নবান্ন না রাইটার্স? নীল-সাদা না গেরুয়া? নতুন সরকারের সদর দফতর নিয়ে যা জানা যাচ্ছে

পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের ইঙ্গিত স্পষ্ট হতেই প্রশাসনিক মহলেও শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। এতদিন রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত নবান্ন-ই কি নতুন সরকারের সদর দফতর থাকবে, নাকি ফের ফিরে আসবে ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং, এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে।

Advertisement
নবান্ন না রাইটার্স? নীল-সাদা না গেরুয়া? নতুন সরকারের সদর দফতর নিয়ে যা জানা যাচ্ছেফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের ইঙ্গিত স্পষ্ট হতেই প্রশাসনিক মহলেও শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।
  • এতদিন রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত নবান্ন-ই কি নতুন সরকারের সদর দফতর থাকবে, নাকি ফের ফিরে আসবে ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং, এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে।

পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের ইঙ্গিত স্পষ্ট হতেই প্রশাসনিক মহলেও শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। এতদিন রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত নবান্ন-ই কি নতুন সরকারের সদর দফতর থাকবে, নাকি ফের ফিরে আসবে ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং, এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে।

বিজেপির বিপুল জয়ের পর থেকেই শোনা যাচ্ছে, প্রশাসনিক সদর দফতর নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত আসতে পারে। একাংশের মতে, নতুন সরকার নবান্ন ছেড়ে আবার রাইটার্স বিল্ডিং-এই সচিবালয় ফিরিয়ে নিতে পারে, যা দীর্ঘদিন বাংলার প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল।

অন্যদিকে, আরও একটি মত বলছে, সদর দফতর সরানো না হলেও নবান্নের বর্তমান নীল-সাদা রঙের পরিবর্তন হতে পারে। নতুন সরকারের ভাবধারার প্রতিফলন হিসেবে ভবনের রং বদলে সাদা-গেরুয়া করার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এরই মধ্যে জয়ের পরপরই নবান্নে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, গুরুত্বপূর্ণ নথি ও দাপ্তরিক সামগ্রীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে, প্রশাসনিক কাঠামোতে বড় কোনও পরিবর্তন আসবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত নয়। তবে নতুন সরকারের হাত ধরে বাংলার প্রশাসনিক কেন্দ্রেও বদলের হাওয়া লাগতে পারে, এই জল্পনাই এখন চর্চার কেন্দ্রবিন্দু।
 

 

POST A COMMENT
Advertisement