্ত্রকে মার্ডার করে। এদের একদিনও ক্ষমতায় থাকা উচিত না।'

লোকসভায় একই সুর রাহুল গান্ধীর 
এদিন লোকসভাতেও একই সুর শোনা গেল রাহুল গান্ধীর (রাহুল গান্ধীর) গলাতেও। তিনি দাবি করেন, ২০২৩ সালে পাশ হওয়া মহিলা সংরক্ষণ আইনই ছিল আসল আইন। কিন্তু এখন সেটিকে আসন পুনর্বিন্যাসের সঙ্গে জুড়ে দিয়ে দেশের নির্বাচনী মানচিত্র বদলানোর চেষ্টা চলছে।

রাহুলের অভিযোগ, এই পদক্ষেপের পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। তাঁর মতে, শাসক দল নিজেদের সুবিধা বাড়াতেই এই কৌশল নিচ্ছে।

তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা
মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে একদিকে যেমন সংসদে উত্তাপ বাড়ছে, তেমনই রাজ্য রাজনীতিতেও এই ইস্যুতে চড়ছে পারদ। একদিকে প্রধানমন্ত্রী সমর্থনের আবেদন জানিয়েছেন। অন্যদিকে বিরোধীরা বিল আনার পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

Advertisement

বিশেষ করে ডিলিমিটেশন বা আসন পুনর্বিন্যাসের সঙ্গে এই বিলকে যুক্ত করা নিয়ে বিতর্ক তীব্র হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, আগামিদিনে এই ইস্যুই বড় রাজনৈতিক লড়াইয়ের কেন্দ্র হয়ে দাঁড়াতে পারে। শেষ পর্যন্ত সংসদে এই বিল কোন পথে এগোয় এবং রাজনৈতিক সমীকরণে কী প্রভাব ফেলে সেটাই দেখার।

POST A COMMENT
Advertisement