মদের দোকানে বিরাট লাইন, কিন্তু মাথাপিছু বোতল ফিক্সড! ওতেই ৪ দিন চালাতে হবে

বিধানসভা নির্বাচনের আগে জারি হওয়া টানা ৯৬ ঘণ্টার ‘ড্রাই ডে’ শেষ হতেই শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতার মদের দোকানগুলির সামনে দেখা গেল উMassive queues at liquor shops yet the bottle limit per person is fixed That is what has to last for four days rjkপচে পড়া ভিড়। সকাল ১০টায় দোকান খোলার কথা থাকলেও, তার বহু আগেই, ভোর ৮টা থেকেই, ক্রেতারা লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন। যা মনে করিয়ে দিচ্ছে কোভিড পর্বের কথা। 

Advertisement
মদের দোকানে বিরাট লাইন, কিন্তু মাথাপিছু বোতল ফিক্সড! ওতেই ৪ দিন চালাতে হবেসংগৃহীত ছবি
হাইলাইটস
  • বিধানসভা নির্বাচনের আগে জারি হওয়া টানা ৯৬ ঘণ্টার ‘ড্রাই ডে’ শেষ হতেই শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতার মদের দোকানগুলির সামনে দেখা গেল উপচে পড়া ভিড়।
  • সকাল ১০টায় দোকান খোলার কথা থাকলেও, তার বহু আগেই, ভোর ৮টা থেকেই, ক্রেতারা লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে জারি হওয়া টানা ৯৬ ঘণ্টার ‘ড্রাই ডে’ শেষ হতেই শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতার মদের দোকানগুলির সামনে দেখা গেল উপচে পড়া ভিড়। সকাল ১০টায় দোকান খোলার কথা থাকলেও, তার বহু আগেই, ভোর ৮টা থেকেই, ক্রেতারা লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন। যা মনে করিয়ে দিচ্ছে কোভিড পর্বের কথা। 

শহরের বিভিন্ন প্রান্তে একই ছবি ধরা পড়ে। কেউ কেউ শুধু মদ কেনার জন্য অফিসেও ছুটি নিয়েছেন বলে জানান। বেলঘরিয়া, চাঁদনি চক বা বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট, সব জায়গাতেই দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা যায় ক্রেতাদের।

তবে ভিড় সামলাতে এবং মজুতদারি বা কালোবাজারি রুখতে আবগারি দফতর কঠোর নিয়ম জারি করেছে। প্রতিটি ক্রেতা সর্বোচ্চ দু’টি বোতল পর্যন্তই কিনতে পারবেন, মদের ধরন যাই হোক না কেন। দোকানদারদের জানানো হয়েছে, এই নিয়ম ভাঙলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দীর্ঘ সময় দোকান বন্ধ থাকায় অনেক ক্রেতাই অস্বস্তির কথাও জানিয়েছেন। কারও মতে, এতদিন মদ না পেয়ে শারীরিক সমস্যা পর্যন্ত দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে দোকান মালিকদের বক্তব্য, দোকান খোলার পর থেকেই বিক্রি ভালো, ফলে কিছুটা হলেও ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

তবে এখনও মদের জোগান সীমিত। নতুন করে স্টক তোলার অনুমতি না থাকায় দোকানগুলিতে মজুত কমে এসেছে। নির্দেশ অনুযায়ী, ভোট গণনার দিন ৪ মে পর্যন্ত নতুন চালান তোলা যাবে না। আপাতত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই দোকান খোলা রাখা হচ্ছে, শুক্রবার রাত ১০টা পর্যন্ত এবং শনিবার সন্ধে ৬টা পর্যন্ত।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ধাপে ধাপে এই ‘ড্রাই ডে’ ব্যবস্থা চালু করা হলেও, ৯৬ ঘণ্টার দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে এখনও কিছুটা বিভ্রান্তি ও আলোচনা রয়ে গেছে।

 

POST A COMMENT
Advertisement