প্রথম দফার ভোটে BJP-র মহিলা প্রার্থী কত? 'কুমিরের কান্না,' কটাক্ষ তৃণমূল কংগ্রেসের

মহিলা প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে বিজেপি অন্যান্য বড় দলগুলির তুলনায় পিছিয়েই রয়েছে। সেখানে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম দফায় ১৪৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৪ জন মহিলাকে টিকিট দিয়েছে, যা প্রায় ১৬ শতাংশ। অন্যদিকে বাম ও কংগ্রেস শিবিরেও মহিলা প্রতিনিধিত্ব তুলনামূলকভাবে বেশি।

Advertisement
প্রথম দফার ভোটে BJP-র মহিলা প্রার্থী কত? 'কুমিরের কান্না,' কটাক্ষ তৃণমূল কংগ্রেসের স্পর্শকাতর এলাকায় কড়া নজরদারির নির্দেশ
হাইলাইটস
  • ‘নারীশক্তি’র প্রশ্নে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে।
  • প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একদিকে নারী ক্ষমতায়নের কথা বলছেন, অন্যদিকে বিরোধীদের অভিযোগ, এ সবই ‘কুম্ভীরাশ্রু’।

‘নারীশক্তি’র প্রশ্নে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একদিকে নারী ক্ষমতায়নের কথা বলছেন, অন্যদিকে বিরোধীদের অভিযোগ, এ সবই ‘কুম্ভীরাশ্রু’। বাংলার নির্বাচনী মঞ্চেও সেই সুরই বজায় রেখেছেন তিনি। বাঁকুড়ার ফুলবেড়িয়ার সভা থেকে মোদী দাবি করেছেন, তাঁর সরকার চায় রাজনীতিতে মহিলাদের অংশগ্রহণ বাড়ুক, কিন্তু কংগ্রেস ও তৃণমূল নাকি মহিলা সংরক্ষণে বাধা দিয়েছে।

তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন বলেই দাবি বিরোধীদের। ২৩ এপ্রিলের প্রথম দফার নির্বাচনে ১৫২টি আসনের প্রার্থী তালিকা বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে, বিজেপির মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা মাত্র ১৫, অর্থাৎ প্রায় ১০ শতাংশ। এই তথ্য সামনে এনে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলছে, নারী ক্ষমতায়নের দাবির সঙ্গে এই পরিসংখ্যান কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ?

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ইলেকশন ওয়াচ’-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মহিলা প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে বিজেপি অন্যান্য বড় দলগুলির তুলনায় পিছিয়েই রয়েছে। সেখানে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম দফায় ১৪৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৪ জন মহিলাকে টিকিট দিয়েছে, যা প্রায় ১৬ শতাংশ। অন্যদিকে বাম ও কংগ্রেস শিবিরেও মহিলা প্রতিনিধিত্ব তুলনামূলকভাবে বেশি।

বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক নেতা-নেত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, যদি সত্যিই নারী সংরক্ষণে আগ্রহ থাকে, তবে এতদিন ধরে সেই আইন কার্যকর করা হয়নি কেন? তাঁদের বক্তব্য, সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্র সরকার বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছে।

বিরোধীদের দাবি, পঞ্চায়েত থেকে সংসদ, বিভিন্ন স্তরে মহিলা প্রতিনিধিত্বে তৃণমূল কংগ্রেস দেশের মধ্যে শীর্ষস্থানে। পাশাপাশি রাজ্যের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’, ‘কন্যাশ্রী’ ও ‘রূপশ্রী’-র মতো প্রকল্পগুলিও নারী ক্ষমতায়নের বাস্তব উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।

এই প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক মহলের মত, নারীশক্তি নিয়ে বক্তব্য আর বাস্তব পদক্ষেপের মধ্যে ফারাকটাই এখন বাংলার নির্বাচনী বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু।

 

POST A COMMENT
Advertisement