স্ট্রংরুমের ২০০ মিটারের মধ্যে জমায়েত, বিক্ষোভ প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা, জানাল কলকাতা পুলিশ

নির্বাচনের ফল গণনার আগে বেশ কিছু জায়গায় ১৬৩ বিএনএস-এর ধারা জারি করল কলকাতা পুলিশ। ১৬৩ বিএনএস-এর অধীনে বেশ কয়েকটি জায়গায় সমাবেশ নিষিদ্ধ। বিশেষত ব্যালট পেপার এবং ইভিএম সংরক্ষণ করা স্ট্রংরুমগুলির নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় ​​নন্দের একটি সার্কুলার জারি করেন।

Advertisement
স্ট্রংরুমের ২০০ মিটারের মধ্যে জমায়েত, বিক্ষোভ প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা, জানাল কলকাতা পুলিশভবানীপিুরের স্ট্রংরুম (ছবি: শঙ্খ দাস)

নির্বাচনের ফল গণনার আগে বেশ কিছু জায়গায় ১৬৩ বিএনএস-এর ধারা জারি করল কলকাতা পুলিশ। ১৬৩ বিএনএস-এর অধীনে বেশ কয়েকটি জায়গায় সমাবেশ নিষিদ্ধ। বিশেষত ব্যালট পেপার এবং ইভিএম সংরক্ষণ করা স্ট্রংরুমগুলির নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় ​​নন্দের একটি সার্কুলার জারি করেন।

স্ট্রং রুমের ২০০ মিটার পরিধির মধ্যে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির জমায়েত, কোনও মিছিল বা সমাবেশ বের করা, জনসভা, বিক্ষোভ প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা দারি করা হয়েছে। সেইসঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র, লাঠি, বা অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে এমন কোনও বস্তু; বিস্ফোরক, আতশবাজি বা দাহ্য পদার্থ, ইট-পাথরের মতো কোনও সামগ্রী সঙ্গে রাখা নিষিদ্ধ।

স্ট্রংরুমের ব্যালট পেপার এবং ইভিএম সংরক্ষণের সময় আইনসম্মতভাবে নিযুক্ত কোনও ব্যক্তির কাজে বাধা দিলে কঠোর শাস্তি হবে।  

গতকাল প্রায় ৪ ঘণ্টা ধরে ভবানীপুরের শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্ট্রংরুমে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাত ১২টার পরে ভবানীপুরের স্ট্রংরুম থেকে বেরোন তিনি। দীর্ঘক্ষণ স্ট্রংরুমের ভিতরেই ছিলেন তিনি।  সেই প্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দুর দাবি করেন, নিয়ম বহির্ভূত ভাবে কোনও রকম বাড়তি সুবিধা যাতে মুখ্যমন্ত্রী না পান, তা সুনিশ্চিত করেছে তাঁর দল বিজেপি।  নির্বাচনের ফল ঘোষণার প্রাক্কালে কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল বৃহস্পতিবার। স্ট্রংরুমের ভেতরে ‘সন্দেহজনক গতিবিধি’ এবং ইভিএম টেম্পারিংয়ের আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রের মূল গেটের বাইরে বিক্ষোভ অবস্থানে বসেন উত্তর কলকাতার দুই হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থী— কুণাল ঘোষ এবং শশী পাঁজা। যদিও শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে কুণাল ঘোষ-শশী পাঁজারা এলাকা ছাড়েন। তবে শুক্রবার সকালে ফের ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রং রুমে পৌঁছে গেলেন কুণাল ঘোষ। খুঁটিয়ে দেখেন সিসিটিভি ফুটেজও। এসব ঘটনার পর স্ট্রংরুমে নিরাপত্তা বাড়াল কলকাতা পুলিশ।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement