'৪ মে-র পর BJP-র শপথগ্রহণে...' বাংলায় শেষ সভায় ব্যারাকপুরে বড় দাবি মোদীর

ভাষণে পরিবর্তনের ডাক দেন প্রধানমন্ত্রী। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে তিনি বলেন, '১৮৫৭ সালে ব্যারাকপুর থেকেই স্বাধীনতার প্রথম লড়াই শক্তি পেয়েছিল। আজ সেই মাটিই বাংলায় পরিবর্তনের পথ দেখাচ্ছে। চারদিকে একটাই সুর, পরিবর্তন দরকার।'

Advertisement
'৪ মে-র পর BJP-র শপথগ্রহণে...' বাংলায় শেষ সভায় ব্যারাকপুরে বড় দাবি মোদীরব্যারাকপুরে প্রধানমন্ত্রী মোদী
হাইলাইটস
  • বাংলার মাটিতে শেষ নির্বাচনী সভা থেকে আত্মবিশ্বাসী সুরে বড় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
  • তিনি বলেন, 'সকাল সকাল এত মানুষ আশীর্বাদ দিতে এসেছেন।

বাংলার মাটিতে শেষ নির্বাচনী সভা থেকে আত্মবিশ্বাসী সুরে বড় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, 'সকাল সকাল এত মানুষ আশীর্বাদ দিতে এসেছেন। হেলিপ্যাড থেকে সভাস্থলে আসার পথে দু’পাশে মানুষের যে উৎসাহ দেখলাম, তা অভিভূত করেছে। এই ভোটে এটা আমার শেষ সভা। বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে মানুষের যে মেজাজ দেখেছি, তাতে বিশ্বাস নিয়ে যাচ্ছি, ৪ মে-র পরে বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমাকে আবার এ রাজ্যে আসতেই হবে।'

‘জনতার প্রেমেই শক্তি’
নিজের ভাষণে আধ্যাত্মিকতার প্রসঙ্গও তোলেন তিনি। বলেন, “মা কালীর ভক্তদের মাঝে গিয়ে যে ভালোবাসা পেয়েছি, তা ভোলার নয়। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অযোধ্যায় রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার আগে ১১ দিন বিভিন্ন পুজো-আচার করেছি। দক্ষিণ ভারতের একাধিক মন্দিরেও গিয়েছি। এই সব কিছুর নেপথ্যে রয়েছে বাংলার প্রতি আমার গভীর ভালোবাসা। আমার আধ্যাত্মিক চেতনার কেন্দ্রও বাংলা। এখানে ঈশ্বররূপী জনতার ভালোবাসা পেয়েছি।'

‘ক্লান্তি নয়, তীর্থযাত্রার অনুভূতি’
প্রচারের ব্যস্ততার মধ্যেও ক্লান্তি অনুভব করছেন না বলেই জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, 'এই দৌড়ঝাঁপে সাধারণত ক্লান্তি আসে। ৩০-৪০ বছর আগেও আসত। কিন্তু এবার একেবারেই আলাদা অনুভূতি। এত গরমের মধ্যেও কোনও ক্লান্তি নেই। রোড শো শেষে মানুষের ভিড়ের মধ্যেই হেঁটেছি। আমার কাছে এই রোড শো শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, একপ্রকার তীর্থযাত্রা।'

‘আপনারাই আমার পরিবার’
জনতার সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন তিনি। বলেন, 'গত কয়েক দশক ধরে দেশের কোণায় কোণায় ঘুরেছি। বিজেপিতে আসার পর দল যা দায়িত্ব দিয়েছে, তাই পালন করেছি। দিন-রাত-ঋতু কিছুই দেখি না। আপনাদের মাঝে থাকলেই শান্তি পাই, সুখ পাই। আপনারাই আমার পরিবার।'

পরিবর্তনের ডাক
ভাষণে পরিবর্তনের ডাক দেন প্রধানমন্ত্রী। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে তিনি বলেন, '১৮৫৭ সালে ব্যারাকপুর থেকেই স্বাধীনতার প্রথম লড়াই শক্তি পেয়েছিল। আজ সেই মাটিই বাংলায় পরিবর্তনের পথ দেখাচ্ছে। চারদিকে একটাই সুর, পরিবর্তন দরকার।'
 

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement