BJP Delegation Meet: কেন ভোটগণনার আগে CEO মনোজের দরবারে BJP? ৩ জরুরি কারণ জানালেন তাপস

ভোটগণনার আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সিইও মনোজ কুমার অগরওয়ালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করল বিজেপির প্রতিনিধি দল। দেখা করে বেরিয়ে আসার পর সাক্ষাতের কারণ নিয়ে মুখ খুললেন মাণিকতলা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়।

Advertisement
কেন ভোটগণনার আগে CEO মনোজের দরবারে BJP? ৩ জরুরি কারণ জানালেন তাপসতাপস রায় কী বললেন?
হাইলাইটস
  • ভোটগণনার আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সিইও মনোজ কুমার অগরওয়ালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করল বিজেপির প্রতিনিধি দল
  • দেখা করে বেরিয়ে আসার পর সাক্ষাতের কারণ নিয়ে মুখ খুললেন মাণিকতলা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়
  • কী বললেন তিনি?

ভোটগণনার আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সিইও মনোজ কুমার অগরওয়ালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করল বিজেপির প্রতিনিধি দল। দেখা করে বেরিয়ে আসার পর সাক্ষাতের কারণ নিয়ে মুখ খুললেন মাণিকতলা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়।

তিনি বলেন, 'আমরা তিনটি বিষয় নিয়ে এসেছিলাম। প্রথমত, বর্ধমানে কেন সিএপিএফ এবং জেলা পুলিশ বাইরে ঘোরাফেরা করছিল? দ্বিতীয়ত, পিংলাদাসপুরে কোনওভাবেই ক্যাজুয়াল স্টাফ মোতায়েন করা উচিত নয়। তৃতীয়ত, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় দলগুলির জন্য গণনা কেন্দ্রে যথাযথ বসার ব্যবস্থা থাকতে হবে এবং রিটার্নিং অফিসার (RO), সহকারী রিটার্নিং অফিসার (ARO), অবজারভার এবং গণনা আধিকারিকদের তা নিশ্চিত করতে হবে।'

পাশাপাশি তাঁর মুখ থেকে ফলতা ইস্যুর কথাও বেরিয়ে আসে। তিনি বলেন, 'আমাদের মতে, যা ঘটেছে তা হওয়া উচিত ছিল না। ফলতায়ও একই ধরনের অনিয়ম দেখা গেছে…'

মাথায় রাখতে হবে, রাজ্য রাজনীতিতে এখন বহু চর্চিত ফলতা। ইতিমধ্যেই ফলতায় পুনর্নির্বাচন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। আপাতত স্থগিত থাকছে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগণনা। পুনর্নির্বাচন হবে আগামী ২১ মে। ফলপ্রকাশ ২৪ মে। 


নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণার পরই আসরে নেমে পড়েছে বিজেপি। তাঁদের পক্ষ থেকে সব শীর্ষ স্থানীয় নেতাই কমিশনের এই নির্দেশের প্রশংসা করেছেন। এমনকী দলের সাংসদ তথা আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য এই বিষয়টা নিয়ে তৃণমূলকে খোঁচা দিতেও ছাড়েননি। তিনি বলেন, 'ডায়মন্ড হারবার মডেল ধুলিসাৎ হয়ে গিয়েছে।' যদিও এর পর পাল্টা দিয়েছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি হুঙ্কার দিয়ে বলেন, '১০ বার জন্ম নিলেও ডায়মন্ড হারবার মডেল কালিমালিপ্ত করা সম্ভব নয়।' এখানেই শেষ না করে তাঁর দাবি, গোটা ভারত, এমনকী, দিল্লির কোনও 'বাবা' এসেও ফলতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। এটা অভিষেকের চ্যালেঞ্জ।

পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে দালাল বলেও অভিহত করেন। তাঁর মতে, বাংলা বিরোধী গুজরাতি গ্যাং এবং তাদের দালাল জ্ঞানেশ কুমার ১০ বার জন্ম নিলেও ডায়মন্ড হারবার মডেলে একটা আঁচড়ও দিতে পারবে না।

Advertisement

মাথায় রাখতে হবে, গত ২৯ এপ্রিল, বুধবার রাজ্যের ৭ জেলার ১৪২ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়। সেই দিন ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটও হয়। এটি সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় হিসেবেই পরিচিত। ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান, অভিষেক ঘনিষ্ট নেতা। আর সেখানেই প্রচুর অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। তারপরই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

POST A COMMENT
Advertisement